Showing posts with label Apps. Show all posts
Showing posts with label Apps. Show all posts


echo4-750x400

কিছুটা চুপিসারেই আরও একটি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠানকে কিনে নিয়েছে মাইক্রোসফট। ডাবল ল্যাবস নামের এই অ্যাপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি ‘ইকো নোটিফিকেশন লকস্ক্রিন’ নামের একটি জনপ্রিয় অ্যাপ তৈরি করেছে।

মাইক্রোসফট এর আগেও একটি লকস্ক্রিন নোটিফিকেশন অ্যাপ তৈরি করেছিল। গত বছর মাইক্রোসফট গ্যারেজ নামের রিসার্চ ডিভিশন ‘মাইক্রোসফট নেক্সট’ নামের একটি লকস্ক্রিন অ্যাপ তৈরি করেছিল। একজন অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারী যেন ফোন আনলক না করেই লকস্ক্রিন থেকে সব নোটিফিকেশন এবং অন্যান্য তথ্য পেতে পারেন, সে ব্যবস্থা ছিল অ্যাপটিতে।

বর্তমানে ইকো লকস্ক্রিন প্লে স্টোরে দারুণ জনপ্রিয় একটি অ্যাপ। এর রিভিউ রয়েছে ৫০ হাজারের বেশি।


Tour-APP

ভ্রমণের যে কোনো বিষয়, তথ্য কিংবা ভ্রমণ বিষয়ক সহযোগিতা মিলবে এক অ্যাপে। ভ্রমণকেন্দ্রিক এটুজেড বিষয় নিয়ে ভ্রমণপ্রেমীদের বন্ধু ট্যুর অ্যাপ। অ্যাপ্লিকেশনটি বানিয়েছে দেশের অন্যতম সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ই-সফট।
ভ্রমণ গাইড হিসেবে বিস্তারিত জানার জন্য খুবই কার্যকরী একটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন এটি, যা গুগল প্লে স্টোর থেকে এখনই ডাউনলোড করে নিতে পারেন। আপনার স্মার্টফোনে এই অ্যাপ্লিকেশনটি থাকা মানে শুধু ঢাকা নয়, বাংলাদেশ এবং পুরো বিশ্বের ভ্রমণ তথ্য হাতের মুঠোয় থাকা।

ছুটির দিনগুলোতে অ্যাপটি আপনাকে জানিয়ে দেবে ভ্রমণের বিস্তারিত আরো তথ্য। মিলবে নানা ধরনের স্থান ঘুরতে যাওয়ার নিত্যনতুন তথ্য এই মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনে। অ্যাপ্লিকেশনটির ডাউনলোড করা যাবে  এই ঠিকানা থেকে।

ফোনের মূল্য যত কমতে থাকে তাদের ডিজাইনও তত খারাপ হতে থাকে। বাজারে থাকা অধিকাংশ স্মার্টফোনের বেলায় কথাটা সত্য হলেও ওবিআই ওয়ার্ল্ডফোন এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা জন স্কালি এবং অ্যামুনেশন ডিজাইনের প্রতিষ্ঠাতা রবার্ট ব্রানার বলছেন ভিন্ন কথা।

 সম্প্রতি ওবিআই ওয়ার্ল্ডফোন উন্মুক্ত করতে যাচ্ছে তাদের নতুন ডিজাইনের দুটি মিড-লেভেল স্মার্টফোন, এসএফ১ এবং এসজে১.৫। দুটি ফোনের মুল্যই ২০০ ডলারের মধ্যে।

আর চমৎকার এই নতুন ডিজাইনের ফোন দুটির প্রধান ক্রেতা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে এশিয়া, আফ্রিকা এবং মধ্যপ্রাচ্যের দশ থেকে পঁচিশ বছর বয়সী তরুণদেরকে।

চমৎকার ডিজাইনের সাথে এ ফোন দুটিতে থাকছে শক্তিশালী হার্ডওয়্যার এবং চমকপ্রদ অনেক ফিচার (কোয়ালকম এবং মিডিয়াটেক প্রসেসর, সনি ক্যামেরা, কর্নিং গোরিলা গ্লাস এবং ডলবি সাউন্ড)।

কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি ফোনের যে ফিচারের উপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে তা হল ফোনের ডিজাইন এবং অ্যান্ড্রয়েডের মডিফাইড ভার্শন।


সম্প্রতি গুগল ঘোষণা করল আগামী সপ্তাহ থেকেই শুরু হবে অ্যান্ড্রয়েডের মার্শম্যালো আপডেট অথবা অ্যান্ড্রয়েড ৬.০। সর্বশেষ ঘোষণার পরে আর কোন নতুন ফিচার যুক্ত করা হয়নি গুগলের এই জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেমটিতে।

নিয়ম অনুযায়ী প্রথমেই গুগলের নেক্সাস ডিভাইসগুলো অ্যান্ড্রয়েড মার্শম্যালো আপডেট পাবে। তবে নেক্সাস ৪, নেক্সাস ৭(২০১২) এবং নেক্সাস ১০ এ ক্ষেত্রে মার্শম্যালো আপডেট পাচ্ছে না। তবে এবারের নতুন এই আপডেটের সাথে গুগল অসংখ্য নতুন সব ফিচার যুক্ত করেছে। এর মধ্যে গুগলের ভয়েজ অ্যাসিস্ট্যান্ট গুগল নাও কে আরও বেশি রেস্পন্সিভ করে তৈরি করা হয়েছে। এতে করে এখন সাধারণ ভাবে করা প্রশ্নও বুঝতে পারবে গুগলের ভয়েজ অ্যাসিস্ট্যান্ট। এছাড়াও থার্ড পার্টি অ্যাপ ডেভেলপাররাও এর সুবিধা নিতে পারবে।

অন্যান্য ফিচারের মধ্যে রয়েছে গ্রানুলার পারমিশন সিস্টেম, নেটিভ ফিঙ্গারপ্রিন্ট সাপোর্ট, ব্যাটারি লাইফ বাড়ানোর জন্য ডোজ নামের নতুন ফিচার ইত্যাদি।

জিএসএম এরেনা অবলম্বনে

ডেস্কটপে ফেসবুকের অটোপ্লে বন্ধ করতে হলে ফেসবুকের সেটিংস থেকে ভিডিও অপশনে যাবেন। এখানে দুটি অপশন পাবেন। দ্বিতীয়টি ভিডিও অটোপ্লে অপশন। এটি ডিফল্ট থাকে। এটি অফ বা অন করতে পারবেন।

অ্যান্ড্রয়েডে তিন লাইন বা হামবার্গার চিহ্নিত সেটিংস মেনুতে যান। সেখানে অ্যাপ সেটিংসে গিয়ে ভিডিও অটো প্লে বন্ধ করে দিতে পারেন।



আইফোনে হ্যামবার্গার বা মোর বাটন থেকে স্ক্রল করে অ্যাকাউন্ট সেটিংসে যান। এখান থেকে ভিডিও অ্যান্ড ফটোজে সিলেক্ট করে এটি বন্ধ করে দিতে পারেন।

আইপ্যাডে মেনু থেকে সেটিংসে গিয়ে ভিডিওতে যান এবং সেখান থেকে অটোপ্লে বন্ধ করার অপশন পাবেন।

বেশ কিছু অর্থ খরচ করে শখের জিনিসটি কিনতে গেলে নানা দোটানায় পড়তে হয়। এটা ভালো হবে তো, নাকি ওটা? এমন আরো অনেক প্রশ্ন। এ যুগে অতিপ্রিয় মোবাইল ফোনসেট কেনার সময় তো চিন্তার শেষ নেই। তাই আপনাদের মস্তিষ্কের চাপ কিছুটা কমিয়ে দিতে মোবাইল ফোনসেট কেনার ১৯টি টিপস দেওয়া হলো।

১. ডিজাইন নিয়ে একটু চিন্তা করুন

স্মার্ট ফোনের ক্ষেত্রে ডিজাইনটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এ বিষয়ে কারো কাছ থেকে পরামর্শ নেওয়ার কিছু নেই। এটা একান্ত নিজের রুচির ব্যাপার। বাজারের সব স্মার্ট ফোনের নজরকাড়া ডিজাইন রয়েছে। আবার বিভিন্ন কেস রয়েছে ফোনটিকে আরো আকর্ষণীয় করার জন্য। কাজেই নিজের ব্যক্তিগত চাহিদা এবং রুচি অনুযায়ী ডিজাইন পছন্দ করাই ভালো।

২. ওজন এবং অনুভূতি

মোবাইল ফোনসেটের এ বৈশিষ্ট্য নিয়ে কেউ তেমন মাথা ঘামায় না। অনেক ফোন আছে যা পকেটে থাকলে আপনি বুঝতেই পারবেন না যে কিছু একটা রয়েছে। মোবাইল ফোনসেট যত বড় হয় সাধারণত এর ওজনও তত বেশি হয়। তবে এসব দেখার আগে খেয়াল করবেন ফোনসেটে ব্যাটারি লাগানো রয়েছে কি না। কারণ ব্যাটারির ওজনটিও বেশ হয়।

৩. পর্দার আকারটিই সবকিছু নয়

স্ক্রিনের আকারটি সবাই দেখেন নতুন মোবাইল কেনার সময়। এখন বড় স্ক্রিনের মোবাইল বেশি জনপ্রিয়। তবে সহজে বহন করতে চাইলে ছোট পর্দার মোবাইল নেওয়া উচিত। চার ইঞ্চি বা সাড়ে চার ইঞ্চি বা পাঁচ ইঞ্চি পর্দার মোবাইল ফোনেরও বেশ চাহিদা রয়েছে।

৪. ডিসপ্লের গুণগত মান

পর্দার গুণগত মান অনেক প্রয়োজনীয় বিষয়। সবচেয়ে ভালো মানের ডিসপ্লে ১০৮০পি (১৯২০ x ১০৮০ পিক্সেলস)। তবে এই ডিসপ্লেযুক্ত ফোনের দামটিও বেশ চড়া হবে। খেয়াল করে দেখতে হবে ভিন্ন ভিন্ন কোণ থেকে দেখলে ছবি পরিষ্কার দেখা যায় কি না। সাধারণ মানের মোবাইলের ডিসপ্লে ৭২০পি-এর কম হয়ে থাকে।

৫. অপারেটিং সিস্টেম

মৌলিক কয়েকটি অপারেটিং সিস্টেম রয়েছে। অ্যান্ড্রয়েড এখনকার সবচেয়ে জনপ্রিয় সিস্টেম। এদিকে আইফোনের রয়েছে আইওএস যার সাম্প্রতিকতম সংস্করণ হলো আইওএস ৭। আবার উইন্ডোজ অপারেটিংয়ের ভক্তের সংখ্যাও নেহায়েতই কম নয়। পছন্দেরটি বেছে নিন। কারণ অপারেটিং সিস্টেমের ওপর ভিত্তি করেই গোটা ফোনের সব কার্যক্রম নির্ধারিত হয়।

৬. থ্রি-জি নাকি ফোর-জি

আমাদের দেশে সবেমাত্র থ্রি-জি কানেকশন চালু হয়েছে। ডাটা কানেকশনের গতি নির্ভর করে এর ওপর। আরো দ্রুত কানেকশন দেয় ফোর-জি। এ যুগের স্মার্ট ফোনের জন্য থ্রি-জি কানেকশন নিতে পারে এমন মোবাইল বেশি ভালো।

৭. ব্যাটারির শক্তি

ব্যাটারির শক্তি নির্ধারিত হয় মোবাইল ফোনটি কেমন তার ওপর ভিত্তি করে। তবে বড় মাপের স্ক্রিনের মোবাইল বেশি ব্যাটারি শক্তি ক্ষয় করে। তাই শক্তিশালী ব্যাটারি প্রয়োজন হবে মোবাইলটি অনেক সময় ধরে চালু রাখার জন্য। এখন ৩০০০ এমএএইচ সবচেয়ে বেশি শক্তির ব্যাটারি হিসেবে বাজারে চালু রয়েছে।

৮. সফটওয়্যার আপডেট রাখা

ফোনের সফটওয়্যার প্রতিনিয়ত আপডেট হচ্ছে। আপনিও যদি নিজের ফোনের সফটওয়্যারগুলো আপডেট রাখেন তাহলে যন্ত্রটি সুন্দরমতো কাজ করবে। নয়তো নানা ভেজাল করবে যেকোনো কাজ করতে। নতুন কোনো অ্যাপস সাপোর্ট করবে না এবং ফোনটি ধীরগতির হয়ে যাবে।

৯. ২ জিবি র‌্যাম নেওয়ার চেষ্টা করুন

ফোনের কার্যক্রমে দ্রুততা দেবে র‌্যাম। ফোন কিনতে বেশ কিছু অর্থ ব্যয় করলে এক জিবি র‌্যামই যথেষ্ট। তবে অল্প কিছু অর্থযোগে বা পছন্দ পরিবর্তনে ২ জিবির ব্যবস্থা করা গেলে অনেক ভালো। আধুনিক মোবাইলগুলো ৩ জিবি পর্যন্ত র‌্যাম নিয়ে বাজারে আসছে।

১০. ক্যামেরা রেজ্যুলেশন অতি দরকারি নয়

ক্যামেরা রেজ্যুলেশনটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর মধ্যে একটিও নয়। কারণ ভালো মানের ছবি তোলার কাজ ক্যামেরার, মোবাইল ফোনের নয়। বেশি রেজ্যুলেশনের মোবাইল ক্যামেরার ছবি কিছুটা ভালো আসে। কিন্তু তা ক্যামেরার মতো নয়। তাই অন্য বিষয় বাদ দিয়ে ফোনে ক্যামেরা রেজ্যুলেন বেশি খোঁজাটা বোকামি।

১১. শক্তপোক্ত ফোন

স্মার্ট ফোনের জন্য তা কতটা শক্তপোক্ত তা জরুরি বিষয়। তা ছাড়া পর্দাতে সহজে দাগ যেন না পড়ে সে জন্য স্ক্র্যাচ রেজিস্ট্যান্ট গ্লাস রয়েছে অনেক ফোনে। হাত থেকে পড়ে গেলেই ভেঙে বা ফেটে যাবে না, অন্তত তেমন তো হতে হবে ফোনটিকে।

১২. ব্লু টুথ বেশ জরুরি

যাই কিনুন, দেখে নিন ব্লু টুথ রয়েছে কি না। এটি একটি দারুণ জিনিস। ব্লু টুথ ছাড়া অন্য কোনো মোবাইলের সঙ্গে আপনি কিছুই লেনদেন করতে পারবেন না। এখনকার দামি সব ফোনেই ব্লু টুথ রয়েছে। তবে কমদামি মোবাইল কিনতে গেলে একটু দেখে নিন তা রয়েছে কি না।

১৩. এনএফএস থাকলে ভালো

এনএফএস বা নেয়ার ফিল্ড কমিউনিকেশন বেশ প্রয়োজনীয় বিষয়। অন্য কোনো স্মার্ট ফোন বা ট্যাবের মধ্যে ডাটা আদান-প্রদানের জন্য এনএফএস দরকার হয়। এ ছাড়া আপনার কেনাকাটার জন্য কোনো ডিজিটাল ওয়ালেট অথবা দাম পরিশোধের সাপোর্টেড প্রসেসর থাকলে তার ব্যবহার এনএফএস-যুক্ত মোবাইল সহজ করে দেবে। অ্যাপলের নিজস্ব এনএফএস প্রযুক্তি রয়েছে, যার নাম এয়ারড্রপ।

১৪. ঝামেলাবিহীন চার্জের জন্য ওয়্যারলেস চার্জিং

তার ছাড়া চার্জ দেওয়ার ব্যবস্থা অবশ্য খুব প্রয়োজনীয় কিছু নয়। তবে যেখানে সেখানে প্লাগ পয়েন্ট না থাকার সমস্যায় ওয়্যারলেস চার্জিং সিস্টেম বেশ মজার বিষয়।

১৫. পপুলার রিভিউ ও রেটিং সাইট ব্যবহার করুন

ইন্টারনেট থাকলে নানা সাইটে ঢুঁ মারতেই হয়। তবে ম্যালওয়্যারের আক্রমণ থেকে বাঁচতে পপুলার রিভিউ ও রেটিং সাইটে ঘোরাফেরা করবেন। নইলে বিপদ।

১৬. অ্যাক্সেসরিজ

অ্যাক্সেসরিজ সব মোবাইলের সঙ্গেই দেওয়া হয়। তবে অ্যাক্সেসরিজ দেখে ফোন পছন্দ করার দরকার নেই। স্মার্ট অ্যাক্সেসরিজ বেশ আকর্ষণীয় দেখায়। ভালো মানের ফোনের অ্যাক্সেসরিজও বেশ ভালো হয়।

১৭. দাম

এটা আসল বিষয়। এমনিতেই মোবাইল ফোনসেটের দাম যত বেশি হবে, তার সবকিছুই তত ভালো হবে। তবে মোবাইল ফোনসেট কেনার আগে একই মডেলের অন্য কোনো সংস্করণ খুব শিগগিরই বাজারে আসলে তা থেকে কোনো সুবিধে পান কি না ভেবে নিতে হবে।
 

১৮. কন্ট্রাক্ট ফোন নেওয়ার জন্য


ইউরোপ-আমেরিকাতে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিভিন্ন শর্তের ভিত্তিতে মোবাইল ফোনসেট কেনার ব্যবস্থা রয়েছে। আমাদের দেশেও অপারেটর প্রতিষ্ঠানগুলো এমন অফার দিয়ে থাকে। সে ক্ষেত্রে কোন প্রতিষ্ঠান সবচেয়ে বেশি সুবিধা দিচ্ছে এবং মোবাইলগুলোর মডেলের সঙ্গে দাম ও সুবিধাগুলোর তুলনা করে নিজের পছন্দ অনুযায়ী নেবেন।
 

১৯. অ্যাপ্লিকেশন


মোবাইল ফোনসেটেরর অ্যাপস প্রতিনিয়ত এত বেশি বানানো হচ্ছে যে, পছন্দ করতে গেলে আপনার মাথা খারাপ হওয়ার জোগাড় হবে। ইচ্ছামতো অ্যাপস ডাউন লোড করে ব্যবহার করুন। শুধু একটি বিষয় নজরে রাখবেন। মোবাইল ফোনসেটটি যেসব অ্যাপস সাপোর্ট করে তাই ব্যবহার করুন। আর যেসব অ্যাপস আপনার মোবাইলের জন্য নয় তা অবশ্যই কাজে লাগানোর চেষ্টা করবেন না। তা ছাড়া মোবাইল ফোনসেট অনুযায়ী আলাদাভাবে অ্যাপসের কালেকশন ইন্টারনেটে দেওয়া থাকে। সেখান থেকেই ফোনটির জন্য অ্যাপস বাছাউ করে নেওয়া উচিত।

আন্তর্জাতিক স্মার্টফোন বাজারে অ্যান্ড্রয়েডের জনপ্রিয়তা দিন দিন বেড়েই চলছে। বর্তমানে প্রায় ৭৯ শতাংশ বাজার দখল করে আছে অ্যান্ড্রয়েড। মূল ইন্টারফেসসহ অপারেটিং সিস্টেমের বিভিন্ন অংশ ব্যবহারকারী তার পছন্দ অনুযায়ী পরিবর্তন করতে পারে। পছন্দের ওয়ালপেপার বেছে নেওয়া, কন্টাক্ট লিস্টের ফোন নম্বরের সঙ্গে ছবি সংযোজন বা প্রয়োজনীয় অ্যাপলিকেশনগুলোর শর্টকাট প্রথম পাতায় নিয়ে আসার মতো বৈশিষ্ট্যগুলো নতুন ব্যবহারকারীদের আকৃষ্ট করছে। অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনের লুকানো কিছু টিপস রয়েছে,যেগুলো অনেক কাজ সহজে করে দেবে।
  • অফলাইন গুগল ম্যাপ


অ্যান্ড্রয়েডের সঙ্গে গুগল ম্যাপস অ্যাপটি ইনস্টল করাই থাকে। এর মাধ্যমে ইন্টারনেট থেকে সরাসরি মানচিত্র দেখা যায়। তবে ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াও মানচিত্র দেখতে চাইলে আগে থেকেই নামিয়ে রাখতে পারেন। ফলে পরবর্তী সময়ে ওই নির্দিষ্ট এলাকার মানচিত্র দেখার সময় নতুন করে আর ম্যাপস নামবে না এবং ইন্টারনেট সংযোগ নেই, এমন জায়গা থেকেও ব্যবহার করা যাবে মানচিত্র।

গুগল ম্যাপস অ্যাপের পুরোনো সংস্করণে Make this map area available offline নামের অপশন পাওয়া যাবে। ম্যাপস অ্যাপের নতুন সংস্করণে এই অপশনটি মূল মেন্যু থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এখন যে অংশের মানচিত্র অফলাইন হিসেবে নামিয়ে রাখা প্রয়োজন, সেই অংশপর্যন্ত জুম (বড় করে দেখা) করে সার্চ বক্সে ‘OK Maps’ লিখলে ম্যাপের ওই ওই অংশটি অফলাইন হিসেবে সংরক্ষিত হবে।


  • দরকার যখন তখন শুধু থ্রিজি


বর্তমানে প্রায় সব মোবাইল ফোন সেবাদাতা থ্রিজি নেটওয়ার্ক সুবিধা চালু করছে। প্রাথমিকভাবে এই সুবিধাটি নির্দিষ্ট এলাকাভিত্তিক দেওয়া হচ্ছে। ফলে ওই নির্দিষ্ট এলাকার বাইরে থ্রিজি সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে না, কিন্তু তার পরও যদি সব সময় থ্রিজি অপশন চালু থাকে, তবে এটি থ্রিজি সংযোগ খুঁজবে, দ্রুত মোবাইলের চার্জ শেষ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সাধারণভাবে মোবাইল নেটওয়ার্ক সেটিংস থেকে শুধু জিএসএম সার্ভিস চালু রাখতে হবে এবং কেবল নির্দিষ্ট সময়ের জন্যই থ্রিজি চালু রাখা উচিত।


  • লকস্ক্রিনে ব্যবহারকারীর তথ্য


সাধারণ নিরাপত্তার জন্য অ্যান্ড্রয়েডে লকস্ক্রিনে অপশনটি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। ব্যক্তিগত পরিচিতি নম্বর (পিন), নিরাপত্তাসংকেত, বিশেষ প্যাটার্নের মাধ্যমে এই লক ব্যবহার করা যায়। তবে ফোনটি যদি কোথাও হারিয়ে ফেলেন এবং যিনি এটি পেয়েছেন, তিনি ওই ব্যবহারকারীকে ফেরত দিতে চাইলেও তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করার কোনো নম্বর দেখতে পারবেন না, কারণ ফোনটি লক করা আছে। অ্যান্ড্রয়েডের ৪.১ এবং এর পরবর্তী সংস্করণগুলোতে লকস্ক্রিনে ব্যবহারকারীর তথ্য লিখে রাখার সুবিধা যোগ করা হয়েছে। Security> Screen security থেকে Owner info সক্রিয় করা যাবে।


  • অভিধানে শব্দ যোগ


নিয়মিত ই-মেইল, এসএমএস লেখার সময় অনেক ক্ষেত্রেই এমন অনেক শব্দ লিখতে হয়, ফোনে থাকা অভিধানে নেই। আবার হয়তো অনেক মানুষের নাম লিখতে হচ্ছে, যেগুলো অভিধানে থাকার সম্ভাবনা নেই। কিন্তু প্রয়োজন হলে এই শব্দগুলো অভিধানে যুক্ত করে দেওয়া যেতে পারে। অভিধানে নেই এমন শব্দগুলোর ওপর দীর্ঘক্ষণ ক্লিক করে রাখলে সেটি অভিধানে যোগ করার অপশন দেখাবে এবং পরবর্তী সময় থেকে ওই শব্দ লেখার সময় অভিধান থেকেই পরামর্শ দেওয়া হবে।


  • কত ডেটা ব্যবহার করা হলো?


মোবাইলে সবাই যে অসীম ইন্টারনেট ব্যবহারের (আনলিমিটেড) প্যাকেজ নেন, এমন নয়। নির্দিষ্ট একটি প্যাকেজ ব্যবহার শুরু করার পর হঠাৎ যদি সেটি শেষ হয়ে যায়, তবে ব্যবহারকারীর জন্য অসুবিধার কারণ হয় দাঁড়ায়। তবে মোবাইলে কী পরিমাণ ডেটা ব্যবহার করা হচ্ছে, সেটি পর্যবেক্ষণ করা এবং নির্দিষ্ট একটি সীমানা অতিক্রম করার পর ব্যবহারকারীকে সতর্কবার্তা দেখানোর অপশন রয়েছে। Settings>My Network>Data usage পাতা থেকে ডেটা ব্যবহার ও মনিটর করা যায় এবং সতর্কবার্তা দেখানোর বিষয়টিও এখানে নির্ধারণ করা যায়। অ্যান্ড্রয়েডের পুরোনো সংস্করণগুলোতে এই অপশনটি নাও থাকতে পারে, সে ক্ষেত্রে গুগল প্লে থেকে ডেটা মনিটর অ্যাপ নামিয়ে নেওয়া যেতে পারে।


  • ফেবারিট কন্টাক্ট


নিয়মিত কাজে লাগে, এমন কন্টাক্টগুলো ফেবারিট হিসেবে সংরক্ষণ করার সুবিধা রয়েছে। ফেবারিট কন্টাক্টগুলো আলাদা একটা গ্রুপ হিসেবে সংরক্ষিত থাকে। প্রয়োজন অনুযায়ী এই কন্টাক্টগুলো হোম স্ক্রিনে দেখানোর সুবিধাও রয়েছে।


  • ক্যামেরা অ্যাপ থেকে কুইক রিভিউ


মোবাইলের ক্যামেরা সেটিংস থেকে কুইক রিভিউ অপশন বন্ধ থাকলেও খুব সহজেই ক্যামেরা অ্যাপ চালু করার পর আগের তোলা ছবিগুলো দেখা যায়। ক্যামেরা অ্যাপ স্ক্রিনের ওপরের বা নিচের কোণে এই প্রিভিউ অপশন থাকে। প্রথমবার ক্লিক করা হলে সর্বশেষ ছবিটি দেখা যাবে এবং এরপর ডানে গেলেআগের ছবিগুলো দেখতে পাওয়া যাবে। একই সঙ্গে একাধিক ছবি দেখার অপশনও রয়েছে এই প্রিভিউ পাতায়।


  • স্ক্রিনশট নেওয়া


অ্যান্ড্রয়েড জেলিবিন এবং পরবর্তী সংস্করণগুলোতে স্ক্রিনশট নেওয়ার সুবিধা আছে। এ জন্য স্ক্রিনলক বাটন এবং ভলিউম ডাউন বাটন একসঙ্গে চাপে ধরে রাখতে হবে, যতক্ষণ পর্যন্ত কোনো স্ক্রিনে কোনো শাটার ক্লিক দেখা যায়। স্ক্রিনশট নেওয়ার পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে এটি গ্যালারির একটি ফোল্ডারে সংরক্ষিত হতে থাকবে।


  • তথ্য সংরক্ষণ


বর্তমানে অ্যান্ড্র্রয়েড ফোনগুলোতে তথ্য রাখার অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থা (ইন্টারনাল স্টোরেজ) থাকে। একই সঙ্গে আলাদা মেমোরি কার্ড ব্যবহারেরও সুবিধা রয়েছে। তাই তথ্য আদান-প্রদানের জন্য এটি পেনড্রাইভের বিকল্প হিসেবেও ব্যবহার করা যেতে পারে।


  • দ্রুত মেসেজ পাঠানো


অ্যান্ড্রয়েড ৪.০ এবং পরবর্তী সংস্করণগুলোতে যখন কোনো কল আসে, তখন ফোন রিসিভ করার অপশনের সঙ্গে এসএমএস পাঠানোর একটি অপশনও দেখানো হয়। এখানে আগে থেকেই লিখে রাখা কিছু বার্তা পাঠানো যায়। হয়তো ব্যবহারকারী সভায় আছেন এবং ওই সময়ে তার ওই ফোন কল ধরা সম্ভব নয়। এমন সময়ে এই বার্তাগুলো ব্যবহার করে দ্রুত জানিয়ে দেওয়া যায়। এই বার্তায় কী লেখা থাকবে, সেটি নির্ধারণ করা যাবে Phone>Settings>Quick Responses অথবা Settings>Call settings>Reject call with message মেন্যু থেকে।


রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্কে অবস্থিত ‌‘ব্লকবাস্টার সিনেমা’র তথ্য নিয়ে চালু হয়েছে ‘ব্লকবাস্টার সিনেমা’ নামের অ্যাপ।
এ অ্যাপের সাহায্যে সিনেমা হলের টিকিট বুকিং, অনলাইনে টাকা পরিশোধ, সিনেমার সময় জানা ইত্যাদি করা যাবে। আকারে ছোট অ্যাপটির ব্যবহারও সহজ।

বিনা মূল্যে অ্যাপটি পাওয়ার ঠিকানা: http://bit.ly/1Rvyt34