Showing posts with label Facebook. Show all posts
Showing posts with label Facebook. Show all posts


2015-08-20-fitz-b

সম্প্রতি প্রযুক্তি ওয়েবসাইট টেকক্রাঞ্চের দেওয়া এক তথ্য মতে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের মাঝে নতুন একটি সুবিধা পরীক্ষা নিরীক্ষা করে দেখছে। ফেসবুকের নতুন এ সুবিধার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা এখন ইচ্ছে করলে নির্দিষ্ট কিছু সময়ের জন্য তাদের প্রোফাইল পিকচার পরিবর্তন করে নিতে পারবেন। আর সময় ফুরিয়ে গেল স্বয়ংক্রিয় ভাবে আবার আসল প্রোফাইল পিকচারে ফিরে আসবে।

এ বিষয়ে ফেসবুক টেকক্রাঞ্চকে বলে, ‘অনেক সময় ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন কারণ অথবা ইস্যুকে সমর্থন/অসমর্থন করা জন্য, খেলাধুলা চলার সময় বিভিন্ন টিমকে সাপোর্ট করার জন্য অথবা কারো জন্মদিন/বিবাহ বার্ষিকী উপলক্ষে তাদের প্রোফাইল পিকচার পরিবর্তন করে। তাই আমরা এই আইডিয়াটাকে কাজে লাগিয়ে একটা নতুন ফিচার তৈরি করেছি।’

এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা চাইলে তাদের প্রোফাইল পিকচারটিকে নির্দিষ্ট করে ঘণ্টা, দিন অথবা সপ্তাহের জন্য ঠিক করে দিতে পারবেন। ফেসবুকের রিপোর্ট অনুযায়ী আগামী মাস থেকেই প্রত্যেকের অ্যাকাউন্টের সাথে নতুন এই ফিচারটি যুক্ত করা শুরু হবে।


ফেইসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক হলেও যেন আপনার ছবি, ভিডিও, নোট ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ন তথ্য যেন হারিয়ে না যায় সে জন্য ফেইসবুকে রয়েছে ব্যাকআপ রাখার ব্যবস্থা।ফেসবুকের ব্যাকআপ রাখার জন্য প্রথমে ওপরে ডান পাশের Account থেকে Account Settings-এ ক্লিক করুন। এখন সবার নিচে Download a copy-এ ক্লিক করুন। নতুন পেজ এলে Start My Archive-এ ক্লিক করুন।

এখন আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টের একটি ব্যাকআপ প্রোফাইল তৈরি হতে থাকবে। ব্যাকআপ প্রোফাইল তৈরি হয়ে গেলে আপনার ই-মেইল ঠিকানায় একটি মেইল যাবে। তারপর আবার Account থেকে Account Settings-এ ক্লিক করে Download a copy-এ ক্লিক করে আপনার ফেসবুকের ব্যাকআপ প্রোফাইলটি ডাউনলোড করতে পারবেন।


  • ফেইসবুক অ্যাকাউন্ট নিরাপত্তায় করণীয়


ডাউনলোড হওয়ার পর জিপ ফাইলটি আনজিপ করুন। এখন index ফাইলটি ওপেন করলে আপনি আপনার ফেসবুকের পুরো প্রোফাইল (ছবি, ওয়াল, মেসেজ, ফ্রেন্ড) দেখতে পারবেন। ফলে অ্যাকাউন্ট হ্যাক হলেও আপনার তথ্যগুলো হারিয়ে যাবে না।
  • ব্যক্তিগত গোপনীয়তা:

কেউ যদি ফেসবুকে আপনাকে বিরক্ত করে, যেমন—বারবার বার্তা পাঠায়, বারবার Add Request পাঠায়, তাহলে আপনি তাকে ব্লক করে দিতে পারেন। ব্লক করে দিলে সে আর আপনাকে খুঁজে পাবে না। কাউকে ব্লক করতে হলে প্রথমে ওপরে ডান পাশে Account থেকে Privacy Settings-এ ক্লিক করুন। এখন একেবারে নিচে Block Lists-এর নিচে Edit your list-এ ক্লিক করুন। নতুন পেজ এলে Name অথবা Email বক্সে কারও নাম বা ই-মেইল আইডি লিখে Block-এ ক্লিক করে তাকে ব্লক করে দিতে পারেন। অথবা কারও প্রোফাইলের নিচের দিকে বাঁ পাশে Block-এ ক্লিক করেও কাউকে ব্লক করে দিতে পারেন।
  • কতটা দৃশ্যমান হবেন:

আপনাকে আপনার বন্ধুরা ছাড়া অন্য কেউ খুঁজে (সার্চ) পাবে না। এমনকি আপনার ই-মেইল ঠিকানা দিয়ে খুঁজলেও না। এমন ব্যবস্থা করতে চাইলে Account থেকে Privacy Settings-এ ক্লিক করুন। এখন ওপরে View settings-এ ক্লিক করুন। নতুন পেজ এলে Search for you on Facebook-এর ডান পাশের Everyone বাটনে ক্লিক করে Only Friends নির্বাচন করে দিন। তাহলে আপনাকে আপনার বন্ধুরা ব্যতীত অন্য কেউ খুঁজে পাবে না। এখন Send you friend requests-এর ডান পাশের Everyone বাটনে ক্লিক করে নির্বাচন করে দিন, তখন যে কেউ আপনাকে friend requests পাঠাতে পারবে।

Send you messages-এর ডান পাশের Everyone বাটনে ক্লিক করে নির্বাচন করে দিন, যে কেউ আপনাকে মেসেজ পাঠাতে পারবে।
See your friendlist-এর ডান পাশের Everyone বাটনে ক্লিক করে নির্বাচন করে দিন, তাহলে সবাই আপনার ফ্রেন্ডলিস্ট দেখতে পারবে। এভাবে বাকি সেটিংসগুলোও নিজের মতো করে তৈরি করে নিতে পারেন।
  • হেল্প সেন্টার :

ফেসবুক কিছুদিন পর পর তার সেটিংস পরিবর্তন করে। তা ছাড়া ফেসবুক কিছুদিন পর পরই নতুন নতুন অপশনও যোগ করে। কোনো একটা অপশন কোথায় আছে, তা ভুলে গেলে বা জানা না থাকলে ফেসবুক হেল্প সেন্টারের সাহায্য নেওয়া যায়। যেমন—আপনি যদি ভুল করে কোনো বন্ধুকে হাইড করে ফেলেন, তাহলে তাঁকে আবার আন-হাইড করবেন কীভাবে বা কোনো বন্ধুকে হাইড করবেন কীভাবে? এর উত্তর যদি জানা না থাকে, তাহলে এ জন্য প্রথমে ওপরে ডান পাশে Account থেকে Help Center-এ ক্লিক করুন। নতুন পেজ এলে How i unhide a friend? লিখে সার্চ করুন। রেজাল্ট এলে Expand All-এ ক্লিক করুন। আপনার সমাধান পেয়ে যাবেন।
  • সিকিউরিটিঃ

  • সিকিউরিটি কোয়েশ্চেনঃ

ডান পাশের Account থেকে Account Settings-এ ক্লিক করুন। এখন বাঁ পাশ থেকে security-তে ক্লিক করুন। দেখবেন শুরুতেই আছে সিকিউরিটি কোয়েশ্চেন। এখানে একটি প্রশ্ন সিলেক্ট করে তার উত্তর সেভ করে রাখুন, পরবর্তীতে পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে বা কেউ পরিবর্তন করে দিলে এর মাধ্যমে লগইন করতে পারবেন।
  • মোবাইল নম্বর যোগ করা:

ফেসবুকে মোবাইল ফোন নম্বর যোগ করলে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট যদি কখনো চুরি হয়ে যায়, তাহলে মোবাইল নম্বর দিয়ে তা উদ্ধার করতে পারবেন। আবার আপনি ইচ্ছা করলে ফেসবুকের খবর বা নোটিফিকেশনসগুলোও মোবাইল ফোনে পেতে পারেন বিনা মূল্যে। এ জন্য প্রথমে ওপরে ডান পাশের Account থেকে Account Settings-এ গিয়ে বাঁ পাশ থেকে Mobile-এ ক্লিক করুন। এখন Add a Phone লিংকে ক্লিক করুন। নতুন উইন্ডো এলে Mobile Carrier : এ বাংলালিংক, সিটিসেল, গ্রামীণফোন, এয়ারটেল বা রবি নির্বাচন করে Next-এ ক্লিক করুন। আপনার মোবাইল নম্বরটি আপনার ফেসবুক প্রোফাইলে যোগ করতে না চাইলে Add this phone number to my profile বক্স থেকে টিক চিহ্নটি তুলে দিন। আপনার মোবাইল থেকে F লিখে 32665-এ মেসেজ দিন। ফিরতি মেসেজে আপনার কাছে একটি কোড নম্বর আসবে, সেটি কোড বক্সে লিখে Next-এ ক্লিক করুন।
  • অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা:

আপনার ফেসবুকের ই-মেইল ঠিকানা, পাসওয়ার্ড যদি সবাই জেনে যায়, তাহলেও কেউ আপনার অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে পারবে না। এ জন্য প্রথমে ফেসবুকে লগইন করে ওপরে ডান পাশের Account থেকে Account Settings-এ ক্লিক করুন। এখন বাঁ পাশ থেকে security-তে ক্লিক করুন। নতুন পেজ এলে Login Notifications-এর ডান পাশে Edit-এ ক্লিক করুন। Email-এর পাশের বক্সে টিক চিহ্ন দিয়ে Save Changes-এ ক্লিক করুন। এখন Login Approvals-এর ডান পাশে Edit-এ ক্লিক করে Require me to enter a security code sent to my phone বক্সে টিক চিহ্ন দেওয়ার সময় নতুন বার্তা

এলে Set Up Now-এ ক্লিক করুন। এখন Phone number : বক্সে আপনার মোবাইল নম্বর লিখে Continue-তে ক্লিক করুন। আপনার মোবাইলে একটি কোড নম্বর আসবে। কোড নম্বরটি কোড বক্সে লিখে Continue-তে ক্লিক করুন। তারপর Save Changes-এ ক্লিক করুন। এখন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট লগআউট করে পুনরায় ফেসবুকে লগইন করুন। দেখবেন, Name New Computer নামের একটি পেজ এসেছে। সেখানে Computer name বক্সে কোনো নাম লিখে Add to your list of recognized devices বক্সে টিক চিহ্ন দিয়ে Continue-তে ক্লিক করুন।
এখন থেকে প্রতিবার আপনার কম্পিউটার ব্যতীত অন্য কারও কম্পিউটার থেকে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে লগইন করতে চাইলে আপনার মোবাইলে একটি কোড নম্বর আসবে এবং সেই কোড নম্বরটি কোড বক্সে লিখে Continue-তে ক্লিক করলেই কেবল আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করা যাবে। কাজেই আপনার ফেসবুকের পাসওয়ার্ড সবাই জানলেও কেউ আপনার ফেসবুকে লগইন করতে পারবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত না আপনার মোবাইলে আসা কোড নম্বরটি কোড বক্সে প্রবেশ করানো হবে। আপনার ই-মেইলে একটি মেইল যাবে, যেটাতে লেখা থাকবে কে, কখন, কী নাম দিয়ে, কোন আইপি ঠিকানা থেকে আপনার ফেসবুকে প্রবেশ করেছিল।

  • ই-মেইল ঠিকানা বদলানো:

ফেসবুকে ই-মেইল ঠিকানা বদলের জন্য Account Settings-এ যেতে হবে। এখন Email-এর ডান পাশের Edit-এ ক্লিক করুন। এখন Add another email-এ ক্লিক করুন। New Email : বক্সে নতুন ই-মেইল ঠিকানা লিখে Save Changes-এ ক্লিক করুন। তখন ফেসবুক পাসওয়ার্ড চাইলে পাসওয়ার্ড লিখে Save Changes-এ ক্লিক করুন। এখন আপনার নতুন ই-মেইল ঠিকানায় একটি মেইল যাবে। ওই মেইলে ক্লিক করলেই ফেসবুকে নতুন ই-মেইল ঠিকানাটা যোগ হবে। এখন আপনি দুটি ই-মেইল ঠিকানার যেকোনো একটি দিয়েই ফেসবুকে ঢুকতে পারবেন।
  • স্প্যাম এবং স্ক্যাম থেকে দূরে থাকুনঃ

প্রায়ই দেখবেন “see who have visited your profile”, “see who have deleted you”, “see how many poeple visited your profile” এছাড়াও আছে কিছু ভিডিও বা ছবি যাতে লেখা থাকে “the girl died after seeing this pic” ইত্যাদি, এগুলো তে ক্লিক করলে দেখবে আপনার প্রোফাইলে এসব স্প্যাম মেসেজ যুক্ত হয়ে যাচ্ছে, আপনার স্ট্যাটাস হিসেবে এসব চলে আসছে। সুতরাং এগুলো ক্লিক করা থেকে বিরত থাকুন এবং আপনার অ্যাকাউন্ট কে নিরাপদ রাখুন।

ডেস্কটপে ফেসবুকের অটোপ্লে বন্ধ করতে হলে ফেসবুকের সেটিংস থেকে ভিডিও অপশনে যাবেন। এখানে দুটি অপশন পাবেন। দ্বিতীয়টি ভিডিও অটোপ্লে অপশন। এটি ডিফল্ট থাকে। এটি অফ বা অন করতে পারবেন।

অ্যান্ড্রয়েডে তিন লাইন বা হামবার্গার চিহ্নিত সেটিংস মেনুতে যান। সেখানে অ্যাপ সেটিংসে গিয়ে ভিডিও অটো প্লে বন্ধ করে দিতে পারেন।



আইফোনে হ্যামবার্গার বা মোর বাটন থেকে স্ক্রল করে অ্যাকাউন্ট সেটিংসে যান। এখান থেকে ভিডিও অ্যান্ড ফটোজে সিলেক্ট করে এটি বন্ধ করে দিতে পারেন।

আইপ্যাডে মেনু থেকে সেটিংসে গিয়ে ভিডিওতে যান এবং সেখান থেকে অটোপ্লে বন্ধ করার অপশন পাবেন।

বেশ কিছু অর্থ খরচ করে শখের জিনিসটি কিনতে গেলে নানা দোটানায় পড়তে হয়। এটা ভালো হবে তো, নাকি ওটা? এমন আরো অনেক প্রশ্ন। এ যুগে অতিপ্রিয় মোবাইল ফোনসেট কেনার সময় তো চিন্তার শেষ নেই। তাই আপনাদের মস্তিষ্কের চাপ কিছুটা কমিয়ে দিতে মোবাইল ফোনসেট কেনার ১৯টি টিপস দেওয়া হলো।

১. ডিজাইন নিয়ে একটু চিন্তা করুন

স্মার্ট ফোনের ক্ষেত্রে ডিজাইনটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এ বিষয়ে কারো কাছ থেকে পরামর্শ নেওয়ার কিছু নেই। এটা একান্ত নিজের রুচির ব্যাপার। বাজারের সব স্মার্ট ফোনের নজরকাড়া ডিজাইন রয়েছে। আবার বিভিন্ন কেস রয়েছে ফোনটিকে আরো আকর্ষণীয় করার জন্য। কাজেই নিজের ব্যক্তিগত চাহিদা এবং রুচি অনুযায়ী ডিজাইন পছন্দ করাই ভালো।

২. ওজন এবং অনুভূতি

মোবাইল ফোনসেটের এ বৈশিষ্ট্য নিয়ে কেউ তেমন মাথা ঘামায় না। অনেক ফোন আছে যা পকেটে থাকলে আপনি বুঝতেই পারবেন না যে কিছু একটা রয়েছে। মোবাইল ফোনসেট যত বড় হয় সাধারণত এর ওজনও তত বেশি হয়। তবে এসব দেখার আগে খেয়াল করবেন ফোনসেটে ব্যাটারি লাগানো রয়েছে কি না। কারণ ব্যাটারির ওজনটিও বেশ হয়।

৩. পর্দার আকারটিই সবকিছু নয়

স্ক্রিনের আকারটি সবাই দেখেন নতুন মোবাইল কেনার সময়। এখন বড় স্ক্রিনের মোবাইল বেশি জনপ্রিয়। তবে সহজে বহন করতে চাইলে ছোট পর্দার মোবাইল নেওয়া উচিত। চার ইঞ্চি বা সাড়ে চার ইঞ্চি বা পাঁচ ইঞ্চি পর্দার মোবাইল ফোনেরও বেশ চাহিদা রয়েছে।

৪. ডিসপ্লের গুণগত মান

পর্দার গুণগত মান অনেক প্রয়োজনীয় বিষয়। সবচেয়ে ভালো মানের ডিসপ্লে ১০৮০পি (১৯২০ x ১০৮০ পিক্সেলস)। তবে এই ডিসপ্লেযুক্ত ফোনের দামটিও বেশ চড়া হবে। খেয়াল করে দেখতে হবে ভিন্ন ভিন্ন কোণ থেকে দেখলে ছবি পরিষ্কার দেখা যায় কি না। সাধারণ মানের মোবাইলের ডিসপ্লে ৭২০পি-এর কম হয়ে থাকে।

৫. অপারেটিং সিস্টেম

মৌলিক কয়েকটি অপারেটিং সিস্টেম রয়েছে। অ্যান্ড্রয়েড এখনকার সবচেয়ে জনপ্রিয় সিস্টেম। এদিকে আইফোনের রয়েছে আইওএস যার সাম্প্রতিকতম সংস্করণ হলো আইওএস ৭। আবার উইন্ডোজ অপারেটিংয়ের ভক্তের সংখ্যাও নেহায়েতই কম নয়। পছন্দেরটি বেছে নিন। কারণ অপারেটিং সিস্টেমের ওপর ভিত্তি করেই গোটা ফোনের সব কার্যক্রম নির্ধারিত হয়।

৬. থ্রি-জি নাকি ফোর-জি

আমাদের দেশে সবেমাত্র থ্রি-জি কানেকশন চালু হয়েছে। ডাটা কানেকশনের গতি নির্ভর করে এর ওপর। আরো দ্রুত কানেকশন দেয় ফোর-জি। এ যুগের স্মার্ট ফোনের জন্য থ্রি-জি কানেকশন নিতে পারে এমন মোবাইল বেশি ভালো।

৭. ব্যাটারির শক্তি

ব্যাটারির শক্তি নির্ধারিত হয় মোবাইল ফোনটি কেমন তার ওপর ভিত্তি করে। তবে বড় মাপের স্ক্রিনের মোবাইল বেশি ব্যাটারি শক্তি ক্ষয় করে। তাই শক্তিশালী ব্যাটারি প্রয়োজন হবে মোবাইলটি অনেক সময় ধরে চালু রাখার জন্য। এখন ৩০০০ এমএএইচ সবচেয়ে বেশি শক্তির ব্যাটারি হিসেবে বাজারে চালু রয়েছে।

৮. সফটওয়্যার আপডেট রাখা

ফোনের সফটওয়্যার প্রতিনিয়ত আপডেট হচ্ছে। আপনিও যদি নিজের ফোনের সফটওয়্যারগুলো আপডেট রাখেন তাহলে যন্ত্রটি সুন্দরমতো কাজ করবে। নয়তো নানা ভেজাল করবে যেকোনো কাজ করতে। নতুন কোনো অ্যাপস সাপোর্ট করবে না এবং ফোনটি ধীরগতির হয়ে যাবে।

৯. ২ জিবি র‌্যাম নেওয়ার চেষ্টা করুন

ফোনের কার্যক্রমে দ্রুততা দেবে র‌্যাম। ফোন কিনতে বেশ কিছু অর্থ ব্যয় করলে এক জিবি র‌্যামই যথেষ্ট। তবে অল্প কিছু অর্থযোগে বা পছন্দ পরিবর্তনে ২ জিবির ব্যবস্থা করা গেলে অনেক ভালো। আধুনিক মোবাইলগুলো ৩ জিবি পর্যন্ত র‌্যাম নিয়ে বাজারে আসছে।

১০. ক্যামেরা রেজ্যুলেশন অতি দরকারি নয়

ক্যামেরা রেজ্যুলেশনটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর মধ্যে একটিও নয়। কারণ ভালো মানের ছবি তোলার কাজ ক্যামেরার, মোবাইল ফোনের নয়। বেশি রেজ্যুলেশনের মোবাইল ক্যামেরার ছবি কিছুটা ভালো আসে। কিন্তু তা ক্যামেরার মতো নয়। তাই অন্য বিষয় বাদ দিয়ে ফোনে ক্যামেরা রেজ্যুলেন বেশি খোঁজাটা বোকামি।

১১. শক্তপোক্ত ফোন

স্মার্ট ফোনের জন্য তা কতটা শক্তপোক্ত তা জরুরি বিষয়। তা ছাড়া পর্দাতে সহজে দাগ যেন না পড়ে সে জন্য স্ক্র্যাচ রেজিস্ট্যান্ট গ্লাস রয়েছে অনেক ফোনে। হাত থেকে পড়ে গেলেই ভেঙে বা ফেটে যাবে না, অন্তত তেমন তো হতে হবে ফোনটিকে।

১২. ব্লু টুথ বেশ জরুরি

যাই কিনুন, দেখে নিন ব্লু টুথ রয়েছে কি না। এটি একটি দারুণ জিনিস। ব্লু টুথ ছাড়া অন্য কোনো মোবাইলের সঙ্গে আপনি কিছুই লেনদেন করতে পারবেন না। এখনকার দামি সব ফোনেই ব্লু টুথ রয়েছে। তবে কমদামি মোবাইল কিনতে গেলে একটু দেখে নিন তা রয়েছে কি না।

১৩. এনএফএস থাকলে ভালো

এনএফএস বা নেয়ার ফিল্ড কমিউনিকেশন বেশ প্রয়োজনীয় বিষয়। অন্য কোনো স্মার্ট ফোন বা ট্যাবের মধ্যে ডাটা আদান-প্রদানের জন্য এনএফএস দরকার হয়। এ ছাড়া আপনার কেনাকাটার জন্য কোনো ডিজিটাল ওয়ালেট অথবা দাম পরিশোধের সাপোর্টেড প্রসেসর থাকলে তার ব্যবহার এনএফএস-যুক্ত মোবাইল সহজ করে দেবে। অ্যাপলের নিজস্ব এনএফএস প্রযুক্তি রয়েছে, যার নাম এয়ারড্রপ।

১৪. ঝামেলাবিহীন চার্জের জন্য ওয়্যারলেস চার্জিং

তার ছাড়া চার্জ দেওয়ার ব্যবস্থা অবশ্য খুব প্রয়োজনীয় কিছু নয়। তবে যেখানে সেখানে প্লাগ পয়েন্ট না থাকার সমস্যায় ওয়্যারলেস চার্জিং সিস্টেম বেশ মজার বিষয়।

১৫. পপুলার রিভিউ ও রেটিং সাইট ব্যবহার করুন

ইন্টারনেট থাকলে নানা সাইটে ঢুঁ মারতেই হয়। তবে ম্যালওয়্যারের আক্রমণ থেকে বাঁচতে পপুলার রিভিউ ও রেটিং সাইটে ঘোরাফেরা করবেন। নইলে বিপদ।

১৬. অ্যাক্সেসরিজ

অ্যাক্সেসরিজ সব মোবাইলের সঙ্গেই দেওয়া হয়। তবে অ্যাক্সেসরিজ দেখে ফোন পছন্দ করার দরকার নেই। স্মার্ট অ্যাক্সেসরিজ বেশ আকর্ষণীয় দেখায়। ভালো মানের ফোনের অ্যাক্সেসরিজও বেশ ভালো হয়।

১৭. দাম

এটা আসল বিষয়। এমনিতেই মোবাইল ফোনসেটের দাম যত বেশি হবে, তার সবকিছুই তত ভালো হবে। তবে মোবাইল ফোনসেট কেনার আগে একই মডেলের অন্য কোনো সংস্করণ খুব শিগগিরই বাজারে আসলে তা থেকে কোনো সুবিধে পান কি না ভেবে নিতে হবে।
 

১৮. কন্ট্রাক্ট ফোন নেওয়ার জন্য


ইউরোপ-আমেরিকাতে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিভিন্ন শর্তের ভিত্তিতে মোবাইল ফোনসেট কেনার ব্যবস্থা রয়েছে। আমাদের দেশেও অপারেটর প্রতিষ্ঠানগুলো এমন অফার দিয়ে থাকে। সে ক্ষেত্রে কোন প্রতিষ্ঠান সবচেয়ে বেশি সুবিধা দিচ্ছে এবং মোবাইলগুলোর মডেলের সঙ্গে দাম ও সুবিধাগুলোর তুলনা করে নিজের পছন্দ অনুযায়ী নেবেন।
 

১৯. অ্যাপ্লিকেশন


মোবাইল ফোনসেটেরর অ্যাপস প্রতিনিয়ত এত বেশি বানানো হচ্ছে যে, পছন্দ করতে গেলে আপনার মাথা খারাপ হওয়ার জোগাড় হবে। ইচ্ছামতো অ্যাপস ডাউন লোড করে ব্যবহার করুন। শুধু একটি বিষয় নজরে রাখবেন। মোবাইল ফোনসেটটি যেসব অ্যাপস সাপোর্ট করে তাই ব্যবহার করুন। আর যেসব অ্যাপস আপনার মোবাইলের জন্য নয় তা অবশ্যই কাজে লাগানোর চেষ্টা করবেন না। তা ছাড়া মোবাইল ফোনসেট অনুযায়ী আলাদাভাবে অ্যাপসের কালেকশন ইন্টারনেটে দেওয়া থাকে। সেখান থেকেই ফোনটির জন্য অ্যাপস বাছাউ করে নেওয়া উচিত।
ফেসবুকে ‘ডিজলাইক’ বাটন দেওয়া হবে না: জাকারবার্গ



ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ সম্প্রতি এক প্রশ্ন-উত্তরপর্বে বলেছিলেন, ফেসবুকে যুক্ত হচ্ছে ডিজলাইক বাটন। সে খবরে সাড়া পেড়েছিল প্রযুক্তি বিশ্বে। কিন্তু সে আশায় গুড়ে বালি। ডিজলাইক বাটন নিয়ে অনেক গুজব ছড়ালেও ফেসবুক ডিজলাইক বাটন আনবে না। এর পরিবর্তে এমন একটি ফিচার আনছে যার মাধ্যমে মানুষ তাদের বিভিন্ন আবেগ প্রকাশ করতে পারবেন।

গতকাল ৯ অক্টোবর আয়ারল্যান্ড ও স্পেনের ফেসবুক ব্যবহারকারীদের জন্য একটি ফিচার উন্মুক্ত করেছে, যা দিয়ে বিভিন্ন অভিব্যক্তি প্রকাশ করা যায়। ফেসবুক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আবেগ প্রকাশের নানা উপায় যুক্ত করা হলেও কোনো ‘ডিজলাইক’ অপশন দেওয়া হবে না।


মার্ক জাকারবার্গ বলেন, সব সময় মানুষের ভালো সময় যায় না। অনেক সময় সহমর্মিতা প্রকাশ করা লাগে। কিছু মুহুর্ত থাকে যা শেয়ার করার জন্য আরও বেশি অভিব্যক্তি লাগে। শুধু লাইক দিয়ে সব প্রকাশ করা যায় না।
আয়ারল্যান্ড ও স্পেনের ফেসবুক ব্যবহারকারীরা লাইকের পাশাপাশি ছয়টি আবেগ প্রকাশের অপশন


পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহারের সুযোগ পাচ্ছেন। কোন পোস্ট সম্পর্কে তাঁদের মনোভাব এগুলো দিয়ে বোঝানো যাবে। এই অপশনগুলো হচ্ছে ‘লাভ’, ‘ইয়েই’, ‘ওয়াও’ ‘হাহা’, ‘স্যাড’ ও ‘অ্যাংরি’। এ ধরনের অপশনগুলো বার্তা আদান-প্রদানে ইমোজি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
ফেসবুক দিয়ে অর্থ আদান-প্রদান


বিগত কয়েক বছর ধরেই শোনা যাচ্ছিল যে ফেসবুক তাদের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অর্থ আদান প্রদানের ব্যবস্থা শুরু করবে। আর গত বছরের অক্টোবরে যখন একটি কোড ফাঁস হয় এই বিষয়ে তখন প্রায় সকলেই নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল যে দ্রুতই এই সুবিধা হয়তোবা চালু হবে। আর আজ ফেসবুক পুরোপুরি ভাবে এই সুবিধা সকল ইউএস নাগরিকের জন্যে চালু করল।

ফেসবুক আজ তাদের অফিশিয়াল ব্লগে এই বিষয়ে একটি খবর প্রকাশ করে। তাদের দেয়া তথ্যমতে, খুব দ্রুতই সেই সুবিধাটি অ্যান্ড্রয়েড, আইওএস এবং ডেস্কটপে চালু করা হবে। আর ফেসবুক এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। অবশ্য, ফেসবুক ২০০৭ সাল থেকে নানা গেম এবং বিজ্ঞাপন দাতাদের জন্যে ট্র্যান্স্যাকশন নিয়ন্ত্রন করে থাকে আর বর্তমানে তা প্রতিদিন ১০ লক্ষ এর অধিক হয়। সুতরাং মেসেঞ্জারের মাধ্যমে এই নতুন সুবিধায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা তাদের জন্যে খুব একটা সমস্যা হবে না।

নিরাপত্তার বিষয়ে ফেসবুক তাদের ব্লগে বলেছে, “অর্থ লেনদেনের ক্ষেত্রে ফেসবুক সবসময় নিরাপত্তাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ত দিয়েছে। আমরা এমন এক মাধ্যম ব্যবহার করি যেখানে সম্পূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থাকে এনক্রিপ্ট করা হয় এবং এটি ফেসবুক, ব্যবহারকারীর কার্ডের তথ্য সকল ক্ষেত্রেই। আমরা এক্ষেত্রে সর্বাধুনিক হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার প্রযুক্তি ব্যবহার করি। একটি এন্টি ফ্রড বিশেষজ্ঞ দল সর্বক্ষণ সকল লেনদেন পর্যবেক্ষণ করে ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্ট নিরাপদ রাখতে।”

ফেসবুকে এই সুবিধা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ব্যবহার করা যাবে। এটি বর্তমানে ফেসবুকের ইউএস এর ব্যবহারকারী পাবে। আর এক্ষেত্রে ব্যবহারকারীর ইউএস ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সাথে সংযুক্ত ডেবিট কার্ড থাকতে হবে। ক্রেডিট কার্ডে এ এই সুবিধা রাখা হয়নি নিরাপত্তা এবং অতিরিক্ত ফি এড়ানোর জন্যে।

অর্থ পাঠানোর ক্ষেত্রে যা করতে হবে-
  •  যাকে পাঠাতে চান তার সাথে মেসেঞ্জারে কনভারসেশনটি চালু করুন
  •  ‘$’ ডলার এর এই আইকনটিতে ট্যাপ করুন এবং কত অর্থ পাঠাতে চান তা লিখুন
  •   পে নামক অপশনটিতে ট্যাপ করুন এবং ডেবিট কার্ডের তথ্য দিন
অর্থ গ্রহন করতে যা করতে হবে-
  •  কনভারসেশনটি খুলুন
  •   ডেবিট কার্ডের তথ্য দিয়ে অর্থ গ্রহন করুন
  •  
যদিও অর্থ পাঠানোর সাথে সাথে গ্রাহক তা পাবে তবে তা ব্যাংকে দেখাতে ২-৩ দিন অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে। ব্যবহারকারী চাইলে ডেবিট কার্ডের তথ্য দিয়ে সুরক্ষার জন্যে একটি পিন নির্বাচন করতে পারবে। এছাড়া আইওএস ব্যবহারকারীরা টাচ আইডি সুবিধা পাবে। অতিরিক্ত হিসেবে আরেকটি নিরাপত্তা পিনও দেয়া যাবে।

ফেসবুক এ সুবিধা মেসেঞ্জারের মাধ্যমে চালু করার ফলে মুলত মেসেঞ্জারের গ্রহণযোগ্যতা সকলের কাছে আরও শক্তিশালী করে তুলেছে। গত বছর চ্যাট করার জন্যে আরেকটি অতিরিক্ত অ্যাপ হিসেবে মেসেঞ্জার ব্যবহার করতে সকল ব্যবহারকারীকে বাধ্য করলে নানা সমালোচনার মুখে পরে ফেসবুক। এ নতুন সুবিধা ফলে এটি থেকে কিছুটা উঠে আসতে পারবে ফেসবুক। এছাড়া যদি ফেসবুক ভবিষ্যৎ এ ক্রয় বিক্রয় করার সুবিধা চালু করে তবে আরেকটি নতুন ডাটা পাবে তারা ব্যবহারকারীদের লক্ষ্য করে বিজ্ঞাপন ব্যবস্থা আরও উন্নত করতে।

তবে বর্তমানে ফেসবুক তাদের ব্যবহারকারিদের এ মাধ্যমে ব্যবহারের সময় বৃদ্ধির দিকেই বেশি মনোযোগ দিচ্ছে। ইতোমধ্যে ফেসবুকে গড়ে ২১ মিনিট করে দিনে সময় কাটায় একজন ইউএস ব্যবহারকারী। যা কিনা একজন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর মোট ব্যবহারের ৬%। হিসেবের দিক থেকে ফেসবুক বর্তমানে গুগলের পিছনে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে এ দিক দিয়ে। এখন দেখা যাক ফেসবুকের এই নতুন সুবিধা ব্যবহারকারীর সময় ব্যয়ে কী পরিমাণে পরিবর্তন আনতে পারে।


ফেসবুক ম্যাসেঞ্জার

স্মার্টফোনের জন্য ফেসবুক মেসেঞ্জারের স্বতন্ত্র ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন চালু করেছে ফেসবুক। তাই বলে ভাববেন না যে ফেসবুক বন্ধুদের সাথে চ্যাট করা বন্ধ করে দিয়েছে। ফেসবুক কখনোই মেসেঞ্জারকে ফেসবুক থেকে বাদ দিবে না। বরং আজ থেকে messenger.com দিয়ে মেসেঞ্জারের জন্য নতুন ওয়েব ব্রাউজার ভার্সন চালু করেছে, যেখানে আপনি বন্ধুদের সাথে শুধুমাত্র চ্যাট করতে পারবেন। আপনি যদি নিউজ ফিড আপডেট বা বন্ধুদের প্রোফাইল দেখতে চান সেক্ষেত্রে আপনাকে ফেসবুকের মূল ওয়েবসাইটে যেতে হবে । এই ফেসবুক মেসেঞ্জারের একটাই উদ্দেশ্য সেটা হচ্ছে তাৎক্ষণিক বার্তা আদান-প্রদান (ম্যাসেজিং)। কেবল চালু হওয়া এই ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনটি মোবাইল এবং ডেক্সটপে ব্যবহার করতে পারবেন। তবে ডেস্কটপে কিছু সীমাবদ্ধতা আছে। এখানে আপনি ছবি, স্টিকার, সিগনেচার ইত্যাদি পাঠাতে পারলেও এখনো ডেস্কটপে কোনো ভয়েস ম্যাসেজ রেকর্ড বা পাঠানোর সুবিধা যোগ করা হয়নি। একটি মেন্যু সেটিংস রয়েছে যেটি দিয়ে আপনি সাউন্ড ইফেক্ট বন্ধ বা চালু করতে পারবেন। তবে আপনি যদি কাউকে ব্লক করতে চান বা গোপনীয়তা পরিবর্তন করতে চান সেক্ষেত্রে আপনাকে ফেসবুকের প্রধান ওয়েবসাইটে যেতে হবে। যদি আপনি শুধু মাত্র চ্যাট করতে চান তবে এটি আপনার জন্য একটি চমৎকার অ্যাপ।