Showing posts with label Laptop. Show all posts
Showing posts with label Laptop. Show all posts


antivirus-protection

সাইবার হামলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এর প্রতিরোধেও নিয়মিত পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। আর এ প্রতিরোধ ভাঙতেই উন্নত ও অত্যাধুনিক ম্যালওয়্যার ব্যবহার শুরু করেছে সাইবার অপরাধীরা। বর্তমানে যেসব ম্যালওয়্যার শনাক্ত হচ্ছে, তা আগের তুলনায় অনেক সৃজনশীল উপায়ে তৈরি হচ্ছে। চলতি সপ্তাহে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত বি ইনসাইড টেকনোলজি সামিটে (বিআইটিএস) ম্যালওয়্যার সম্পর্কে এমন তথ্যই জানান সাইবার বিশেষজ্ঞরা। খবর পিসি ম্যাগ।

সাইবার হামলার কারণে বিশ্বব্যাপী প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যয় বাড়ছে। হামলা থেকে গ্রাহক ও নিজেদের তথ্য রক্ষা করতে সাইবার নিরাপত্তা খাতে ব্যয় বৃদ্ধির কোনো বিকল্পও নেই প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে। কিন্তু নিরাপত্তা বাড়াতে যেখানে ব্যয় বাড়ানো হচ্ছে, সেখানে হামলার অনুষঙ্গও উন্নয়ন করছে সাইবার অপরাধীরা। এতে হামলা প্রতিরোধ আরো কষ্টসাধ্য বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আতঙ্কের বিষয় হচ্ছে, সাইবার অপরাধীরা এমন সব অ্যাপের মধ্যে ম্যালওয়্যার যুক্ত করছে, যেগুলো অ্যান্ড্রয়েডের ব্যবহারযোগ্য খুবই পরিচিত অ্যাপ। এ কারণে বিশেষজ্ঞরা সাইবার হামলা থেকে সুরক্ষিত থাকতে অপরিচিত অ্যাপ ডাউনলোড না করার যে পরামর্শ দিয়ে থাকেন, তাও টিকছে না। পরিচিত অ্যাপগুলোয় ম্যালওয়্যার ছড়ানোর কারণে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে।

সাইবার অপরাধীরা র্যানসামওয়্যার নামের বিশেষ ম্যালওয়্যারের উন্নয়ন করছে। র্যানসামওয়্যার বলতে সেসব ক্ষতিকর সফটওয়্যারকেই বোঝায়, যার মাধ্যমে অপরাধীরা গ্রাহকের তথ্য হাতিয়ে নিয়ে অর্থের বিনিময়ে তা আবার গ্রাহককে সরবরাহ করে। এ সফটওয়্যারের মাধ্যমে সাইবার অপরাধীরা বিপুল অর্থ উপার্জন করছে।

বিআইটিএসে সাইবার ও ম্যালওয়্যার বিশেষজ্ঞরা সংশ্লিষ্ট খাতের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ইস্যু, প্রচলন ও হামলা প্রতিরোধে করণীয় নিয়ে আলোচনা করতে একত্র হন। এ সম্মেলনের আয়োজন করে থাকে আইটি সিকিউরিটি কোম্পানি ইসেট। সম্মেলনে সাইবার ও ম্যালওয়্যার বিশেষজ্ঞরা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় উপস্থাপন করেন। ইসেটের পাশাপাশি মাইক্রোসফটসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের বিশেষজ্ঞরাও উপস্থিত থাকেন। এ কারণে একে সাইবার নিরাপত্তা ইস্যুতে গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলন হিসেবেই বিবেচনা করা হয়।

ইসেটের জ্যেষ্ঠ ম্যালওয়্যার গবেষক রবার্ট লিপোস্কি জানান, ম্যালওয়্যার শুধু পিসির জন্যই ক্ষতিকর নয়। সেলফোনের জন্যই এটি বড় ধরনের হুমকি। বিশেষ করে অ্যান্ড্রয়েডের জন্য। তিনি আরো বলেন, ‘ম্যালওয়্যার তৈরিকারকরা এখন আগের তুলনায় অনেক বেশি সৃজনশীল। তারা বিভিন্ন ব্যবস্থায় হামলা চালিয়ে সফল হওয়ায় আরো বেশি উত্সাহী হয়ে উঠছে।’

বিআইটিএসে তিনি আরো জানান, ডাবসম্যাশ ও মাইনক্রাফটের মতো অ্যান্ড্রয়েডভিত্তিক গেমগুলোয় অপরাধীরা বিভিন্ন ধরনের ম্যালওয়্যার ছড়াচ্ছে। গেমের মাধ্যমে গ্রাহকরা অজান্তেই এ ধরনের ম্যালওয়্যার ইনস্টল করেছেন প্রায় পাঁচ লাখ বার।

অ্যান্ড্রয়েড ম্যালওয়্যারগুলোর কারণে গ্রাহক নিয়মিতই আক্রান্ত হচ্ছেন। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, র্যানসামওয়্যার ইনস্টলের কারণে গ্রাহকের ফোনের নিয়ন্ত্রণ চলে যাচ্ছে অন্যের হাতে। এছাড়া স্ক্রিন লক হওয়া, তথ্যে প্রবেশ করতে না পারার মতো ঘটনা ঘটছে নিয়মিত। এ সমস্যা থেকে রেহাই পেতে গ্রাহককে ৫০০ ডলার পর্যন্ত অপরাধীকে পরিশোধ করতে হচ্ছে। ম্যালওয়্যারের ধরন সৃজনশীল হওয়ার কারণে একে আটকে রাখা যাচ্ছে না। ফলে আক্রান্তের হার সময়ের সঙ্গে বাড়ছে।

মাইক্রোসফটের ম্যালওয়্যার প্রটেকশন সেন্টারের পরিচালক ডেনিস ব্যাচেলডার ম্যালওয়্যারের ইকোসিস্টেমে চারটি প্রধান অংশ রয়েছে বলে উল্লেখ করেন। এগুলো হচ্ছে, ক্রাইম সিন্ডিকেট, ম্যালওয়্যার সাপ্লাই চেন, অ্যান্টিম্যালওয়্যার ভেন্ডর ও অ্যান্টিম্যালওয়্যার ইকোসিস্টেম। এর মধ্যে ম্যালওয়্যার সাপ্লাই চেন ধ্বংসে মাইক্রোসফট কাজ করে যাচ্ছে বলে জানান তিনি।

ম্যালওয়্যারের অস্তিত্ব যখন থেকে টের পাওয়া গেছে, তার পর থেকেই এ ব্যবস্থার প্রতিরোধে কাজ করে যাচ্ছে মাইক্রোসফট। সাপ্লাই চেন ধ্বংসের পাশাপাশি জড়িতদের আটক ম্যালওয়্যার ছড়ানো প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন তিনি।


ইন্টারনেটে দ্রুত কাজ করার মাধ্যমে সময় বাঁচানোর কিছু কৌশল মেনে চলেন অভিজ্ঞরা। মাত্র একটি কমান্ড দিয়ে কয়েকটি কমান্ডের কাজ করে ফেলা যায়।
জেনে নিন এমন কয়েকটি কৌশল….
  • সর্বশেষ ট্যাব দেখা

অনেক সময় ভুলক্রমে সর্বশেষ ব্যবহার করা ট্যাবটি বন্ধ হয়ে যায়। সেটি আবার ওপেন করতে ব্রাউজারের সেটিংসে গিয়ে হিস্টোরি অপশনে যেতে হয়। তবে কিবোর্ডে শুধু ‘Ctrl+Shift+T’ চাপলেই সর্বশেষ চালু করা ট্যাবটি ফিরে আসবে।
  • দ্রুত ইউআরএল লেখা

কোনো ওয়েবসাইট ভিজিট করলে হলে ব্রাউজারে ইউআরএলটি লিখতে হয়। যেমন : www.anabizblog.blogspot.com। তবে সময় বাঁচাতে শুধু anabizblog.blogspot লিখে Ctrl+Enter চাপলেই হবে। খুলে যাবে আপনার কাঙ্খিত সাইটটি।
  • নতুট ট্যাবে লিংক চালু

ইন্টারনাল লিংকযুক্ত কোনো সাইট আলাদা ট্যাবে চালু করতে সাধারণ মাউসের রাইট বাটনে ক্লিক করে ‘open link new tab’ অপশনটিতে ক্লিক করতে হয়। তবে মাউস ক্লিকের ঝামেলা থেকে মুক্তি পেতে যে কোনো লিংক নতুন ট্যাবে ওপেন করতে চাইলে ‘Ctrl’ চেপে লিংকটিতে ক্লিক করলেই হবে।
  • গোপনে ব্রাউজিং

গোপনে ব্রাউজিং করতে চাইলে ব্রাউজারের রয়েছে প্রাইভেট ব্রাউজিং সুবিধা। এ জন্য আলাদাভাবে সেটিং মুডে না গিয়ে শুধু Ctrl+Shift+N চাপলেই হবে।


তথ্য সংরক্ষণে বিকল্পের ব্যবহার বাড়ছে। নিজস্ব ডিভাইসে সংরক্ষণ ছাড়াও অনলাইন স্টোরেজ মাধ্যমগুলোর দিকে ঝুঁকছেন অনেকে। এ কারণে ক্লাউড নির্ভরতা যেমন বাড়ছে, তেমনি তা জনপ্রিয় হচ্ছে।

ক্লাউড সেবার জন্য এখন সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় ড্রপবক্স। এর জনপ্রিয়তা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। সম্প্রতি ৩০ কোটি ব্যবহারকারীর মাইলফলক স্পর্শ করেছে ক্লাউডভিত্তিক ফাইল স্টোরেজ সেবা ড্রপবক্স।

সহজ এবং সাবলীল ফিচারের কারণে অনেকেই ড্রপবক্স ব্যবহারের দিকে ঝুঁকছেন। তবে এখনও অনেক ইন্টারনেট ব্যবহারকারী এটির নাম শুনলেও এর ব্যবহার বিধি ও খোলার নিয়ম কানুন সম্পর্কে অবহিত নন। তাদের জন্য এ টিউটোরিয়াল।




  • ড্রপবক্স কি?

এটি একটি ফাইল হোস্টিং সার্ভিস। ড্রপবক্স ইনকরপোরেশন নামের একটি প্রতিষ্ঠান এটি চালু করেছে। ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (এমআইটি) দুই স্নাতক শিক্ষার্থী ড্রিউ হিউস্টন এবং আরাশ ফেরদৌসী ২০০৭ সালে এটি প্রতিষ্ঠা করেন।

ক্লাউড স্টোরেজ, ফাইল সিনক্রোনাইজেশন এবং ক্লায়েন্ট সফটওয়্যার সার্ভিস দিয়ে থাকে ড্রপবক্স। একজন ব্যবহারকারী তার নিজস্ব কম্পিউটারে একটি নির্দিষ্ট ফোল্ডার তৈরি করেন, যেটি ড্রপবক্সের মাধ্যমে সিনক্রোনাইজড করা হয়, যাতে ওই ব্যবহারকারী পরে ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করে যে স্থান থেকে তা (ফোল্ডারের ভেতরের সব ফাইল বা ডেটা) হুবহু ব্যবহার করতে পারেন।

এ ফোল্ডারে থাকা ফাইলগুলো ওয়েবসাইট কিংবা মোবাইল ফোন অ্যাপ্লিকেশনের সাহায্যেও ব্যবহার করা যায়।

ড্রপবক্সের শেয়ার ফোল্ডার অন্য দশটা ফোল্ডারের মতো যেখানে খুশি রাখা যায়। এ ফোল্ডারে যা রাখা হবে তা ইন্টারনেট সংযোগ থাকলেই অটো আপলোড হয়ে যাবে।




  • একাউন্ট খোলার পদ্ধতি

প্রথমে এ লিংকে এ যেতে হবে। এবার যে পেইজটি ওপেন হবে সেখানে ব্যবহারকারীর প্রথম এবং শেষ নাম, ই-মেইল আইডি এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে ‘create account’ এ ক্লিক করতে হবে। তাহলে একাউন্ট তৈরি হয়ে যাবে।

এরপর ড্যাসবোর্ড প্রদর্শিত হবে। সেখানে প্রথমিকভাবে কয়েকটি কাজ করতে বলা হবে। নির্দেশনা অনুযায়ী এসব কাজ শেষ করলে একাউন্ট চালু হবে এবং বোনাস স্টোরেজ পাওয়া যাবে।

প্রথম অবস্থায় ড্রপবক্স ২ গিগাবাইট স্টোরেজ সুবিধা দিয়ে থাকে। বন্ধুকে রেফারেলের মাধ্যমে পাওয়া যাবে ৫০০ গিগাবাইট পর্যন্ত স্টোরেজ সুবিধা পাওয়া যাবে।


ডেক্সটপ সফটওয়্যারের মাধ্যমে কম্পিউটারে সাধারণ ফোল্ডারের মতো এটি ব্যবহার করা যাবে। সেক্ষেত্রে এ লিংক থেকে ড্রপবক্সের ডেক্সটপ সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে ইন্সটল করে নিতে হবে।

ইন্সটল হওয়ার পরে ড্রপবক্সের ইউজার নাম এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করতে হবে।

  • পাবলিক ফোল্ডারের ব্যবহার

ড্রপবক্স ডেক্সটপে ইন্সটল করার পর পাবলিক নামে একটি ফোল্ডার পাওয়া যাবে। এ ফোল্ডারে যেসব ফাইল রাখবেন তার জন্য আলাদা লিংক কালেক্ট করা যাবে। এরপর লিংকগুলো শেয়ার করতে পারবেন বন্ধু, সহকর্মী বা গ্রাহকদের সঙ্গে।

এ জন্য প্রথমে Public ফোল্ডার একটি ফাইল রাখতে হবে। এরপর ফাইলটির ওপরে রাইট ক্লিক করতে হবে যেখান থেকে Dropbox>Copy Public Link এ ক্লিক করতে হবে। ফাইলটির লিংক কপি হলে তা শেয়ার করা যাবে।

  • শেয়ার পদ্ধতি

মূলত ফাইল শেয়ারের জন্য ড্রপবক্সের জনপ্রিয়তা সবচেয়ে বেশি। খুব সহজে যে কোনো ফাইল শেয়ার করা যায় এটি ব্যবহার করে।

চাইলে ড্রপবক্সের কোনো ফোল্ডার যে কোনো ব্যবহারকারীর কাছে শেয়ার করা যায় ই-মেইল ঠিকানা ব্যবহার করে। এ ছাড়া যে কোনো ফাইল সহজে শেয়ার করা যায়।


মাইক্রোসফট অফিস ২০১০ অফিস স্যুট খুব শক্তিশালী হলেও এ থেকে পুরো সুবিধা আদায় করার জন্য চাই কিছু গোপন কৌশল রপ্ত করা। এখানে উল্লিখিত কৌশলগুলো মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ২০১০-এর আলোকে উপস্থাপন করা হলেও এ কৌশলগুলো উইন্ডোজ ২০০৭-এ যথাযথভাবে কাজ করবে। এ লেখার উল্লিখিত কৌশলগুলো রপ্ত করতে পারলে ওয়ার্ডের ফাংশনালিটি বেড়ে যাবে যথেষ্ট মাত্রায়।

  • বিল্ডিং বস্নকস অ্যাজ রিইউজেবল ডকুমেন্ট পার্টস


মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ২০০৭ চালু করে বিল্ডিং ব্লক ফিচার, যার মাধ্যমে আপনি তৈরি করতে পারবেন স্ট্যান্ডার্ড কাভার পেজ, হেডার ফুটার ও টেবল। এই ফিচারগুলো এখনও আছে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ২০০৭-এর পরবর্তী ভার্সন মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ২০১০-এ। বিল্ডিং ব্লক হলো একটি শক্তিশালী পুনঃব্যবহারযোগ্য অর্থাৎ রিইউজেবল টুল। বিল্ডিং ব্লক তৈরি করার পর আপনি তা যেকোনো নতুন ডকুমেন্টে ইনসার্ট করতে পারবেন। উদাহরণস্বরূপ ব্যক্তিগত ডকুমেন্টের হেডার তৈরি করার জন্য ইনসার্ট ট্যাবে গিয়ে হেডারে ক্লিক করুন। এরপর বেছে নিন Blank for gallery অপশন। হেডারে Confidential টাইপ করুন এবং আপনার পছন্দ অনুযায়ী একে যেকোনোভাবে ফরম্যাট করুন

(যেমন : Ctrl+E চাপুন মাঝ বরাবর সেট করার জন্য। হেডারে টেক্সট কার্সরসহ Ctrl+A চাপুন পুরো হেডার সিলেক্ট করার জন্য। এবার Insert ট্যাবে ফিরে আসুন। Header-এ ক্লিক করুন এবং এরপর গ্যালারির নিচে Save Selection to Header Gallery অপশনে ক্লিক করুন।

এবার Create New Building Block ডায়ালগে আপনার হেডারে একটি নাম দিন (উদাহরণস্বরূপ Confidential)। এবার Ok-তে ক্লিক করুন একটি বিল্ডিং ব্লক হিসেবে সেভ করার জন্য। নতুন ডকুমেন্টে হেডার ইনসার্ট করার জন্য ইনসার্ট ট্যাবে ক্লিক করে হেডারে ক্লিক করুন। এরপর স্ক্রলডাউন করে গ্যালারির জেনারেল আইটেম খুঁজে বের করুন এবং আপনার হেডারে যে নামে সেভ করেছেন, ধরুন Confidential। যখন ওয়ার্ড থেকে বের হয়ে আসবেন,

তখন আপনাকে প্রম্পট করা হবে পরিবর্তনগুলো সেভ করার জন্য, যাতে বিশেষ উদ্দেশ্যে ওয়ার্ড ফাইল আপনার বিল্ডিং ব্লক ধারণ করে, BuildingBlocks.dotx যাতে ভবিষ্যতে ওয়ার্ড সেশনে নতুন বিল্ডিং ব্লকে আবার ব্যবহার করতে পারেন।

  • ওয়ার্ডের ডিফল্ট ডকুমেন্ট এডিট ও ব্যাকআপ করা


এই সেকশনের টেমপ্লেট মেনি (Template Many) টিপস আপনাকে ডিফল্ট টেমপ্লেট (Normal.dotm) এডিট করতে বলবে, যা ওয়ার্ড ব্যবহার করে নতুন ডকুমেন্টের ফরম্যাটিং নির্দিষ্ট করার জন্য। এই কাজ শুরু করার আগে উইন্ডোজ অপশনকে বন্ধ করে নিন, যা বেশিরভাগ ফাইল নেম এক্সটেনশন হাইট করে, যেমন .dotm এক্সটেনশন। এই কাজটি ভিস্তা ও উইন্ডোজ ৭-এ করার জন্য স্টার্ট মেনুর ফোল্ডার অপশনে এন্টার করুন। এবার ফোল্ডার অপশনের অ্যাপলেট ওপেন করে ভিউ ট্যাবে Hideextentions for knownfile types চেকবক্স অপসারণ করে ঙশ করুন। এরপর ওয়ার্ড ফাইল মেনু থেকে ওপেন বেছে নিন।

এরপর উইন্ডোজ ভার্সনের ওপর ভিত্তি করে হয় মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে ক্লিক করে টেমপেস্নটে ক্লিক করুন অথবা ট্রাসটেড টেমপ্লেট ক্লিক করুন। এর ফলে একটি ফাইলে লিস্ট ওপেন হবে, যেখানে সম্পৃক্ত থাকবে Normal.dotm ফাইল। অন্য কোনো কিছু করার আগে Normal.dotm-এর একটি ব্যাকআপ কপি তৈরি করে নিন। প্রথমে ফাইলটিকে হাইলাইট করে Ctrl+C চাপুন কপি করার জন্য। এরপর Ctrl+V চাপুন একই ফোল্ডারে পেস্ট করার জন্য।

নতুনভাবে কপি করা ফাইলের নাম হবে Copy of Normal.dotm, তবে আপনি ইচ্ছে করলে ব্যাকআপ কপির যেকোনো নাম দিয়ে রিনেম করতে পারেন। যেখানে এক্সটেনশন হিসেবে .dotm থাকবে। যেমন : My customized.Normal.dotm। যখন ব্যাকআপ তৈরি হয়ে যাবে তখন এই ফাইল ওপেন করে এডিট করার জন্য Normat.dotm-এ ক্লিক করুন।

  • ডিফল্ট হেডার বা ডিফল্ট পেজ নাম্বার করা


আপনি চাচ্ছেন ওয়ার্ড, আপনার সব ডকুমেন্টে বাই-ডিফল্ট পেজ নাম্বার সম্পৃক্ত করবে। কিন্তু কীভাবে করতে হবে এ কাজটি ওয়ার্ড তা জানে না। তবে এ লেখার ২নং টিপ খেয়াল করলে বুঝতে পারবেন এ কাজটি মোটেও জটিল কিছু নয়। আপনার ডিফল্ট টেমপ্লেট ওপেন করুন Normal.dotm আগের টিপ অনুযায়ী। এরপর ইনসার্ট ট্যাবে গিয়ে বেছে নিন পেজ নাম্বার। এবার লোকেশন ও পেজ নাম্বারের ফরম্যাট বেছে নিন। এরপর Normal.dotm সেভ করে বন্ধ করুন। এর ফলে প্রতিটি নতুন ডকুমেন্টে আপনার নির্দিষ্ট করা পেজ নাম্বার ব্যবহার করবে। তবে আপনি যদি প্রথম পেজে পেজ নাম্বার বসাতে না চান কিংবা ভিন্ন লোকেশনে পেজ নাম্বার বসাতে চান, তাহলে পরবর্তী টিপ বা কৌশল অনুসরণ করুন।

  • ডিফল্ট পেজ নাম্বারিং যা দ্বিতীয় পেজ থেকে শুরু হবে


আগের টিপ অনুসরণ করে ওয়ার্ডে ডিফল্ট পেজ নাম্বারিং সেট করার পর এই কৌশল চধমব Use-এ ব্যবহার করা যায়। ধরুন, আপনি সিদ্ধামত্ম নিয়েছেন ডকুমেন্টের প্রথম পেজে পেজ নাম্বার বসবে না অর্থাৎ আবির্ভূত হবে না, তবে দ্বিতীয় পেজে পেজ নাম্বার আবির্ভূত হবে। এমন কাজ করার জন্য Normal.dotm ওপেন করে পেজ লেআউট ট্যাবে অ্যাক্সেস করুন। এবার পেজ সেটআপ গ্রুপে More Arrow-তে ক্লিক করুন (গ্রুপে নিচের ডান দিকে একটি ডায়াগনাল অ্যারো) পেজ সেটআপ ডায়ালগ ওপেন করার জন্য।

এটি ওপেন হওয়ার পর লেআউট ট্যাবে গিয়ে হেডার অ্যান্ড ফুটারের অন্তর্গত Different First Page-এর পাশে একটি চেকবক্স যুক্ত করুন এবং Ok -তে ক্লিক করুন । সবশেষে Normal.dotm বন্ধ করুন। এরপর যখনই কোনো নতুন ডকুমেন্ট তৈরি করবেন, তখন প্রথম পেজে কোনো পেজ নাম্বার আবির্ভূত হবে না, তবে দ্বিতীয় পেজ থেকে পেজ নাম্বারিং শুরু হবে।

  • বোনাস টিপ : 

যদি আপনি পেজ নাম্বার প্রথম পেজে চান, তবে স্বাভাবিক নাম্বারিং থেকে ভিন্ন পজিশনে পেতে চান, যা আপনি ইতোমধ্যে পরবর্তী সব পেজের জন্য তৈরি করেছেন, তাহলে উপরের ইনস্ট্রাকশন অনুসরণ করুন। তবে পেজ সেটআপ ডায়ালগ বক্সে Ok-তে ক্লিক করার পর। এবার রিবন বারে গিয়ে ইনসার্ট ট্যাবে পেজ নাম্বার বেছে নিয়ে একটি পজিশন পেজ নাম্বারের ফরম্যাট বেছে নিন। এখানে যা বেছে নেবেন তা শুধু প্রতিটি নতুন ডকুমেন্টের প্রথম পেজের প্রয়োগ তথা বাস্তবায়িত হবে।


  • অধিকতর রিডেবল ডিফল্ট ফন্ট


ওয়ার্ড ২০১০-এর ডিফল্ট ফন্ট হলো ক্যালিব্রি (Calibri), যা স্ক্রিনে চমৎকার দেখায়, তবে খুব রিডেবল নয়, কেননা এর Sansarif টাইপ হলো অন্য ওয়ার্ডে। এই টাইপের উপরে ও নিচের লেটারের ছোট হরাইজন্টাল স্ট্রোক নেই, যা চোখ সহনীয়ভাবে পুরো পেজ অবলোকনে সহায়ক হবে। ওয়ার্ডের ডিফল্ট ফন্ট পরিবর্তন করে অধিকতর রিডেবল ও আকর্ষণীয় ফন্ট পাওয়ার জন্য Ctrl+Shift+F চাপুন। এর ফলে ফন্ট ডায়ালগ বক্স ওপেন হবে। এ ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের মতামত হলো ১২ পয়েন্টের প্লাটিনো লাইনো টাইপ ব্যবহার করা। এবার Save as Default-এ ক্লিক করুন এবং All documents based on the Normal.dotm template অপশন বেছে নিয়ে Ok-তে ক্লিক করুন।

আপনি চাইলে অন্যান্য ডিফল্ট সেটিং একইভাবে পরিবর্তন করতে পারবেন, যেভাবে ডিফল্ট ফন্ট পরিবর্তন করে থাকেন। এবার Alt+O চেপে চ চাপুন প্যারাগ্রাফ ডায়ালগ বক্স ওপেন করার জন্য। অথবা হোম ট্যাবে প্যারাগ্রাফ গ্রুপে More Arrow-তে ক্লিক করুন। এবার স্পেসিং এবং অন্যান্য অপশন সেট করার পর Save as Default-এ ক্লিক করুন। এবার পেজ লেআউট ট্যাবে গিয়ে More Arrow-তে ক্লিক করুন পেজ সেটআপ গ্রুপে পেজ সেটআপ ডায়ালগ বক্স ওপেন করার জন্য। এবার মার্জিন ও অন্যান্য পেজ লেআউট সেটিং সেট করে ঝধাব ধং উবভধঁষঃ-এ ক্লিক করুন।

  • ক্যুইক অ্যাক্সেস টুলবারে অটোফরম্যাট কমান্ড রাখা


দীর্ঘদিন ধরে ওয়ার্ড ব্যবহার করলে নিশ্চয় আপনার মনে থাকবে অটোফরম্যাট কমান্ডের কথা, যা এক দারম্নণ সময়সাশ্রয়ী কমান্ড। বিশেষ করে খারাপভাবে ফরম্যাট করা ডকুমেন্ট যেমন : ই-মেইল মেসেজ প্রতিলাইন শেষে প্যারাগ্রাফ ব্রেকসহ কাউকে পাঠাতে ব্যবহার হয় তা সহজে এডিটযোগ্য ওয়ার্ড ডকুমেন্টে পরিণত করা যায়। যখন মাইক্রোসফট অফিস ২০০৭-এর সাথে রিবন ইন্টারফেস চালু করে, তখন অটোফরম্যাট কমান্ড এতে সম্পৃক্ত ছিল না ঠিকই, তবে তা ব্যবহারকারীরা প্রয়োজনে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হন।

আপনি এটিকে ক্যুইক অ্যাক্সেস টুলবারে সম্পৃক্ত করতে পারেন, যা রিবন ট্যাবে উপরে আবির্ভূত হয় ক্যুইক অ্যাক্সেস টুলবারের ডান প্রান্তে ডাউন অ্যারোতে ক্লিক করার পর More Command-এ ক্লিক করে। এবার Choose Commands from-এর অন্তর্গত ড্রপডাউন মেনু থেকে Commands Not in the Rebbon সিলেক্ট করুন। এবার আবির্ভূত লিস্ট থেকে Autofomat-The Add button-Ok-তে ক্লিক করুন। ক্যুইক অ্যাক্সেস টুল বারে অন্য যেকোনো কমান্ড রাখার জন্য একই পদ্ধতি অনুসরণ করুন, যা আপনি দ্রুতগতিতে অ্যাক্সেস করতে চাচ্ছেন।

  • রিভিশন ট্র্যাকিং


ওয়ার্ড ডকুমেন্টে যদি কখনও রিভিশন ট্র্যাকিং ফিচার ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে সম্ভবত আপনি ভুল করতে পারেন আপনার ফাইলে থাকা রিভিশনসহ ডকুমেন্ট সেন্ড করলে এবং সহজেই সবার কাছে দৃশ্যমান হতে পারে যারাই রিভিশনকে ডিসপ্লে করার অপশন সক্রিয় করবে ও পরিবর্তন করবে। ওয়ার্ড ২০১০ চূড়ান্তভাবে যুক্ত করেছে এক সম্মানজনক সেভিং সিকিউরিটি অপশন, যা আপনাকে সতর্ক করবে যখনই রিভিশন সংবলিত তথ্য সেভ বা ডকুমেন্ট প্রিন্ট করবেন অথবা ওয়ার্ড মেনু থেকে যখন ই-মেইল করার চেষ্টা করবেন তখন।

এই সতর্কতাকে সক্রিয় করার জন্য ফাইল মেনুতে গিয়ে Options-Trust Center-এ অ্যাক্সেস করুন। এবার Trust Center Settings-এ ক্লিক করুন। এরপর Privacy Settings-এ ক্লিক করুন এবং Warn before printing saving or sending a file that contains tracked changes or comments অপশনে একটি চেক মার্ক যুক্ত করুন।

ডেস্কটপে ফেসবুকের অটোপ্লে বন্ধ করতে হলে ফেসবুকের সেটিংস থেকে ভিডিও অপশনে যাবেন। এখানে দুটি অপশন পাবেন। দ্বিতীয়টি ভিডিও অটোপ্লে অপশন। এটি ডিফল্ট থাকে। এটি অফ বা অন করতে পারবেন।

অ্যান্ড্রয়েডে তিন লাইন বা হামবার্গার চিহ্নিত সেটিংস মেনুতে যান। সেখানে অ্যাপ সেটিংসে গিয়ে ভিডিও অটো প্লে বন্ধ করে দিতে পারেন।



আইফোনে হ্যামবার্গার বা মোর বাটন থেকে স্ক্রল করে অ্যাকাউন্ট সেটিংসে যান। এখান থেকে ভিডিও অ্যান্ড ফটোজে সিলেক্ট করে এটি বন্ধ করে দিতে পারেন।

আইপ্যাডে মেনু থেকে সেটিংসে গিয়ে ভিডিওতে যান এবং সেখান থেকে অটোপ্লে বন্ধ করার অপশন পাবেন।

যারা উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে তাদের প্রায়ই একটি সাধারন সমস্যায় পড়তে হয়। আর তা হল- শর্টকাট ভাইরাস। এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর ড্রাইভের আইকন কে শর্টকাট দেখায়। পেনড্রাইভ, মেমোরি কার্ড ও ইন্টারনেট থেকে এই ভাইরাস আক্রমন করে থাকে।

এবার দেখা যাক সহজে এই ভাইরাস রিমুভ করার উপায়-

প্রথমে কম্পিউটারের কি-বোর্ড থেকে CTRL+SHIFT+ESC এই তিনটি বাটন একসাথে চেপে ধরতে হবে।

এরপর সেখানে উইন্ডোজ টাস্ক ম্যানেজার উইন্ডো আসবে। এবার সেখান থেকে PROCESS ট্যাবে ক্লিক করতে হবে। সেখান থেকে wscript.exe ফাইলটি সিলেক্ট করতে হবে।

এখন End Process এ ক্লিক করতে হবে।

এবার কম্পিউটারের C:/ ড্রাইভে গিয়ে সার্চ বক্সে wscript লিখে সার্চ দিতে হবে।

সেখানে wscript নামের সব ফাইলগুলো SHIFT+DELETE চেপে ডিলিট করে দিতে হবে।

এরপর RUN এ গিয়ে wscript.exe লিখে ENTER করতে হবে। এবং Stop script after specified number of seconds অপশনে 1 দিয়ে APPLY করতে হবে।
যারা ল্যাপটপে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন, তাঁদের কাছে ভাইরাস এক মূর্তিমান আতঙ্ক। তবে অন্য কারণেও প্রিয় ল্যাপটপ ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারে।ভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে চাই সচেতনতা ও নিয়মিত ল্যাপটপের পরিচর্যা।
বর্তমানে ইন্টারনেটে কিছু ভুয়া অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার আছে, যেগুলো মূলত ভাইরাস। ইন্টারনেট ব্যবহারের সময় হঠাৎ করে হয়তো কোনো বার্তা দেখবেন, আপনার কম্পিউটার ভাইরাসে ভর্তি হয়ে গেছে, এক্ষুনি ভাইরাসগুলো দূর না করলে ভীষণ বিপদ ঘটে যাবে! এমনকি আপনার কোন ড্রাইভে কী কী নামের কতটি ভাইরাস আছে, কোন ড্রাইভের কত শতাংশ জায়গা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে, তা-ও নির্দিষ্ট করে দেখিয়ে দেবে এসব বার্তা।
ভুলেও এ ধরনের ফাঁদে পা দেবেন না। এই বার্তায় ক্লিক করা মানেই ল্যাপটপের সর্বনাশ ডেকে আনা।
রিমুভাল ড্রাইভ (পেনড্রাইভ, মেমোরি কার্ড, ডেটা কেব্ল, হার্ডডিস্ক ইত্যাদি) দিয়ে তথ্য আদন-প্রদানের সময় ল্যাপটপ সবচেয়ে বেশি ভাইরাসের কবলে পড়ে। এসব ল্যাপটপে প্রবেশ করালে অবশ্যই অ্যান্টিভাইরাস দিয়ে স্ক্যান করে নিতে হবে।
অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার কম্পিউটারে ইনস্টল করাই শেষকাজ নয়।নিয়মিত অ্যান্টিভাইরাস হাল নাগাদ করে নিতে হবে।
রিমুভাল ডিস্ক কখনো ফোল্ডারের মতো দুই ক্লিকে খুলবেন না, এতে ভাইরাস ছড়াতে পারে। ডান ক্লিক করে ফোল্ডার অপশনে ক্লিক করে খুলবেন।
রিমুভাল ডিস্ক কম্পিউটার থেকে বিচ্ছিন্ন করার সময় সব সময় ইজেক্ট ডিস্কে ক্লিক করতে হবে না।চালু থাকা সব ধরনের ট্যাব বন্ধ করে খুলে ফেলুন।
আমরা অনেকে ভাইরাস থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য মনে করি দু-তিনটি অ্যান্টিভাইরাস ইনস্টল করে রাখলে মনে হয় রক্ষা পাওয়া যাবে, এটি একদম ভুল ধারণা। একটির বেশি অ্যান্টিভাইরাস ইনস্টল করবেন না।এতে কম্পিউটার ধীর গতির হয়ে থাকে।
অযথা সফটওয়্যার ইনস্টল করা থেকে বিরত থাকুন। মনে রাখবেন, সফটওয়্যারের সঙ্গে ভাইরাস আপনার কম্পিউটারে প্রবেশ করতে পারে।
ল্যাপটপের ব্লু-টুথ সক্রিয় রাখবেন না। কাজ শেষে ব্লু-টুথ অবশ্যই বন্ধ রাখবেন।
সার্ভারে যুক্ত এমন ল্যাপটপে সব ধরনের কাজ করবেন না, তাহলে ভাইরাসের আক্রমণের শিকার হতে পারেন। দরকার হলে একটি ভালো লাইসেন্সপ্রাপ্ত অ্যান্টিভাইরাস ইনস্টল করে নেবেন এবং নিয়মিত নেট থেকে হালনাগাদ করে নিন। অটো আপডেট সুবিধা এনাবল (সক্রিয়) করে রাখবেন।
রানে গিয়ে টেম্প ফাইলগুলো মুছে দিন।অনেক দিন জমা পড়ে থাকলে এগুলোও ভাইরাসে রূপ নিতে পারে। কোনো ফাইল মুছতে না পারলেআনলকার নামের সফটওয়্যার দিয়ে প্রথমেই ফাইলটিকে আনলক করে নিন, তারপর ডিলিট করুন।
ইন্টারনেটে সব ধরনের ওয়েবসাইটে না যাওয়াই ভালো।মেইলের নানান স্প্যামযুক্ত ই-মেইলগুলো খুলবেন না।
অ্যান্টিভাইরাসও মাঝেমধ্যে ভাইরাস হয়ে যায়, যদি আপনি অনেক দিন কম্পিউটার ফেলে রাখেন, ব্যবহার না করেন।
ল্যাপটপে পেনড্রাইভ প্রবেশ করালে অটো প্লে সুবিধা বন্ধ রাখুন।


ভাইরাস ভাইরাস করেই অপারেটিং সিস্টেম দিতে যাবেন না, আগে প্রাথমিক কাজগুলো নিয়মিত করুন, তাহলেই হয়ে যাবে।

 সম্ভব হলে মুক্ত অপারেটিং সিস্টেম লিনাক্স ব্যবহার শুরু করুন।