Showing posts with label News. Show all posts
Showing posts with label News. Show all posts


antivirus-protection

সাইবার হামলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এর প্রতিরোধেও নিয়মিত পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। আর এ প্রতিরোধ ভাঙতেই উন্নত ও অত্যাধুনিক ম্যালওয়্যার ব্যবহার শুরু করেছে সাইবার অপরাধীরা। বর্তমানে যেসব ম্যালওয়্যার শনাক্ত হচ্ছে, তা আগের তুলনায় অনেক সৃজনশীল উপায়ে তৈরি হচ্ছে। চলতি সপ্তাহে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত বি ইনসাইড টেকনোলজি সামিটে (বিআইটিএস) ম্যালওয়্যার সম্পর্কে এমন তথ্যই জানান সাইবার বিশেষজ্ঞরা। খবর পিসি ম্যাগ।

সাইবার হামলার কারণে বিশ্বব্যাপী প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যয় বাড়ছে। হামলা থেকে গ্রাহক ও নিজেদের তথ্য রক্ষা করতে সাইবার নিরাপত্তা খাতে ব্যয় বৃদ্ধির কোনো বিকল্পও নেই প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে। কিন্তু নিরাপত্তা বাড়াতে যেখানে ব্যয় বাড়ানো হচ্ছে, সেখানে হামলার অনুষঙ্গও উন্নয়ন করছে সাইবার অপরাধীরা। এতে হামলা প্রতিরোধ আরো কষ্টসাধ্য বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আতঙ্কের বিষয় হচ্ছে, সাইবার অপরাধীরা এমন সব অ্যাপের মধ্যে ম্যালওয়্যার যুক্ত করছে, যেগুলো অ্যান্ড্রয়েডের ব্যবহারযোগ্য খুবই পরিচিত অ্যাপ। এ কারণে বিশেষজ্ঞরা সাইবার হামলা থেকে সুরক্ষিত থাকতে অপরিচিত অ্যাপ ডাউনলোড না করার যে পরামর্শ দিয়ে থাকেন, তাও টিকছে না। পরিচিত অ্যাপগুলোয় ম্যালওয়্যার ছড়ানোর কারণে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে।

সাইবার অপরাধীরা র্যানসামওয়্যার নামের বিশেষ ম্যালওয়্যারের উন্নয়ন করছে। র্যানসামওয়্যার বলতে সেসব ক্ষতিকর সফটওয়্যারকেই বোঝায়, যার মাধ্যমে অপরাধীরা গ্রাহকের তথ্য হাতিয়ে নিয়ে অর্থের বিনিময়ে তা আবার গ্রাহককে সরবরাহ করে। এ সফটওয়্যারের মাধ্যমে সাইবার অপরাধীরা বিপুল অর্থ উপার্জন করছে।

বিআইটিএসে সাইবার ও ম্যালওয়্যার বিশেষজ্ঞরা সংশ্লিষ্ট খাতের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ইস্যু, প্রচলন ও হামলা প্রতিরোধে করণীয় নিয়ে আলোচনা করতে একত্র হন। এ সম্মেলনের আয়োজন করে থাকে আইটি সিকিউরিটি কোম্পানি ইসেট। সম্মেলনে সাইবার ও ম্যালওয়্যার বিশেষজ্ঞরা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় উপস্থাপন করেন। ইসেটের পাশাপাশি মাইক্রোসফটসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের বিশেষজ্ঞরাও উপস্থিত থাকেন। এ কারণে একে সাইবার নিরাপত্তা ইস্যুতে গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলন হিসেবেই বিবেচনা করা হয়।

ইসেটের জ্যেষ্ঠ ম্যালওয়্যার গবেষক রবার্ট লিপোস্কি জানান, ম্যালওয়্যার শুধু পিসির জন্যই ক্ষতিকর নয়। সেলফোনের জন্যই এটি বড় ধরনের হুমকি। বিশেষ করে অ্যান্ড্রয়েডের জন্য। তিনি আরো বলেন, ‘ম্যালওয়্যার তৈরিকারকরা এখন আগের তুলনায় অনেক বেশি সৃজনশীল। তারা বিভিন্ন ব্যবস্থায় হামলা চালিয়ে সফল হওয়ায় আরো বেশি উত্সাহী হয়ে উঠছে।’

বিআইটিএসে তিনি আরো জানান, ডাবসম্যাশ ও মাইনক্রাফটের মতো অ্যান্ড্রয়েডভিত্তিক গেমগুলোয় অপরাধীরা বিভিন্ন ধরনের ম্যালওয়্যার ছড়াচ্ছে। গেমের মাধ্যমে গ্রাহকরা অজান্তেই এ ধরনের ম্যালওয়্যার ইনস্টল করেছেন প্রায় পাঁচ লাখ বার।

অ্যান্ড্রয়েড ম্যালওয়্যারগুলোর কারণে গ্রাহক নিয়মিতই আক্রান্ত হচ্ছেন। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, র্যানসামওয়্যার ইনস্টলের কারণে গ্রাহকের ফোনের নিয়ন্ত্রণ চলে যাচ্ছে অন্যের হাতে। এছাড়া স্ক্রিন লক হওয়া, তথ্যে প্রবেশ করতে না পারার মতো ঘটনা ঘটছে নিয়মিত। এ সমস্যা থেকে রেহাই পেতে গ্রাহককে ৫০০ ডলার পর্যন্ত অপরাধীকে পরিশোধ করতে হচ্ছে। ম্যালওয়্যারের ধরন সৃজনশীল হওয়ার কারণে একে আটকে রাখা যাচ্ছে না। ফলে আক্রান্তের হার সময়ের সঙ্গে বাড়ছে।

মাইক্রোসফটের ম্যালওয়্যার প্রটেকশন সেন্টারের পরিচালক ডেনিস ব্যাচেলডার ম্যালওয়্যারের ইকোসিস্টেমে চারটি প্রধান অংশ রয়েছে বলে উল্লেখ করেন। এগুলো হচ্ছে, ক্রাইম সিন্ডিকেট, ম্যালওয়্যার সাপ্লাই চেন, অ্যান্টিম্যালওয়্যার ভেন্ডর ও অ্যান্টিম্যালওয়্যার ইকোসিস্টেম। এর মধ্যে ম্যালওয়্যার সাপ্লাই চেন ধ্বংসে মাইক্রোসফট কাজ করে যাচ্ছে বলে জানান তিনি।

ম্যালওয়্যারের অস্তিত্ব যখন থেকে টের পাওয়া গেছে, তার পর থেকেই এ ব্যবস্থার প্রতিরোধে কাজ করে যাচ্ছে মাইক্রোসফট। সাপ্লাই চেন ধ্বংসের পাশাপাশি জড়িতদের আটক ম্যালওয়্যার ছড়ানো প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন তিনি।


Video-games-are-better-for-children-than-television-1094721

 কম্পিউটার গেম খেলতে খেলতেই ছেলেমেয়েদের মধ্যে নানা ধরনের সমস্যার যৌক্তিক সমাধানের অভ্যাসটি গড়ে ওঠে। যেমন: দি ইনক্রেডিবল মেশিন, অ্যাংরি বার্ডস অথবা কাট দ্য রোপ এ ধরনের গেমগুলো শিশুদের সৃজনশীল পদ্ধতিতে সমস্যা সমাধানের জন্য প্রশিক্ষকের ভূমিকা রাখে ।

বাড়ির সামনে বিশাল এক মাঠ, বিকালের মিষ্টি রোদে কাদা মাটি জড়িয়ে শিশুদের খেলাধুলা, উচ্ছ্বাস। ইট-পাথরে ঘেরা শহুরে জীবনে এ দৃশ্য খুব একটা চোখে পড়ে না। এখন তো শিশুদের বিনোদন বলতে টেলিভিশন দেখা আর গেম খেলা। এসবে শিশুরা আসক্ত হয়ে পড়ে ঠিকই। কিন্তু যদি আসক্তি নয় পরিমিত মাত্রায় কম্পিউটার গেম খেলা হয়, তাহলে তাদের কার্যক্ষমতা স্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক জরিপে দেখা গেছে, এমন অনেক গেম আছে যেগুলো খেলতে হলে দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি উঁচুমানের চিন্তাভাবনার প্রয়োজন হয়। এ ধরনের দক্ষতা কিন্তু বিদ্যালয় থেকে অর্জন করা সম্ভব নয়।

কম্পিউটার গেম খেলতে খেলতেই ছেলেমেয়েদের ভেতর নানা ধরনের সমস্যার যৌক্তিক সমাধানের অভ্যাসটি গড়ে ওঠে। যেমন: দি ইনক্রেডিবল মেশিন, অ্যাংরি বার্ডস অথবা কাট দ্য রোপ এ ধরনের গেমগুলো শিশুদের সৃজনশীল পদ্ধতিতে সমস্যা সমাধানের জন্য প্রশিক্ষকের ভূমিকা রাখে। এছাড়া কিছু গেম আছে যেগুলো খেলতে খেলতে শিশুরা পরিকল্পনা করে কোনো কিছু করা, রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট ইত্যাদি বিষয়ে একটা ভালো ধারণা স্বাভাবিকভাবেই পেয়ে যায়। যেমন: সিম সিটি, অ্যাজ অব অ্যাম্পিয়ারস, রেইল রোড টাইকুন, দ্য আমেরিকান প্ল্যানিং অ্যাসোসিয়েশন এ গেমগুলো এমনভাবেই তৈরি হয়েছে। এগুলোর মাধ্যমে ছেলেমেয়েরা বেশ গোছালোভাবে কিছু করার শিক্ষা পেয়ে যায়।

কম্পিউটার গেম শিশুদের কৌশলী হতেও সাহায্য করে। এমনকি বিপজ্জনক মুহূর্তে কীভাবে দ্রুত সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে হবে কিংবা তার আকস্মিক কোনো সমস্যা সমাধান নিতেও শেখায়। এখানেই শেষ নয়, কম্পিউটার গেমগুলো অনেক বড় হয়ে থাকে, যেখানে একটি স্টেজ পার করতে বা মিশন জয় করতে অনেক সময় নিয়ে ধীরস্থিরতার সঙ্গে খেলতে হয়। ফলে তা শিশুর মধ্যে স্থিরতা বৃদ্ধির পাশাপাশি একাগ্রতাও সৃষ্টি করে, যা সে বাস্তব জীবনেও কাজে লাগাতে পারে। কল অব ডিউটি এবং বেটলফিল্ডের মতো কম্পিউটার গেমগুলো সবকিছুর পাশাপাশি ছেলেমেয়েদের স্মৃতিতে অনেক তথ্য ধারণক্ষমতাটুকুও বৃদ্ধির ব্যাপারে সহায়ক ভূমিকা রাখতে সক্ষম। কেননা এসব গেমে সফল হতে ছেলেমেয়েদের অনেক তথ্যই তাদের স্মৃতিতে ধারণ করতে হয়।

তবে কথায় আছে, অতিরিক্ত কোনো কিছুই ভালো নয়। তাই কম্পিউটার গেম খেলার ক্ষেত্রে পরিমিতবোধ জরুরি। এক্ষেত্রে অভিভাবকরা শিশুদের কম্পিউটার গেম খেলার জন্য সময় নির্ধারণ করে দেন, তাহলে তা সন্তানের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। সেসঙ্গে আক্রমণাত্মক গেম খেলা থেকে বিরত রাখা উচিত।



2015-08-20-fitz-b

সম্প্রতি প্রযুক্তি ওয়েবসাইট টেকক্রাঞ্চের দেওয়া এক তথ্য মতে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের মাঝে নতুন একটি সুবিধা পরীক্ষা নিরীক্ষা করে দেখছে। ফেসবুকের নতুন এ সুবিধার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা এখন ইচ্ছে করলে নির্দিষ্ট কিছু সময়ের জন্য তাদের প্রোফাইল পিকচার পরিবর্তন করে নিতে পারবেন। আর সময় ফুরিয়ে গেল স্বয়ংক্রিয় ভাবে আবার আসল প্রোফাইল পিকচারে ফিরে আসবে।

এ বিষয়ে ফেসবুক টেকক্রাঞ্চকে বলে, ‘অনেক সময় ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন কারণ অথবা ইস্যুকে সমর্থন/অসমর্থন করা জন্য, খেলাধুলা চলার সময় বিভিন্ন টিমকে সাপোর্ট করার জন্য অথবা কারো জন্মদিন/বিবাহ বার্ষিকী উপলক্ষে তাদের প্রোফাইল পিকচার পরিবর্তন করে। তাই আমরা এই আইডিয়াটাকে কাজে লাগিয়ে একটা নতুন ফিচার তৈরি করেছি।’

এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা চাইলে তাদের প্রোফাইল পিকচারটিকে নির্দিষ্ট করে ঘণ্টা, দিন অথবা সপ্তাহের জন্য ঠিক করে দিতে পারবেন। ফেসবুকের রিপোর্ট অনুযায়ী আগামী মাস থেকেই প্রত্যেকের অ্যাকাউন্টের সাথে নতুন এই ফিচারটি যুক্ত করা শুরু হবে।


echo4-750x400

কিছুটা চুপিসারেই আরও একটি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠানকে কিনে নিয়েছে মাইক্রোসফট। ডাবল ল্যাবস নামের এই অ্যাপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি ‘ইকো নোটিফিকেশন লকস্ক্রিন’ নামের একটি জনপ্রিয় অ্যাপ তৈরি করেছে।

মাইক্রোসফট এর আগেও একটি লকস্ক্রিন নোটিফিকেশন অ্যাপ তৈরি করেছিল। গত বছর মাইক্রোসফট গ্যারেজ নামের রিসার্চ ডিভিশন ‘মাইক্রোসফট নেক্সট’ নামের একটি লকস্ক্রিন অ্যাপ তৈরি করেছিল। একজন অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারী যেন ফোন আনলক না করেই লকস্ক্রিন থেকে সব নোটিফিকেশন এবং অন্যান্য তথ্য পেতে পারেন, সে ব্যবস্থা ছিল অ্যাপটিতে।

বর্তমানে ইকো লকস্ক্রিন প্লে স্টোরে দারুণ জনপ্রিয় একটি অ্যাপ। এর রিভিউ রয়েছে ৫০ হাজারের বেশি।


375360-google-motorola-mobility

গুগলে চাকরি পেতে পরীক্ষায় বেশি জিপিএ থাকতে হবে, এ ধারণা করা ঠিক নয়। গুগলে চাকরি পেতে জিপিএ কিংবা পরীক্ষায় খুব ভালো নম্বর পাওয়ার বিষয়টির তেমন কোনো গুরুত্বই নেই। কারণ পরীক্ষার ফল দেখে কারও সম্পর্কে ধারণা করা যায় না—এ কথাগুলো নিউইয়র্ক টাইমসকে এক সাক্ষাত্কারে জানিয়েছেন গুগলের মানবসম্পদ বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট লাজলো বক।

লাজলোর মতে, ধীরে ধীরে প্রচলিত শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় বা কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রি ছাড়া গুগলকর্মীর সংখ্যা বাড়ছে। গুগলের কিছু কিছু টিমে ১৪ শতাংশ কর্মীর প্রাতিষ্ঠানিক কোনো ডিগ্রি নেই। এ অবস্থায় অনেকেই জিজ্ঞাসা করেন গুগলের মতো প্রতিষ্ঠানে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার গুরুত্ব না থাকলে চাকরি মিলবে কীভাবে? এ বিষয়ে লাজলো বকের মুখ থেকেই আমরা শুনব গুগলে চাকরি পাওয়ার শর্তগুলো।

‘আমাকে ভুল বুঝবেন না’ লাজলো শুরু করেন এভাবেই। পরীক্ষায় কেউ ভালো ফল করলে বা ভালো গ্রেড পেলে চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা নেই। তবে গুগলে চাকরি পেতে গণিত ও কম্পিউটিং, বিশেষ করে কোড লেখার দক্ষতা জরুরি। যদি কেউ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষায় ভালো গ্রেড অর্জন করে এবং সত্যিকারের দক্ষতা দেখাতে পারে, তারা গুগলে চাকরির জন্য অবশ্যই আবেদন করতে পারে। গণিত আর কোড এ দুটি দক্ষতা চাকরিপ্রার্থীর জন্য একটা বাড়তি সুবিধা করে দিতে পারে। তবে এ দুটির বাইরে গুগলে চাকরি পেতে আরও অনেক দক্ষতাই অর্জন করতে হবে।
google-new-logo

লাজলো বক ব্যাখ্যা করে বলেন, গুগলে চাকরির জন্য পাঁচটি বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হয়। যদি চাকরির পদটি কোনো কারিগরি বিষয় হয়, তবে জোর দেওয়া হয় কোডিং দক্ষতার ওপর। গুগলে চাকরির প্রায় অর্ধেকই অবশ্য কারিগরি শ্রেণীতেই পড়ে। প্রতিটি চাকরির ক্ষেত্রেই যে মূল বিষয়টি বিবেচনায় রাখা হয় তা হচ্ছে সাধারণ জ্ঞানের দক্ষতা। এ বিষয়টিতে আইকিউয়ের সঙ্গে মিলিয়ে ফেলা ঠিক হবে না। এখানে সাধারণ জ্ঞান বলতে বোঝানো হচ্ছে, কোনো বিষয় শেখার দক্ষতা, দ্রুত শেখার ক্ষমতা এবং তা কাজে লাগানোর ক্ষমতা।

এই দক্ষতা হচ্ছে অতিসূক্ষ্ম জিনিসের মধ্যে পার্থক্য করার ক্ষমতা। গুগলে চাকরির জন্য সাক্ষাত্কার নেওয়ার সময় আচরণগত এ বিষয়গুলো খুব ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়।

27042113

লাজলো বক মনে করেন, গুগলে চাকরি পেতে হলে দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হচ্ছে নেতৃত্বগুণ। প্রচলিত নেতৃত্বের পরিবর্তে প্রয়োজনীয় মুহূর্তে সমস্যা সমাধান করার নেতৃত্ব গুণকে গুরুত্ব দেয় গুগল। বক উদাহরণ দিয়ে বলেন, দাবা ক্লাবের আপনি একজন প্রেসিডেন্ট ছিলেন কিংবা বিপণন বিভাগের প্রধান ছিলেন? আপনি কত দ্রুততার সঙ্গে সেই পদে উন্নীত হয়েছেন, গুগল সে বিষয়টি দেখে না; বরং প্রয়োজনের মুহূর্তে আপনার টিমকে আপনি কতটা সমর্থন দিয়েছেন এবং আপনার কাজ কতটা টেনে নিয়েছেন, সেটি দেখে। সমস্যায় পড়লে নেতৃত্ব গুণে সমাধান করার বিষয়টি বিবেচনা করে গুগল। সমস্যা জটিল হলে আপনার ভূমিকা কী হয়, সে বিষয়টিও পর্যবেক্ষণ করে গুগল।

গুগলে চাকরি পেতে গেলে আরও দুটি ভালো গুণ অর্জন করা জরুরি। এর একটি হচ্ছে নম্রতা আর অন্যটি কোনো জিনিসকে দ্রুত নিজের করে নেওয়ার ক্ষমতা। গুগলের মানবসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা লাজলোর মতে, গুগলে উগ্র স্বভাবের মানুষের চাকরি পাওয়া কঠিন। লাজলো বলেন, দায়িত্বজ্ঞানসম্পন্ন হতে হবে এবং প্রতিষ্ঠানের কাজকে নিজের কাজ ভাবতে হবে, নিজের প্রতিষ্ঠান ভাবতে হবে। কোনো কিছুতেই রেগে যাওয়া চলবে না। কোনো কাজ নিজে সমাধান করতে না পারলে ভদ্রভাবে অন্যকে তা ছেড়ে দিতে হবে। অন্যদের ভালো পরামর্শগুলো গ্রহণ করতে হবে। গুগল সব সময় কাজের শেষে কী অর্জন করা হলো, সে বিষয়টি দেখে। কীভাবে একত্রে বা দলগতভাবে সমস্যা সমাধান করা যাবে—এ বিষয়টিকেই গুগল গুরুত্ব দেয়।

বক বলেন, গুগলের কর্মীর দায়িত্ব হলো নিজের কাজটুকু ঠিকভাবে করা এবং অন্যের জন্য তার কাজের সুযোগ করে দেওয়া।

story_mind-meld-g2g_image_726x726

গুগলে ভদ্রতা বলতে অন্যকে কাজের সুযোগ করে দেওয়া নয়; বরং এটিকে বলা চলে বুদ্ধিবৃত্তিক নম্রতা। এই নম্রতা বা অন্যকে সম্মান দেখানোর মানসিকতা তৈরি না হলে কর্মীদের পক্ষে নতুন কিছু শেখা সম্ভব নয়। গবেষকদের প্রসঙ্গ টেনে লাজলো বলেন, অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চতর ডিগ্রিধারীদের আধিক্য দেখা যায়। অধিকাংশ সফল ও মেধাবীর ক্ষেত্রে ব্যর্থতার হার খুব কম থাকে, তাই তারা ব্যর্থতার থেকে কীভাবে শিক্ষা নিতে হয়, সেই বিষয়টিই শিখতে পারে না।

শিক্ষাক্ষেত্রে যাঁরা অধিকতর ভালো ফল নিয়ে গুগলে চাকরির জন্য আসেন, তাঁরা অনেকেই নিজের গুণের পরিচয় দিতে ভুল করে বসেন। যখন তাঁদের কাছ থেকে ভালো কিছু ফল পাওয়া যায়, তাঁরা গর্ব করে বলে বসেন, আমি অসাধারণ বলেই এটি সম্ভব হয়েছে। কিন্তু আবার যখন তাঁরা খারাপ করেন, কিছুতেই এর দায় নিতে চান না—এ কথা বলেন লাজলো বক।

গুগলে চাকরি পাওয়ার জন্য যেসব পরীক্ষায় অধিকতর ভালো ফলাফল করা প্রার্থীরা আবেদন করেন, তাঁরা নিজেদের যোগ্যতা নিয়ে অহেতুক তর্ক করেন। তাঁরা নিজেদের যুক্তি থেকে একচুল নড়তে চান না। তাঁরা একধরনের গোঁড়ামি করেন। তাঁদের সামনে নতুন তথ্য উপস্থাপন করা হলে তখন তাঁরা হয়তো মেনে নেন। তাই গুগলে চাকরি পেতে হলে একজন মানুষের মধ্যে প্রয়োজনে ছোট হওয়া বা প্রয়োজনে বড় হওয়া দুটি গুণই থাকতে হবে।

story_best-place-to-work-japan_image_726x726

লাজলো বক বলেন, গুগলে চাকরি পাওয়ার জন্য আরেকটি দক্ষতা  থাকতে হবে আর তা হচ্ছে—কোনো কাজের ওপর ন্যূনতম অভিজ্ঞতা। ন্যূনতম অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কাউকে কাজে নেওয়া হলে তাঁর শেখার আগ্রহ, যোগাযোগ দক্ষতা, নেতৃত্ব দেওয়ার আগ্রহ থাকে।

বকের কথার সংক্ষেপ করলে দেখা যাবে, মানুষের মেধা বিভিন্ন ধরনের হতে পারে এবং এই মেধাকে প্রচলিত ধারার বাইরেও নানাভাবে কাজে লাগানো যেতে পারে। তাই চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠান ও নিয়োগকারী হিসেবে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাকে শুধু নামকরা কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে চেয়ে থাকলেই হবে না। কারণ, স্কুল থেকে ঝরে পড়া অনেক মানুষই তাঁদের পথ খুঁজে নিয়ে বিশ্বে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। যদিও তাঁরা ব্যতিক্রম হিসেবে বিবেচিত হন। এই ব্যতিক্রমী মানুষদেরই আমাদের খুঁজে বের করা উচিত।

বক বলেন, অনেক নামকরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আছে কিন্তু সেখান থেকে তাদের প্রতিশ্রুতি মতো স্নাতকদের বের করতে পারে না। তারা জীবনের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো শিক্ষা দিতে ব্যর্থ হয়। এটা মানুষের কৈশরকেই কেবল বিলম্বিত করে।

গুগল যে কাজটি করে তা হচ্ছে প্রচলিত জিপিএ বা প্রচলিত শিক্ষার বাইরের মেধাগুলোকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করে। যদিও অধিকাংশ তরুণ এখন স্কুল-কলেজের শিক্ষা নিতে যাচ্ছেন, তার পরও তাঁদের প্রচলিত শিক্ষার পাশাপাশি ভবিষ্যতে ক্যারিয়ার গড়তে যে বিষয়গুলো কাজে লাগবে তা শেখাটাই মূল বিষয়।

বক বলেন, আপনি কতটুকু জানেন এবং আপনার জানার পরিধি কাজে লাগিয়ে কী করতে পারেন, বর্তমান বিশ্ব সে বিষয়টিকেই গুরুত্ব দেবে এবং আপনার সেই মেধার মূল্য শোধ করবে।

বর্তমান উদ্ভাবনী বিশ্বে নেতৃত্ব, নম্রতা, সহযোগিতা ও সহজে গ্রহণ করা, শিখতে ভালো এবং বারবার শিখতে চাওয়ার মতো দক্ষতাগুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। আর এ বিষয়গুলো শুধু গুগলে চাকরি পেতেই নয়, যেখানেই কাজ করতে যান না কেন সেখানেই কাজে লাগবে।

২০১১ সালের দিকে ইসরায়েলি মোবাইল কোম্পানি Modu থেকে মডিউলার স্মার্টফোনের কনসেপ্ট কেনার পর ২০১৩ সালের ১লা এপ্রিল থেকে ঐ প্রোজেক্টের উপর কাজ শুরু করে গুগল।

পরবর্তীতে গুগল তাদের এই প্রোজেক্টের নাম দেয় প্রোজেক্ট এআরএ। এই প্রোজেক্ট বাস্তবায়ন হলে ব্যবহারকারীরা তাদের স্মার্টফোনটিকে ইচ্ছেমত কাস্টমাইজ করতে পারবে। ক্যামেরা, প্রসেসর, ব্যাটারি, স্টোরেজ এবং স্মার্টফোনের অন্যান্য সব কম্পোনেন্ট মডিউলের মাধ্যমে পরিবর্তন করে নেয়া যাবে। যেমনটা আমরা আমাদের কম্পিউটারের সাথে করে থাকি।

পরিকল্পনা অনুযায়ী এবছরের শেষের দিকে ল্যাটিন অ্যামেরিকার পুয়ের্তো রিকায় প্রোজেক্টটি উন্মুক্ত করার কথা থাকলেও গেল সপ্তাহে এক টুইটে বলা হয়, ‘কোম্পানি প্রোজেক্টটি নিয়ে এখনও কিছুটা ব্যস্ত সময় পার করছে এবং পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রোজেক্টটি আর ল্যাটিন আমেরিকায় উন্মুক্ত করা হচ্ছে না।’

তবে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী গুগল বেশ কিছু টুইটের মাধ্যমে জানিয়ে দেয় তারা যুক্তরাষ্ট্রে নতুন করে লঞ্চ লোকেশন খুঁজছে। কিন্তু এর পরেই আবার #yeswearelate হ্যাসট্যাগের সাথে একটা প্রশ্নও জুড়ে দেয় “When? 2016″।

যাইহোক, মোবাইলটি কবে আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত করা হবে এ নিয়ে এখনও পর্যন্ত নির্দিষ্ট কোন সময় জানা যায়নি। তবে ২০১৬ সালেই যে উন্মুক্ত হতে যাচ্ছে গুগলের প্রোজেক্ট এআরএ এতে কোন সন্দেহ নেই


‘চরকি ডটকম’ (www.chorki.com) নামে বাংলাদেশের নতুন সার্চ ইঞ্জিন চালু হয়েছে। মূলত নিজের ভাষায় ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের সার্চ ইঞ্জিন সেবা দিতে চালু হয়েছে এই চরকি। স্থানীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান চরকি লিমিটেডের উদ্যোগে চালু হয়েছে এ সার্চ ইঞ্জিন। এর পৃষ্ঠপোষকতায় রয়েছে মালয়েশিয়াভিত্তিক ভিসি মাইন্ড ইনিশিয়েটিভ কোম্পানি। বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে চালু হওয়া এ সার্চ ইঞ্জিনের নানা বিষয় সম্প্রতি এক আয়োজনের মাধ্যমে তুলে ধরেন এর নির্মাতারা।
‘সার্চ বাংলাদেশ’ স্লোগানে চালু হওয়া এ সার্চ ইঞ্জিনে প্রত্যেক পণ্যভিত্তিক আলাদা ফলাফল পাওয়া যাচ্ছে। চরকির সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান কারিগরি কর্মকর্তা রাশেদ মোসলেম প্রথম আলোকে জানান, চরকি প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে এই সার্চ ইঞ্জিনকে আরো উন্নত করতে। বর্তমানে দুই লাখের বেশি পণ্য চরকির প্রোডাক্ট সার্চ ইঞ্জিনে পাওয়া যাচ্ছে।
পাশাপাশি প্রায় ১৫০টি ই-কমার্স ওয়েবসাইট থেকে পণ্য পাওয়া যাচ্ছে চরকি সার্চ ইঞ্জিনে। বাংলা ও ইংরেজি শব্দের মধ্যে পার্থক্য দূর করতে দুই ভাষার জন্য একই ফলাফল দেখানোর পাশাপাশি সংবাদ খোঁজার ক্ষেত্রে ৩০টির বেশি সংবাদভিত্তিক ওয়েবসাইট থেকে প্রায় চার লাখ সংবাদ ও নিবন্ধ এখন চরকি সার্চ ইঞ্জিনে পাওয়া যাচ্ছে এবং এই সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে বলে জানিয়েছেন চরকির সদস্যরা। এখন ইন্টারনেটে চরকি ডটকমের পরীক্ষামূলক সংস্করণ ব্যবহার করা যাচ্ছে।
এর আগে দেশে প্রথমবারের মতো পিপীলিকা ডটকম (www.pipilika.com) নামের একটি সার্চ ইঞ্জিন চালু হয়।

বর্ষাকাল তো বটেই, অন্য সময়েও কিন্তু বিভিন্নভাবে সাধের মোবাইল ফোনটি পানিতে ভিজে যেতে পারে। দামি স্মার্টফোন পানিরোধি হলেও অধিকাংশ স্মার্টফোন কিংবা ফিচার ফোনেই এই সুবিধা নেই। আর তাই একবার পানিতে ভিজলে ফোনটির ভেতর পানি প্রবেশের সম্ভাবনাও প্রবল।

তবে পানিতে ভিজে গেলে দ্রুতই যদি কিছু ব্যবস্থা নেওয়া যায়, তাহলে সাধের মোবাইল ফোনটিকে অকেজো হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব। কী সেগুলো? চলুন দেখে নেওয়া যাক-

১. ফোন বন্ধ করুন: 

স্মার্টফোনই হোক আর ফিচার ফোনই হোক, পানিতে ভিজে গেলে প্রথমেই ফোনটি বন্ধ করে ফেলুন। এর কারণ হলো ফোন চালু থাকলে এর ভেতরের সার্কিটগুলো সক্রিয় থাকে যার মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ চলাচল করে। তবে সেখানে পানি প্রবেশ করলে শর্ট সার্কিট হয়ে পুরো মাদারবোর্ড নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশংকা থাকে। আর এরকমটি হলে ফোনটি একেবারেই অচল হয়ে যাবে। তবে ফোনের ডিসপ্লে বন্ধ থাকা অবস্থায় যদি পানিতে ভিজে যায়, তাহলে পানি থেকে সরিয়ে প্রথমেই পাওয়ার বাটন চেপে ডিসপ্লে অন করুন এবং এরপর ফোন বন্ধ করুন।

২. বাতাসে শুকাতে দিন: 

ফোনের ব্যাটারি অপসারণযোগ্য হলে ব্যাটারিটি খুলে ফেলুন। এরপর ফোনটি বাতাসে শুকাতে দিন। সিম কার্ড কিংবা মাইক্রোএসডি কার্ড থাকলে তাও খুলে ফেলুন। অন্যান্য কাভার কিংবা ব্যাকপার্টটিও সরিয়ে নিন যাতে করে ফোনে বাতাস প্রবেশ করতে পারে।

৩. ড্রায়ার ব্যবহার করে শুকাবেন না: 

ফোনের ভেতরটা দ্রুত শুকাতে ড্রায়ার ব্যবহার করবেন না। এতে করে ড্রায়ারের গরম বাতাসে ভেতরর কমপোনেন্ট ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

৪. চাল এবং সিলিকা ব্যবহার করুন: 

জলীয় পদার্থ শুষে নিতে চাল এবং সিলিকা জেল দারুণ কার্যকরী। তাই আপনার আর্দ্র ফোনটি এক বাটি চালের ভেতর গুঁজে রাখতে পারেন। এতে করে ফোনের ভেতরে থাকা পানি চাল শুষে নেবে। আর ভেতরে একেবারেই পানি থাকবে না। চালের পাশাপাশি চাইলে সিলিকা জেলও ব্যবহার করতে পারেন। চালের তুলনায় এটি এটি একটু বেশি কার্যকরী। উভয়ক্ষেত্রেই ভাল ফল পেতে চাইলে ২-৩ দিন ধরে চাল কিংবা সিলিকা জেলের মধ্যে ফোনটিকে রাখতে হবে।

৫. ফোন চালু করুন: 

ফোনের ভেতরের কোন কমপোনেন্ট যদি ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, তাহলে এবার আপনার ফোনটি চালু হবে। আর যদি চালু না হয়, সেক্ষেত্রে ফোনটি সার্ভিসিংয়ের মাধ্যমে ঠিক করা যেতে পারে।


ইন্টারনেটে দ্রুত কাজ করার মাধ্যমে সময় বাঁচানোর কিছু কৌশল মেনে চলেন অভিজ্ঞরা। মাত্র একটি কমান্ড দিয়ে কয়েকটি কমান্ডের কাজ করে ফেলা যায়।
জেনে নিন এমন কয়েকটি কৌশল….
  • সর্বশেষ ট্যাব দেখা

অনেক সময় ভুলক্রমে সর্বশেষ ব্যবহার করা ট্যাবটি বন্ধ হয়ে যায়। সেটি আবার ওপেন করতে ব্রাউজারের সেটিংসে গিয়ে হিস্টোরি অপশনে যেতে হয়। তবে কিবোর্ডে শুধু ‘Ctrl+Shift+T’ চাপলেই সর্বশেষ চালু করা ট্যাবটি ফিরে আসবে।
  • দ্রুত ইউআরএল লেখা

কোনো ওয়েবসাইট ভিজিট করলে হলে ব্রাউজারে ইউআরএলটি লিখতে হয়। যেমন : www.anabizblog.blogspot.com। তবে সময় বাঁচাতে শুধু anabizblog.blogspot লিখে Ctrl+Enter চাপলেই হবে। খুলে যাবে আপনার কাঙ্খিত সাইটটি।
  • নতুট ট্যাবে লিংক চালু

ইন্টারনাল লিংকযুক্ত কোনো সাইট আলাদা ট্যাবে চালু করতে সাধারণ মাউসের রাইট বাটনে ক্লিক করে ‘open link new tab’ অপশনটিতে ক্লিক করতে হয়। তবে মাউস ক্লিকের ঝামেলা থেকে মুক্তি পেতে যে কোনো লিংক নতুন ট্যাবে ওপেন করতে চাইলে ‘Ctrl’ চেপে লিংকটিতে ক্লিক করলেই হবে।
  • গোপনে ব্রাউজিং

গোপনে ব্রাউজিং করতে চাইলে ব্রাউজারের রয়েছে প্রাইভেট ব্রাউজিং সুবিধা। এ জন্য আলাদাভাবে সেটিং মুডে না গিয়ে শুধু Ctrl+Shift+N চাপলেই হবে।


তথ্য সংরক্ষণে বিকল্পের ব্যবহার বাড়ছে। নিজস্ব ডিভাইসে সংরক্ষণ ছাড়াও অনলাইন স্টোরেজ মাধ্যমগুলোর দিকে ঝুঁকছেন অনেকে। এ কারণে ক্লাউড নির্ভরতা যেমন বাড়ছে, তেমনি তা জনপ্রিয় হচ্ছে।

ক্লাউড সেবার জন্য এখন সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় ড্রপবক্স। এর জনপ্রিয়তা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। সম্প্রতি ৩০ কোটি ব্যবহারকারীর মাইলফলক স্পর্শ করেছে ক্লাউডভিত্তিক ফাইল স্টোরেজ সেবা ড্রপবক্স।

সহজ এবং সাবলীল ফিচারের কারণে অনেকেই ড্রপবক্স ব্যবহারের দিকে ঝুঁকছেন। তবে এখনও অনেক ইন্টারনেট ব্যবহারকারী এটির নাম শুনলেও এর ব্যবহার বিধি ও খোলার নিয়ম কানুন সম্পর্কে অবহিত নন। তাদের জন্য এ টিউটোরিয়াল।




  • ড্রপবক্স কি?

এটি একটি ফাইল হোস্টিং সার্ভিস। ড্রপবক্স ইনকরপোরেশন নামের একটি প্রতিষ্ঠান এটি চালু করেছে। ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (এমআইটি) দুই স্নাতক শিক্ষার্থী ড্রিউ হিউস্টন এবং আরাশ ফেরদৌসী ২০০৭ সালে এটি প্রতিষ্ঠা করেন।

ক্লাউড স্টোরেজ, ফাইল সিনক্রোনাইজেশন এবং ক্লায়েন্ট সফটওয়্যার সার্ভিস দিয়ে থাকে ড্রপবক্স। একজন ব্যবহারকারী তার নিজস্ব কম্পিউটারে একটি নির্দিষ্ট ফোল্ডার তৈরি করেন, যেটি ড্রপবক্সের মাধ্যমে সিনক্রোনাইজড করা হয়, যাতে ওই ব্যবহারকারী পরে ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করে যে স্থান থেকে তা (ফোল্ডারের ভেতরের সব ফাইল বা ডেটা) হুবহু ব্যবহার করতে পারেন।

এ ফোল্ডারে থাকা ফাইলগুলো ওয়েবসাইট কিংবা মোবাইল ফোন অ্যাপ্লিকেশনের সাহায্যেও ব্যবহার করা যায়।

ড্রপবক্সের শেয়ার ফোল্ডার অন্য দশটা ফোল্ডারের মতো যেখানে খুশি রাখা যায়। এ ফোল্ডারে যা রাখা হবে তা ইন্টারনেট সংযোগ থাকলেই অটো আপলোড হয়ে যাবে।




  • একাউন্ট খোলার পদ্ধতি

প্রথমে এ লিংকে এ যেতে হবে। এবার যে পেইজটি ওপেন হবে সেখানে ব্যবহারকারীর প্রথম এবং শেষ নাম, ই-মেইল আইডি এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে ‘create account’ এ ক্লিক করতে হবে। তাহলে একাউন্ট তৈরি হয়ে যাবে।

এরপর ড্যাসবোর্ড প্রদর্শিত হবে। সেখানে প্রথমিকভাবে কয়েকটি কাজ করতে বলা হবে। নির্দেশনা অনুযায়ী এসব কাজ শেষ করলে একাউন্ট চালু হবে এবং বোনাস স্টোরেজ পাওয়া যাবে।

প্রথম অবস্থায় ড্রপবক্স ২ গিগাবাইট স্টোরেজ সুবিধা দিয়ে থাকে। বন্ধুকে রেফারেলের মাধ্যমে পাওয়া যাবে ৫০০ গিগাবাইট পর্যন্ত স্টোরেজ সুবিধা পাওয়া যাবে।


ডেক্সটপ সফটওয়্যারের মাধ্যমে কম্পিউটারে সাধারণ ফোল্ডারের মতো এটি ব্যবহার করা যাবে। সেক্ষেত্রে এ লিংক থেকে ড্রপবক্সের ডেক্সটপ সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে ইন্সটল করে নিতে হবে।

ইন্সটল হওয়ার পরে ড্রপবক্সের ইউজার নাম এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করতে হবে।

  • পাবলিক ফোল্ডারের ব্যবহার

ড্রপবক্স ডেক্সটপে ইন্সটল করার পর পাবলিক নামে একটি ফোল্ডার পাওয়া যাবে। এ ফোল্ডারে যেসব ফাইল রাখবেন তার জন্য আলাদা লিংক কালেক্ট করা যাবে। এরপর লিংকগুলো শেয়ার করতে পারবেন বন্ধু, সহকর্মী বা গ্রাহকদের সঙ্গে।

এ জন্য প্রথমে Public ফোল্ডার একটি ফাইল রাখতে হবে। এরপর ফাইলটির ওপরে রাইট ক্লিক করতে হবে যেখান থেকে Dropbox>Copy Public Link এ ক্লিক করতে হবে। ফাইলটির লিংক কপি হলে তা শেয়ার করা যাবে।

  • শেয়ার পদ্ধতি

মূলত ফাইল শেয়ারের জন্য ড্রপবক্সের জনপ্রিয়তা সবচেয়ে বেশি। খুব সহজে যে কোনো ফাইল শেয়ার করা যায় এটি ব্যবহার করে।

চাইলে ড্রপবক্সের কোনো ফোল্ডার যে কোনো ব্যবহারকারীর কাছে শেয়ার করা যায় ই-মেইল ঠিকানা ব্যবহার করে। এ ছাড়া যে কোনো ফাইল সহজে শেয়ার করা যায়।


মাইক্রোসফট অফিস ২০১০ অফিস স্যুট খুব শক্তিশালী হলেও এ থেকে পুরো সুবিধা আদায় করার জন্য চাই কিছু গোপন কৌশল রপ্ত করা। এখানে উল্লিখিত কৌশলগুলো মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ২০১০-এর আলোকে উপস্থাপন করা হলেও এ কৌশলগুলো উইন্ডোজ ২০০৭-এ যথাযথভাবে কাজ করবে। এ লেখার উল্লিখিত কৌশলগুলো রপ্ত করতে পারলে ওয়ার্ডের ফাংশনালিটি বেড়ে যাবে যথেষ্ট মাত্রায়।

  • বিল্ডিং বস্নকস অ্যাজ রিইউজেবল ডকুমেন্ট পার্টস


মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ২০০৭ চালু করে বিল্ডিং ব্লক ফিচার, যার মাধ্যমে আপনি তৈরি করতে পারবেন স্ট্যান্ডার্ড কাভার পেজ, হেডার ফুটার ও টেবল। এই ফিচারগুলো এখনও আছে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ২০০৭-এর পরবর্তী ভার্সন মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ২০১০-এ। বিল্ডিং ব্লক হলো একটি শক্তিশালী পুনঃব্যবহারযোগ্য অর্থাৎ রিইউজেবল টুল। বিল্ডিং ব্লক তৈরি করার পর আপনি তা যেকোনো নতুন ডকুমেন্টে ইনসার্ট করতে পারবেন। উদাহরণস্বরূপ ব্যক্তিগত ডকুমেন্টের হেডার তৈরি করার জন্য ইনসার্ট ট্যাবে গিয়ে হেডারে ক্লিক করুন। এরপর বেছে নিন Blank for gallery অপশন। হেডারে Confidential টাইপ করুন এবং আপনার পছন্দ অনুযায়ী একে যেকোনোভাবে ফরম্যাট করুন

(যেমন : Ctrl+E চাপুন মাঝ বরাবর সেট করার জন্য। হেডারে টেক্সট কার্সরসহ Ctrl+A চাপুন পুরো হেডার সিলেক্ট করার জন্য। এবার Insert ট্যাবে ফিরে আসুন। Header-এ ক্লিক করুন এবং এরপর গ্যালারির নিচে Save Selection to Header Gallery অপশনে ক্লিক করুন।

এবার Create New Building Block ডায়ালগে আপনার হেডারে একটি নাম দিন (উদাহরণস্বরূপ Confidential)। এবার Ok-তে ক্লিক করুন একটি বিল্ডিং ব্লক হিসেবে সেভ করার জন্য। নতুন ডকুমেন্টে হেডার ইনসার্ট করার জন্য ইনসার্ট ট্যাবে ক্লিক করে হেডারে ক্লিক করুন। এরপর স্ক্রলডাউন করে গ্যালারির জেনারেল আইটেম খুঁজে বের করুন এবং আপনার হেডারে যে নামে সেভ করেছেন, ধরুন Confidential। যখন ওয়ার্ড থেকে বের হয়ে আসবেন,

তখন আপনাকে প্রম্পট করা হবে পরিবর্তনগুলো সেভ করার জন্য, যাতে বিশেষ উদ্দেশ্যে ওয়ার্ড ফাইল আপনার বিল্ডিং ব্লক ধারণ করে, BuildingBlocks.dotx যাতে ভবিষ্যতে ওয়ার্ড সেশনে নতুন বিল্ডিং ব্লকে আবার ব্যবহার করতে পারেন।

  • ওয়ার্ডের ডিফল্ট ডকুমেন্ট এডিট ও ব্যাকআপ করা


এই সেকশনের টেমপ্লেট মেনি (Template Many) টিপস আপনাকে ডিফল্ট টেমপ্লেট (Normal.dotm) এডিট করতে বলবে, যা ওয়ার্ড ব্যবহার করে নতুন ডকুমেন্টের ফরম্যাটিং নির্দিষ্ট করার জন্য। এই কাজ শুরু করার আগে উইন্ডোজ অপশনকে বন্ধ করে নিন, যা বেশিরভাগ ফাইল নেম এক্সটেনশন হাইট করে, যেমন .dotm এক্সটেনশন। এই কাজটি ভিস্তা ও উইন্ডোজ ৭-এ করার জন্য স্টার্ট মেনুর ফোল্ডার অপশনে এন্টার করুন। এবার ফোল্ডার অপশনের অ্যাপলেট ওপেন করে ভিউ ট্যাবে Hideextentions for knownfile types চেকবক্স অপসারণ করে ঙশ করুন। এরপর ওয়ার্ড ফাইল মেনু থেকে ওপেন বেছে নিন।

এরপর উইন্ডোজ ভার্সনের ওপর ভিত্তি করে হয় মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে ক্লিক করে টেমপেস্নটে ক্লিক করুন অথবা ট্রাসটেড টেমপ্লেট ক্লিক করুন। এর ফলে একটি ফাইলে লিস্ট ওপেন হবে, যেখানে সম্পৃক্ত থাকবে Normal.dotm ফাইল। অন্য কোনো কিছু করার আগে Normal.dotm-এর একটি ব্যাকআপ কপি তৈরি করে নিন। প্রথমে ফাইলটিকে হাইলাইট করে Ctrl+C চাপুন কপি করার জন্য। এরপর Ctrl+V চাপুন একই ফোল্ডারে পেস্ট করার জন্য।

নতুনভাবে কপি করা ফাইলের নাম হবে Copy of Normal.dotm, তবে আপনি ইচ্ছে করলে ব্যাকআপ কপির যেকোনো নাম দিয়ে রিনেম করতে পারেন। যেখানে এক্সটেনশন হিসেবে .dotm থাকবে। যেমন : My customized.Normal.dotm। যখন ব্যাকআপ তৈরি হয়ে যাবে তখন এই ফাইল ওপেন করে এডিট করার জন্য Normat.dotm-এ ক্লিক করুন।

  • ডিফল্ট হেডার বা ডিফল্ট পেজ নাম্বার করা


আপনি চাচ্ছেন ওয়ার্ড, আপনার সব ডকুমেন্টে বাই-ডিফল্ট পেজ নাম্বার সম্পৃক্ত করবে। কিন্তু কীভাবে করতে হবে এ কাজটি ওয়ার্ড তা জানে না। তবে এ লেখার ২নং টিপ খেয়াল করলে বুঝতে পারবেন এ কাজটি মোটেও জটিল কিছু নয়। আপনার ডিফল্ট টেমপ্লেট ওপেন করুন Normal.dotm আগের টিপ অনুযায়ী। এরপর ইনসার্ট ট্যাবে গিয়ে বেছে নিন পেজ নাম্বার। এবার লোকেশন ও পেজ নাম্বারের ফরম্যাট বেছে নিন। এরপর Normal.dotm সেভ করে বন্ধ করুন। এর ফলে প্রতিটি নতুন ডকুমেন্টে আপনার নির্দিষ্ট করা পেজ নাম্বার ব্যবহার করবে। তবে আপনি যদি প্রথম পেজে পেজ নাম্বার বসাতে না চান কিংবা ভিন্ন লোকেশনে পেজ নাম্বার বসাতে চান, তাহলে পরবর্তী টিপ বা কৌশল অনুসরণ করুন।

  • ডিফল্ট পেজ নাম্বারিং যা দ্বিতীয় পেজ থেকে শুরু হবে


আগের টিপ অনুসরণ করে ওয়ার্ডে ডিফল্ট পেজ নাম্বারিং সেট করার পর এই কৌশল চধমব Use-এ ব্যবহার করা যায়। ধরুন, আপনি সিদ্ধামত্ম নিয়েছেন ডকুমেন্টের প্রথম পেজে পেজ নাম্বার বসবে না অর্থাৎ আবির্ভূত হবে না, তবে দ্বিতীয় পেজে পেজ নাম্বার আবির্ভূত হবে। এমন কাজ করার জন্য Normal.dotm ওপেন করে পেজ লেআউট ট্যাবে অ্যাক্সেস করুন। এবার পেজ সেটআপ গ্রুপে More Arrow-তে ক্লিক করুন (গ্রুপে নিচের ডান দিকে একটি ডায়াগনাল অ্যারো) পেজ সেটআপ ডায়ালগ ওপেন করার জন্য।

এটি ওপেন হওয়ার পর লেআউট ট্যাবে গিয়ে হেডার অ্যান্ড ফুটারের অন্তর্গত Different First Page-এর পাশে একটি চেকবক্স যুক্ত করুন এবং Ok -তে ক্লিক করুন । সবশেষে Normal.dotm বন্ধ করুন। এরপর যখনই কোনো নতুন ডকুমেন্ট তৈরি করবেন, তখন প্রথম পেজে কোনো পেজ নাম্বার আবির্ভূত হবে না, তবে দ্বিতীয় পেজ থেকে পেজ নাম্বারিং শুরু হবে।

  • বোনাস টিপ : 

যদি আপনি পেজ নাম্বার প্রথম পেজে চান, তবে স্বাভাবিক নাম্বারিং থেকে ভিন্ন পজিশনে পেতে চান, যা আপনি ইতোমধ্যে পরবর্তী সব পেজের জন্য তৈরি করেছেন, তাহলে উপরের ইনস্ট্রাকশন অনুসরণ করুন। তবে পেজ সেটআপ ডায়ালগ বক্সে Ok-তে ক্লিক করার পর। এবার রিবন বারে গিয়ে ইনসার্ট ট্যাবে পেজ নাম্বার বেছে নিয়ে একটি পজিশন পেজ নাম্বারের ফরম্যাট বেছে নিন। এখানে যা বেছে নেবেন তা শুধু প্রতিটি নতুন ডকুমেন্টের প্রথম পেজের প্রয়োগ তথা বাস্তবায়িত হবে।


  • অধিকতর রিডেবল ডিফল্ট ফন্ট


ওয়ার্ড ২০১০-এর ডিফল্ট ফন্ট হলো ক্যালিব্রি (Calibri), যা স্ক্রিনে চমৎকার দেখায়, তবে খুব রিডেবল নয়, কেননা এর Sansarif টাইপ হলো অন্য ওয়ার্ডে। এই টাইপের উপরে ও নিচের লেটারের ছোট হরাইজন্টাল স্ট্রোক নেই, যা চোখ সহনীয়ভাবে পুরো পেজ অবলোকনে সহায়ক হবে। ওয়ার্ডের ডিফল্ট ফন্ট পরিবর্তন করে অধিকতর রিডেবল ও আকর্ষণীয় ফন্ট পাওয়ার জন্য Ctrl+Shift+F চাপুন। এর ফলে ফন্ট ডায়ালগ বক্স ওপেন হবে। এ ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের মতামত হলো ১২ পয়েন্টের প্লাটিনো লাইনো টাইপ ব্যবহার করা। এবার Save as Default-এ ক্লিক করুন এবং All documents based on the Normal.dotm template অপশন বেছে নিয়ে Ok-তে ক্লিক করুন।

আপনি চাইলে অন্যান্য ডিফল্ট সেটিং একইভাবে পরিবর্তন করতে পারবেন, যেভাবে ডিফল্ট ফন্ট পরিবর্তন করে থাকেন। এবার Alt+O চেপে চ চাপুন প্যারাগ্রাফ ডায়ালগ বক্স ওপেন করার জন্য। অথবা হোম ট্যাবে প্যারাগ্রাফ গ্রুপে More Arrow-তে ক্লিক করুন। এবার স্পেসিং এবং অন্যান্য অপশন সেট করার পর Save as Default-এ ক্লিক করুন। এবার পেজ লেআউট ট্যাবে গিয়ে More Arrow-তে ক্লিক করুন পেজ সেটআপ গ্রুপে পেজ সেটআপ ডায়ালগ বক্স ওপেন করার জন্য। এবার মার্জিন ও অন্যান্য পেজ লেআউট সেটিং সেট করে ঝধাব ধং উবভধঁষঃ-এ ক্লিক করুন।

  • ক্যুইক অ্যাক্সেস টুলবারে অটোফরম্যাট কমান্ড রাখা


দীর্ঘদিন ধরে ওয়ার্ড ব্যবহার করলে নিশ্চয় আপনার মনে থাকবে অটোফরম্যাট কমান্ডের কথা, যা এক দারম্নণ সময়সাশ্রয়ী কমান্ড। বিশেষ করে খারাপভাবে ফরম্যাট করা ডকুমেন্ট যেমন : ই-মেইল মেসেজ প্রতিলাইন শেষে প্যারাগ্রাফ ব্রেকসহ কাউকে পাঠাতে ব্যবহার হয় তা সহজে এডিটযোগ্য ওয়ার্ড ডকুমেন্টে পরিণত করা যায়। যখন মাইক্রোসফট অফিস ২০০৭-এর সাথে রিবন ইন্টারফেস চালু করে, তখন অটোফরম্যাট কমান্ড এতে সম্পৃক্ত ছিল না ঠিকই, তবে তা ব্যবহারকারীরা প্রয়োজনে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হন।

আপনি এটিকে ক্যুইক অ্যাক্সেস টুলবারে সম্পৃক্ত করতে পারেন, যা রিবন ট্যাবে উপরে আবির্ভূত হয় ক্যুইক অ্যাক্সেস টুলবারের ডান প্রান্তে ডাউন অ্যারোতে ক্লিক করার পর More Command-এ ক্লিক করে। এবার Choose Commands from-এর অন্তর্গত ড্রপডাউন মেনু থেকে Commands Not in the Rebbon সিলেক্ট করুন। এবার আবির্ভূত লিস্ট থেকে Autofomat-The Add button-Ok-তে ক্লিক করুন। ক্যুইক অ্যাক্সেস টুল বারে অন্য যেকোনো কমান্ড রাখার জন্য একই পদ্ধতি অনুসরণ করুন, যা আপনি দ্রুতগতিতে অ্যাক্সেস করতে চাচ্ছেন।

  • রিভিশন ট্র্যাকিং


ওয়ার্ড ডকুমেন্টে যদি কখনও রিভিশন ট্র্যাকিং ফিচার ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে সম্ভবত আপনি ভুল করতে পারেন আপনার ফাইলে থাকা রিভিশনসহ ডকুমেন্ট সেন্ড করলে এবং সহজেই সবার কাছে দৃশ্যমান হতে পারে যারাই রিভিশনকে ডিসপ্লে করার অপশন সক্রিয় করবে ও পরিবর্তন করবে। ওয়ার্ড ২০১০ চূড়ান্তভাবে যুক্ত করেছে এক সম্মানজনক সেভিং সিকিউরিটি অপশন, যা আপনাকে সতর্ক করবে যখনই রিভিশন সংবলিত তথ্য সেভ বা ডকুমেন্ট প্রিন্ট করবেন অথবা ওয়ার্ড মেনু থেকে যখন ই-মেইল করার চেষ্টা করবেন তখন।

এই সতর্কতাকে সক্রিয় করার জন্য ফাইল মেনুতে গিয়ে Options-Trust Center-এ অ্যাক্সেস করুন। এবার Trust Center Settings-এ ক্লিক করুন। এরপর Privacy Settings-এ ক্লিক করুন এবং Warn before printing saving or sending a file that contains tracked changes or comments অপশনে একটি চেক মার্ক যুক্ত করুন।

ডেস্কটপে ফেসবুকের অটোপ্লে বন্ধ করতে হলে ফেসবুকের সেটিংস থেকে ভিডিও অপশনে যাবেন। এখানে দুটি অপশন পাবেন। দ্বিতীয়টি ভিডিও অটোপ্লে অপশন। এটি ডিফল্ট থাকে। এটি অফ বা অন করতে পারবেন।

অ্যান্ড্রয়েডে তিন লাইন বা হামবার্গার চিহ্নিত সেটিংস মেনুতে যান। সেখানে অ্যাপ সেটিংসে গিয়ে ভিডিও অটো প্লে বন্ধ করে দিতে পারেন।



আইফোনে হ্যামবার্গার বা মোর বাটন থেকে স্ক্রল করে অ্যাকাউন্ট সেটিংসে যান। এখান থেকে ভিডিও অ্যান্ড ফটোজে সিলেক্ট করে এটি বন্ধ করে দিতে পারেন।

আইপ্যাডে মেনু থেকে সেটিংসে গিয়ে ভিডিওতে যান এবং সেখান থেকে অটোপ্লে বন্ধ করার অপশন পাবেন।

যারা উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে তাদের প্রায়ই একটি সাধারন সমস্যায় পড়তে হয়। আর তা হল- শর্টকাট ভাইরাস। এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর ড্রাইভের আইকন কে শর্টকাট দেখায়। পেনড্রাইভ, মেমোরি কার্ড ও ইন্টারনেট থেকে এই ভাইরাস আক্রমন করে থাকে।

এবার দেখা যাক সহজে এই ভাইরাস রিমুভ করার উপায়-

প্রথমে কম্পিউটারের কি-বোর্ড থেকে CTRL+SHIFT+ESC এই তিনটি বাটন একসাথে চেপে ধরতে হবে।

এরপর সেখানে উইন্ডোজ টাস্ক ম্যানেজার উইন্ডো আসবে। এবার সেখান থেকে PROCESS ট্যাবে ক্লিক করতে হবে। সেখান থেকে wscript.exe ফাইলটি সিলেক্ট করতে হবে।

এখন End Process এ ক্লিক করতে হবে।

এবার কম্পিউটারের C:/ ড্রাইভে গিয়ে সার্চ বক্সে wscript লিখে সার্চ দিতে হবে।

সেখানে wscript নামের সব ফাইলগুলো SHIFT+DELETE চেপে ডিলিট করে দিতে হবে।

এরপর RUN এ গিয়ে wscript.exe লিখে ENTER করতে হবে। এবং Stop script after specified number of seconds অপশনে 1 দিয়ে APPLY করতে হবে।
যারা ল্যাপটপে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন, তাঁদের কাছে ভাইরাস এক মূর্তিমান আতঙ্ক। তবে অন্য কারণেও প্রিয় ল্যাপটপ ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারে।ভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে চাই সচেতনতা ও নিয়মিত ল্যাপটপের পরিচর্যা।
বর্তমানে ইন্টারনেটে কিছু ভুয়া অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার আছে, যেগুলো মূলত ভাইরাস। ইন্টারনেট ব্যবহারের সময় হঠাৎ করে হয়তো কোনো বার্তা দেখবেন, আপনার কম্পিউটার ভাইরাসে ভর্তি হয়ে গেছে, এক্ষুনি ভাইরাসগুলো দূর না করলে ভীষণ বিপদ ঘটে যাবে! এমনকি আপনার কোন ড্রাইভে কী কী নামের কতটি ভাইরাস আছে, কোন ড্রাইভের কত শতাংশ জায়গা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে, তা-ও নির্দিষ্ট করে দেখিয়ে দেবে এসব বার্তা।
ভুলেও এ ধরনের ফাঁদে পা দেবেন না। এই বার্তায় ক্লিক করা মানেই ল্যাপটপের সর্বনাশ ডেকে আনা।
রিমুভাল ড্রাইভ (পেনড্রাইভ, মেমোরি কার্ড, ডেটা কেব্ল, হার্ডডিস্ক ইত্যাদি) দিয়ে তথ্য আদন-প্রদানের সময় ল্যাপটপ সবচেয়ে বেশি ভাইরাসের কবলে পড়ে। এসব ল্যাপটপে প্রবেশ করালে অবশ্যই অ্যান্টিভাইরাস দিয়ে স্ক্যান করে নিতে হবে।
অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার কম্পিউটারে ইনস্টল করাই শেষকাজ নয়।নিয়মিত অ্যান্টিভাইরাস হাল নাগাদ করে নিতে হবে।
রিমুভাল ডিস্ক কখনো ফোল্ডারের মতো দুই ক্লিকে খুলবেন না, এতে ভাইরাস ছড়াতে পারে। ডান ক্লিক করে ফোল্ডার অপশনে ক্লিক করে খুলবেন।
রিমুভাল ডিস্ক কম্পিউটার থেকে বিচ্ছিন্ন করার সময় সব সময় ইজেক্ট ডিস্কে ক্লিক করতে হবে না।চালু থাকা সব ধরনের ট্যাব বন্ধ করে খুলে ফেলুন।
আমরা অনেকে ভাইরাস থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য মনে করি দু-তিনটি অ্যান্টিভাইরাস ইনস্টল করে রাখলে মনে হয় রক্ষা পাওয়া যাবে, এটি একদম ভুল ধারণা। একটির বেশি অ্যান্টিভাইরাস ইনস্টল করবেন না।এতে কম্পিউটার ধীর গতির হয়ে থাকে।
অযথা সফটওয়্যার ইনস্টল করা থেকে বিরত থাকুন। মনে রাখবেন, সফটওয়্যারের সঙ্গে ভাইরাস আপনার কম্পিউটারে প্রবেশ করতে পারে।
ল্যাপটপের ব্লু-টুথ সক্রিয় রাখবেন না। কাজ শেষে ব্লু-টুথ অবশ্যই বন্ধ রাখবেন।
সার্ভারে যুক্ত এমন ল্যাপটপে সব ধরনের কাজ করবেন না, তাহলে ভাইরাসের আক্রমণের শিকার হতে পারেন। দরকার হলে একটি ভালো লাইসেন্সপ্রাপ্ত অ্যান্টিভাইরাস ইনস্টল করে নেবেন এবং নিয়মিত নেট থেকে হালনাগাদ করে নিন। অটো আপডেট সুবিধা এনাবল (সক্রিয়) করে রাখবেন।
রানে গিয়ে টেম্প ফাইলগুলো মুছে দিন।অনেক দিন জমা পড়ে থাকলে এগুলোও ভাইরাসে রূপ নিতে পারে। কোনো ফাইল মুছতে না পারলেআনলকার নামের সফটওয়্যার দিয়ে প্রথমেই ফাইলটিকে আনলক করে নিন, তারপর ডিলিট করুন।
ইন্টারনেটে সব ধরনের ওয়েবসাইটে না যাওয়াই ভালো।মেইলের নানান স্প্যামযুক্ত ই-মেইলগুলো খুলবেন না।
অ্যান্টিভাইরাসও মাঝেমধ্যে ভাইরাস হয়ে যায়, যদি আপনি অনেক দিন কম্পিউটার ফেলে রাখেন, ব্যবহার না করেন।
ল্যাপটপে পেনড্রাইভ প্রবেশ করালে অটো প্লে সুবিধা বন্ধ রাখুন।


ভাইরাস ভাইরাস করেই অপারেটিং সিস্টেম দিতে যাবেন না, আগে প্রাথমিক কাজগুলো নিয়মিত করুন, তাহলেই হয়ে যাবে।

 সম্ভব হলে মুক্ত অপারেটিং সিস্টেম লিনাক্স ব্যবহার শুরু করুন।


বেশ কিছু অর্থ খরচ করে শখের জিনিসটি কিনতে গেলে নানা দোটানায় পড়তে হয়। এটা ভালো হবে তো, নাকি ওটা? এমন আরো অনেক প্রশ্ন। এ যুগে অতিপ্রিয় মোবাইল ফোনসেট কেনার সময় তো চিন্তার শেষ নেই। তাই আপনাদের মস্তিষ্কের চাপ কিছুটা কমিয়ে দিতে মোবাইল ফোনসেট কেনার ১৯টি টিপস দেওয়া হলো।

১. ডিজাইন নিয়ে একটু চিন্তা করুন

স্মার্ট ফোনের ক্ষেত্রে ডিজাইনটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এ বিষয়ে কারো কাছ থেকে পরামর্শ নেওয়ার কিছু নেই। এটা একান্ত নিজের রুচির ব্যাপার। বাজারের সব স্মার্ট ফোনের নজরকাড়া ডিজাইন রয়েছে। আবার বিভিন্ন কেস রয়েছে ফোনটিকে আরো আকর্ষণীয় করার জন্য। কাজেই নিজের ব্যক্তিগত চাহিদা এবং রুচি অনুযায়ী ডিজাইন পছন্দ করাই ভালো।

২. ওজন এবং অনুভূতি

মোবাইল ফোনসেটের এ বৈশিষ্ট্য নিয়ে কেউ তেমন মাথা ঘামায় না। অনেক ফোন আছে যা পকেটে থাকলে আপনি বুঝতেই পারবেন না যে কিছু একটা রয়েছে। মোবাইল ফোনসেট যত বড় হয় সাধারণত এর ওজনও তত বেশি হয়। তবে এসব দেখার আগে খেয়াল করবেন ফোনসেটে ব্যাটারি লাগানো রয়েছে কি না। কারণ ব্যাটারির ওজনটিও বেশ হয়।

৩. পর্দার আকারটিই সবকিছু নয়

স্ক্রিনের আকারটি সবাই দেখেন নতুন মোবাইল কেনার সময়। এখন বড় স্ক্রিনের মোবাইল বেশি জনপ্রিয়। তবে সহজে বহন করতে চাইলে ছোট পর্দার মোবাইল নেওয়া উচিত। চার ইঞ্চি বা সাড়ে চার ইঞ্চি বা পাঁচ ইঞ্চি পর্দার মোবাইল ফোনেরও বেশ চাহিদা রয়েছে।

৪. ডিসপ্লের গুণগত মান

পর্দার গুণগত মান অনেক প্রয়োজনীয় বিষয়। সবচেয়ে ভালো মানের ডিসপ্লে ১০৮০পি (১৯২০ x ১০৮০ পিক্সেলস)। তবে এই ডিসপ্লেযুক্ত ফোনের দামটিও বেশ চড়া হবে। খেয়াল করে দেখতে হবে ভিন্ন ভিন্ন কোণ থেকে দেখলে ছবি পরিষ্কার দেখা যায় কি না। সাধারণ মানের মোবাইলের ডিসপ্লে ৭২০পি-এর কম হয়ে থাকে।

৫. অপারেটিং সিস্টেম

মৌলিক কয়েকটি অপারেটিং সিস্টেম রয়েছে। অ্যান্ড্রয়েড এখনকার সবচেয়ে জনপ্রিয় সিস্টেম। এদিকে আইফোনের রয়েছে আইওএস যার সাম্প্রতিকতম সংস্করণ হলো আইওএস ৭। আবার উইন্ডোজ অপারেটিংয়ের ভক্তের সংখ্যাও নেহায়েতই কম নয়। পছন্দেরটি বেছে নিন। কারণ অপারেটিং সিস্টেমের ওপর ভিত্তি করেই গোটা ফোনের সব কার্যক্রম নির্ধারিত হয়।

৬. থ্রি-জি নাকি ফোর-জি

আমাদের দেশে সবেমাত্র থ্রি-জি কানেকশন চালু হয়েছে। ডাটা কানেকশনের গতি নির্ভর করে এর ওপর। আরো দ্রুত কানেকশন দেয় ফোর-জি। এ যুগের স্মার্ট ফোনের জন্য থ্রি-জি কানেকশন নিতে পারে এমন মোবাইল বেশি ভালো।

৭. ব্যাটারির শক্তি

ব্যাটারির শক্তি নির্ধারিত হয় মোবাইল ফোনটি কেমন তার ওপর ভিত্তি করে। তবে বড় মাপের স্ক্রিনের মোবাইল বেশি ব্যাটারি শক্তি ক্ষয় করে। তাই শক্তিশালী ব্যাটারি প্রয়োজন হবে মোবাইলটি অনেক সময় ধরে চালু রাখার জন্য। এখন ৩০০০ এমএএইচ সবচেয়ে বেশি শক্তির ব্যাটারি হিসেবে বাজারে চালু রয়েছে।

৮. সফটওয়্যার আপডেট রাখা

ফোনের সফটওয়্যার প্রতিনিয়ত আপডেট হচ্ছে। আপনিও যদি নিজের ফোনের সফটওয়্যারগুলো আপডেট রাখেন তাহলে যন্ত্রটি সুন্দরমতো কাজ করবে। নয়তো নানা ভেজাল করবে যেকোনো কাজ করতে। নতুন কোনো অ্যাপস সাপোর্ট করবে না এবং ফোনটি ধীরগতির হয়ে যাবে।

৯. ২ জিবি র‌্যাম নেওয়ার চেষ্টা করুন

ফোনের কার্যক্রমে দ্রুততা দেবে র‌্যাম। ফোন কিনতে বেশ কিছু অর্থ ব্যয় করলে এক জিবি র‌্যামই যথেষ্ট। তবে অল্প কিছু অর্থযোগে বা পছন্দ পরিবর্তনে ২ জিবির ব্যবস্থা করা গেলে অনেক ভালো। আধুনিক মোবাইলগুলো ৩ জিবি পর্যন্ত র‌্যাম নিয়ে বাজারে আসছে।

১০. ক্যামেরা রেজ্যুলেশন অতি দরকারি নয়

ক্যামেরা রেজ্যুলেশনটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর মধ্যে একটিও নয়। কারণ ভালো মানের ছবি তোলার কাজ ক্যামেরার, মোবাইল ফোনের নয়। বেশি রেজ্যুলেশনের মোবাইল ক্যামেরার ছবি কিছুটা ভালো আসে। কিন্তু তা ক্যামেরার মতো নয়। তাই অন্য বিষয় বাদ দিয়ে ফোনে ক্যামেরা রেজ্যুলেন বেশি খোঁজাটা বোকামি।

১১. শক্তপোক্ত ফোন

স্মার্ট ফোনের জন্য তা কতটা শক্তপোক্ত তা জরুরি বিষয়। তা ছাড়া পর্দাতে সহজে দাগ যেন না পড়ে সে জন্য স্ক্র্যাচ রেজিস্ট্যান্ট গ্লাস রয়েছে অনেক ফোনে। হাত থেকে পড়ে গেলেই ভেঙে বা ফেটে যাবে না, অন্তত তেমন তো হতে হবে ফোনটিকে।

১২. ব্লু টুথ বেশ জরুরি

যাই কিনুন, দেখে নিন ব্লু টুথ রয়েছে কি না। এটি একটি দারুণ জিনিস। ব্লু টুথ ছাড়া অন্য কোনো মোবাইলের সঙ্গে আপনি কিছুই লেনদেন করতে পারবেন না। এখনকার দামি সব ফোনেই ব্লু টুথ রয়েছে। তবে কমদামি মোবাইল কিনতে গেলে একটু দেখে নিন তা রয়েছে কি না।

১৩. এনএফএস থাকলে ভালো

এনএফএস বা নেয়ার ফিল্ড কমিউনিকেশন বেশ প্রয়োজনীয় বিষয়। অন্য কোনো স্মার্ট ফোন বা ট্যাবের মধ্যে ডাটা আদান-প্রদানের জন্য এনএফএস দরকার হয়। এ ছাড়া আপনার কেনাকাটার জন্য কোনো ডিজিটাল ওয়ালেট অথবা দাম পরিশোধের সাপোর্টেড প্রসেসর থাকলে তার ব্যবহার এনএফএস-যুক্ত মোবাইল সহজ করে দেবে। অ্যাপলের নিজস্ব এনএফএস প্রযুক্তি রয়েছে, যার নাম এয়ারড্রপ।

১৪. ঝামেলাবিহীন চার্জের জন্য ওয়্যারলেস চার্জিং

তার ছাড়া চার্জ দেওয়ার ব্যবস্থা অবশ্য খুব প্রয়োজনীয় কিছু নয়। তবে যেখানে সেখানে প্লাগ পয়েন্ট না থাকার সমস্যায় ওয়্যারলেস চার্জিং সিস্টেম বেশ মজার বিষয়।

১৫. পপুলার রিভিউ ও রেটিং সাইট ব্যবহার করুন

ইন্টারনেট থাকলে নানা সাইটে ঢুঁ মারতেই হয়। তবে ম্যালওয়্যারের আক্রমণ থেকে বাঁচতে পপুলার রিভিউ ও রেটিং সাইটে ঘোরাফেরা করবেন। নইলে বিপদ।

১৬. অ্যাক্সেসরিজ

অ্যাক্সেসরিজ সব মোবাইলের সঙ্গেই দেওয়া হয়। তবে অ্যাক্সেসরিজ দেখে ফোন পছন্দ করার দরকার নেই। স্মার্ট অ্যাক্সেসরিজ বেশ আকর্ষণীয় দেখায়। ভালো মানের ফোনের অ্যাক্সেসরিজও বেশ ভালো হয়।

১৭. দাম

এটা আসল বিষয়। এমনিতেই মোবাইল ফোনসেটের দাম যত বেশি হবে, তার সবকিছুই তত ভালো হবে। তবে মোবাইল ফোনসেট কেনার আগে একই মডেলের অন্য কোনো সংস্করণ খুব শিগগিরই বাজারে আসলে তা থেকে কোনো সুবিধে পান কি না ভেবে নিতে হবে।
 

১৮. কন্ট্রাক্ট ফোন নেওয়ার জন্য


ইউরোপ-আমেরিকাতে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিভিন্ন শর্তের ভিত্তিতে মোবাইল ফোনসেট কেনার ব্যবস্থা রয়েছে। আমাদের দেশেও অপারেটর প্রতিষ্ঠানগুলো এমন অফার দিয়ে থাকে। সে ক্ষেত্রে কোন প্রতিষ্ঠান সবচেয়ে বেশি সুবিধা দিচ্ছে এবং মোবাইলগুলোর মডেলের সঙ্গে দাম ও সুবিধাগুলোর তুলনা করে নিজের পছন্দ অনুযায়ী নেবেন।
 

১৯. অ্যাপ্লিকেশন


মোবাইল ফোনসেটেরর অ্যাপস প্রতিনিয়ত এত বেশি বানানো হচ্ছে যে, পছন্দ করতে গেলে আপনার মাথা খারাপ হওয়ার জোগাড় হবে। ইচ্ছামতো অ্যাপস ডাউন লোড করে ব্যবহার করুন। শুধু একটি বিষয় নজরে রাখবেন। মোবাইল ফোনসেটটি যেসব অ্যাপস সাপোর্ট করে তাই ব্যবহার করুন। আর যেসব অ্যাপস আপনার মোবাইলের জন্য নয় তা অবশ্যই কাজে লাগানোর চেষ্টা করবেন না। তা ছাড়া মোবাইল ফোনসেট অনুযায়ী আলাদাভাবে অ্যাপসের কালেকশন ইন্টারনেটে দেওয়া থাকে। সেখান থেকেই ফোনটির জন্য অ্যাপস বাছাউ করে নেওয়া উচিত।

আন্তর্জাতিক স্মার্টফোন বাজারে অ্যান্ড্রয়েডের জনপ্রিয়তা দিন দিন বেড়েই চলছে। বর্তমানে প্রায় ৭৯ শতাংশ বাজার দখল করে আছে অ্যান্ড্রয়েড। মূল ইন্টারফেসসহ অপারেটিং সিস্টেমের বিভিন্ন অংশ ব্যবহারকারী তার পছন্দ অনুযায়ী পরিবর্তন করতে পারে। পছন্দের ওয়ালপেপার বেছে নেওয়া, কন্টাক্ট লিস্টের ফোন নম্বরের সঙ্গে ছবি সংযোজন বা প্রয়োজনীয় অ্যাপলিকেশনগুলোর শর্টকাট প্রথম পাতায় নিয়ে আসার মতো বৈশিষ্ট্যগুলো নতুন ব্যবহারকারীদের আকৃষ্ট করছে। অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনের লুকানো কিছু টিপস রয়েছে,যেগুলো অনেক কাজ সহজে করে দেবে।
  • অফলাইন গুগল ম্যাপ


অ্যান্ড্রয়েডের সঙ্গে গুগল ম্যাপস অ্যাপটি ইনস্টল করাই থাকে। এর মাধ্যমে ইন্টারনেট থেকে সরাসরি মানচিত্র দেখা যায়। তবে ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াও মানচিত্র দেখতে চাইলে আগে থেকেই নামিয়ে রাখতে পারেন। ফলে পরবর্তী সময়ে ওই নির্দিষ্ট এলাকার মানচিত্র দেখার সময় নতুন করে আর ম্যাপস নামবে না এবং ইন্টারনেট সংযোগ নেই, এমন জায়গা থেকেও ব্যবহার করা যাবে মানচিত্র।

গুগল ম্যাপস অ্যাপের পুরোনো সংস্করণে Make this map area available offline নামের অপশন পাওয়া যাবে। ম্যাপস অ্যাপের নতুন সংস্করণে এই অপশনটি মূল মেন্যু থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এখন যে অংশের মানচিত্র অফলাইন হিসেবে নামিয়ে রাখা প্রয়োজন, সেই অংশপর্যন্ত জুম (বড় করে দেখা) করে সার্চ বক্সে ‘OK Maps’ লিখলে ম্যাপের ওই ওই অংশটি অফলাইন হিসেবে সংরক্ষিত হবে।


  • দরকার যখন তখন শুধু থ্রিজি


বর্তমানে প্রায় সব মোবাইল ফোন সেবাদাতা থ্রিজি নেটওয়ার্ক সুবিধা চালু করছে। প্রাথমিকভাবে এই সুবিধাটি নির্দিষ্ট এলাকাভিত্তিক দেওয়া হচ্ছে। ফলে ওই নির্দিষ্ট এলাকার বাইরে থ্রিজি সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে না, কিন্তু তার পরও যদি সব সময় থ্রিজি অপশন চালু থাকে, তবে এটি থ্রিজি সংযোগ খুঁজবে, দ্রুত মোবাইলের চার্জ শেষ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সাধারণভাবে মোবাইল নেটওয়ার্ক সেটিংস থেকে শুধু জিএসএম সার্ভিস চালু রাখতে হবে এবং কেবল নির্দিষ্ট সময়ের জন্যই থ্রিজি চালু রাখা উচিত।


  • লকস্ক্রিনে ব্যবহারকারীর তথ্য


সাধারণ নিরাপত্তার জন্য অ্যান্ড্রয়েডে লকস্ক্রিনে অপশনটি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। ব্যক্তিগত পরিচিতি নম্বর (পিন), নিরাপত্তাসংকেত, বিশেষ প্যাটার্নের মাধ্যমে এই লক ব্যবহার করা যায়। তবে ফোনটি যদি কোথাও হারিয়ে ফেলেন এবং যিনি এটি পেয়েছেন, তিনি ওই ব্যবহারকারীকে ফেরত দিতে চাইলেও তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করার কোনো নম্বর দেখতে পারবেন না, কারণ ফোনটি লক করা আছে। অ্যান্ড্রয়েডের ৪.১ এবং এর পরবর্তী সংস্করণগুলোতে লকস্ক্রিনে ব্যবহারকারীর তথ্য লিখে রাখার সুবিধা যোগ করা হয়েছে। Security> Screen security থেকে Owner info সক্রিয় করা যাবে।


  • অভিধানে শব্দ যোগ


নিয়মিত ই-মেইল, এসএমএস লেখার সময় অনেক ক্ষেত্রেই এমন অনেক শব্দ লিখতে হয়, ফোনে থাকা অভিধানে নেই। আবার হয়তো অনেক মানুষের নাম লিখতে হচ্ছে, যেগুলো অভিধানে থাকার সম্ভাবনা নেই। কিন্তু প্রয়োজন হলে এই শব্দগুলো অভিধানে যুক্ত করে দেওয়া যেতে পারে। অভিধানে নেই এমন শব্দগুলোর ওপর দীর্ঘক্ষণ ক্লিক করে রাখলে সেটি অভিধানে যোগ করার অপশন দেখাবে এবং পরবর্তী সময় থেকে ওই শব্দ লেখার সময় অভিধান থেকেই পরামর্শ দেওয়া হবে।


  • কত ডেটা ব্যবহার করা হলো?


মোবাইলে সবাই যে অসীম ইন্টারনেট ব্যবহারের (আনলিমিটেড) প্যাকেজ নেন, এমন নয়। নির্দিষ্ট একটি প্যাকেজ ব্যবহার শুরু করার পর হঠাৎ যদি সেটি শেষ হয়ে যায়, তবে ব্যবহারকারীর জন্য অসুবিধার কারণ হয় দাঁড়ায়। তবে মোবাইলে কী পরিমাণ ডেটা ব্যবহার করা হচ্ছে, সেটি পর্যবেক্ষণ করা এবং নির্দিষ্ট একটি সীমানা অতিক্রম করার পর ব্যবহারকারীকে সতর্কবার্তা দেখানোর অপশন রয়েছে। Settings>My Network>Data usage পাতা থেকে ডেটা ব্যবহার ও মনিটর করা যায় এবং সতর্কবার্তা দেখানোর বিষয়টিও এখানে নির্ধারণ করা যায়। অ্যান্ড্রয়েডের পুরোনো সংস্করণগুলোতে এই অপশনটি নাও থাকতে পারে, সে ক্ষেত্রে গুগল প্লে থেকে ডেটা মনিটর অ্যাপ নামিয়ে নেওয়া যেতে পারে।


  • ফেবারিট কন্টাক্ট


নিয়মিত কাজে লাগে, এমন কন্টাক্টগুলো ফেবারিট হিসেবে সংরক্ষণ করার সুবিধা রয়েছে। ফেবারিট কন্টাক্টগুলো আলাদা একটা গ্রুপ হিসেবে সংরক্ষিত থাকে। প্রয়োজন অনুযায়ী এই কন্টাক্টগুলো হোম স্ক্রিনে দেখানোর সুবিধাও রয়েছে।


  • ক্যামেরা অ্যাপ থেকে কুইক রিভিউ


মোবাইলের ক্যামেরা সেটিংস থেকে কুইক রিভিউ অপশন বন্ধ থাকলেও খুব সহজেই ক্যামেরা অ্যাপ চালু করার পর আগের তোলা ছবিগুলো দেখা যায়। ক্যামেরা অ্যাপ স্ক্রিনের ওপরের বা নিচের কোণে এই প্রিভিউ অপশন থাকে। প্রথমবার ক্লিক করা হলে সর্বশেষ ছবিটি দেখা যাবে এবং এরপর ডানে গেলেআগের ছবিগুলো দেখতে পাওয়া যাবে। একই সঙ্গে একাধিক ছবি দেখার অপশনও রয়েছে এই প্রিভিউ পাতায়।


  • স্ক্রিনশট নেওয়া


অ্যান্ড্রয়েড জেলিবিন এবং পরবর্তী সংস্করণগুলোতে স্ক্রিনশট নেওয়ার সুবিধা আছে। এ জন্য স্ক্রিনলক বাটন এবং ভলিউম ডাউন বাটন একসঙ্গে চাপে ধরে রাখতে হবে, যতক্ষণ পর্যন্ত কোনো স্ক্রিনে কোনো শাটার ক্লিক দেখা যায়। স্ক্রিনশট নেওয়ার পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে এটি গ্যালারির একটি ফোল্ডারে সংরক্ষিত হতে থাকবে।


  • তথ্য সংরক্ষণ


বর্তমানে অ্যান্ড্র্রয়েড ফোনগুলোতে তথ্য রাখার অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থা (ইন্টারনাল স্টোরেজ) থাকে। একই সঙ্গে আলাদা মেমোরি কার্ড ব্যবহারেরও সুবিধা রয়েছে। তাই তথ্য আদান-প্রদানের জন্য এটি পেনড্রাইভের বিকল্প হিসেবেও ব্যবহার করা যেতে পারে।


  • দ্রুত মেসেজ পাঠানো


অ্যান্ড্রয়েড ৪.০ এবং পরবর্তী সংস্করণগুলোতে যখন কোনো কল আসে, তখন ফোন রিসিভ করার অপশনের সঙ্গে এসএমএস পাঠানোর একটি অপশনও দেখানো হয়। এখানে আগে থেকেই লিখে রাখা কিছু বার্তা পাঠানো যায়। হয়তো ব্যবহারকারী সভায় আছেন এবং ওই সময়ে তার ওই ফোন কল ধরা সম্ভব নয়। এমন সময়ে এই বার্তাগুলো ব্যবহার করে দ্রুত জানিয়ে দেওয়া যায়। এই বার্তায় কী লেখা থাকবে, সেটি নির্ধারণ করা যাবে Phone>Settings>Quick Responses অথবা Settings>Call settings>Reject call with message মেন্যু থেকে।



যত্ন করলে রত্ন মেলে—এমন প্রবাদ প্রচলিত আছে। ডিজিটাল ক্যামেরার যত্ন ও ব্যবহারে আলোকচিত্রীর রুচিশীলতাই প্রকাশ পায়। আর এখন তো অনেকের হাতেই ডিজিটাল ক্যামেরা৷ তা অটোফোকাস হোক আর এসএলআরই হোক৷ যত্নটা বেশি লাগে ডিজিটাল এসএলআর (সিঙ্গেল লেন্স রিফ্লেক্ট) ক্যামেরার৷ পেশাদার আলোকচিত্রীরা একাধিক ক্যামেরা, লেন্স, ব্যাগ ও যন্ত্রপাতি ব্যবহার করেন। ফলে তাঁদের বিশেষ যত্ন নিতে হয়। যাঁরা শখের বসে ছবি তোলেন, তাঁদেরও যত্নের ব্যাপারে মনোযোগী হতে হবে।
  • বড় শত্রু পানি

ডিজিটাল ক্যামেরার সবচেয়ে বড় শত্রু পানি। বৃষ্টিতে ভিজে বা পানিতে ডুবে ক্যামেরা দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। ক্যামেরার ভেতরে পানি ঢুকলে এর মাদারবোর্ডে মরিচা পড়ে। পানি ঢোকামাত্র শুকনো কাপড় বা টিস্যু পেপার দিয়ে মোছা উচিত। আইক্যাপ আর ফিতা লাগানোর জায়গা দিয়ে সাধারণত ক্যামেরার ভেতর পানি ঢোকে৷ এই অবস্থায় ক্যামেরার সুইচ অন থাকলে শর্টসার্কিট হতে পারে। তাই সুইপ অফ করে ক্যামেরা হালকা রোদে শুকাতে হবে৷ ক্যামেরা যেহেতু ব্যাটারিচালিত যন্ত্র, তাই পানি ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে ব্যাটারি খুলে ফেলা বুদ্ধিমানের কাজ। সমুদ্রের কাছে ছবি তুলতে গেলে খুবই সাবধানে ক্যামেরা ব্যবহার করতে হবে। লোনা পানি দ্রুতই ক্যামেরার যন্ত্রাংশের ক্ষতি করে৷ তখন মেরামত করেও কাজ হয় না৷

  • এই সময়ে সাবধান!


বর্ষা মৌসুমে বাতাসের আর্দ্রতা েবশি থাকে৷ স্যাঁতসেঁতে পরিবেশের কারণে ক্যামেরা ও লেন্সের ভেতর ছত্রাক বা ফাঙ্গস পড়তে পারে৷ ফাঙ্গাস বেশি পড়লে ছবিতে আলো-ছায়ার বৈপরিত্য বা কন্ট্রাস্ট থাকে না। ছবির তীক্ষ্ণভাব কমে যায়। সঠিক রং পাওয়া যায় না। লেন্সে ছত্রাক পড়ে গেলে তা পরিষ্কার করাতে হবে ভালো কোনো সার্ভিস সেন্টারে৷ ঘষা লেগে অনেক সময় লেন্সের ভেতরে স্থায়ী দাগ (স্ক্র্যাচ) পড়তে পারে। আবার আর্দ্রতার কারণে লেন্সের বিভিন্ন ধাতব অংশেও মরিচা পড়ে। এই মরিচা একে অন্যের সঙ্গে ভাববিনিময় করে। এর ফলে ইলেকট্রিক সার্কিটগুলোর পারস্পরিক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।

  • আঘাত নয়ধুলাবালুও কম নয়


ধুলাবালু ক্যামেরার অন্যতম শত্রু। খোলা জায়গা বা ধুলা ওড়ে এমন জায়গায় লেন্স পরিবর্তন করা ঠিক নয়। লেন্স খোলার কারণে প্রথমে আয়না বা মিরর অংশে ময়লা ঢোকে৷ তারপর শাটার চাপলে সেন্সরে গিয়ে ময়লা জমা হয়। ফলে ছবিতে কালো কালো দাগ পড়ে যেতে পারে। অন্তত চার মাস পর পর সেন্সর পরিষ্কার করা উচিত। লেন্সের সামনে সার্বক্ষণিক ইউভি (অতি বেগুনি রশ্মি) বা এসএল (স্কাইলাইট) ফিল্টার লাগিয়ে রাখা ভালো। ফিল্টার মূলত আলোর ছাঁকনির কাজ করে। ফিল্টার লাগানো থাকলে লেন্সে ধুলাবালু ঢুকতে পারে না। কাজ শেষে লেন্স ক্যাপ লাগানো, আইক্যাপ বন্ধ রাখা এবং লেন্স হুড ব্যবহার কাজেরই অংশ।

  • তাপমাত্রা থাক স্বাভাবিক


স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ক্যামেরা ও যন্ত্রপাতি রাখা উচিত। অতিরিক্ত ঠান্ডা জায়গায় বেশিক্ষণ ক্যামেরা রাখা ঠিক নয়। শীতাতপনিয়ন্ত্রিত ঘরে ক্যামেরা রাখলে লেন্সে জলীয়বাষ্প জমে। ফলে ভিউ ফাইন্ডার দিয়ে কিছু দেখা যায় না, ঝাপসা লাগে। সহজে ফোকাস হতে চায় না। জলীয়বাষ্প না শুকানো পর্যন্ত ছবি তোলা কঠিন। মানুষের সহ্য করার মতো গরম আবহাওয়া ক্যামেরার জন্য তেমন ক্ষতিকর নয়। তাই বলে অতিরিক্ত তাপমাত্রায়ও ক্যামেরা রাখা ঠিক নয়। বৈদ্যুতিক তার, ট্রান্সমিটার ও অগ্নিকাণ্ডের ছবি তোলার সময় নির্দিষ্ট দূরত্ব থেকে তোলা উচিত। আগুনের অতিরিক্ত তাপে লেন্সের প্রলেপ (কোটিং) ফেটে চৌচির হয়ে যেতে পারে। ফলে অপ্রয়োজনে আগুনের কাছে ক্যামেরা বাড়িয়ে ধরা বোকামি। অনেক সময় এটা আত্মঘাতী সিদ্ধান্তও বটে৷

  • মনিটরে বাড়তি পর্দা লাগানো ভালোব্যাটারির চার্জ


নিয়মিত ব্যাটারি চার্জ করুন। চার্জ সম্পূর্ণ হলে খুলে ফেলুন। বেশি চার্জ অনেক সময় ব্যাটারিকে দুর্বল করে দেয়। ছয় মাস পর পর ব্যাটারি পরীক্ষা করা (ক্যালিব্রেট) উচিত। মেমোরি কার্ড খোলা, লেন্স পরিবর্তন বা ব্যাটারি পাল্টানোর ক্যামেরার সুইচ বন্ধ রাখতেই হবে৷ ব্যবহারের পর ফ্ল্যাশগানের সুইচও বন্ধ রাখা উচিত। ক্যামেরার মনিটরে স্বচ্ছ পর্দা লাগিয়ে রাখা ভালো। ভুলবশত এসএলআর ক্যামেরার সুইচ অফ না করাটা তেমন সমস্যা নয়। কিছু সময় পর পাওয়ার স্ট্যান্ডবাই হয়ে যায়। তবে কমপ্যাক্ট ক্যামেরার পাওয়ার অন থাকলে লেন্স বেরিয়ে এসে ক্যামেরায় বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে। তাই কাজ শেষে কমপ্যাক্ট ক্যামেরার ব্যাটারি খুলে রাখা ভালো। উচ্চগতির কার্ড রিডার ও মেমোরি কার্ড ব্যবহারে কাজ হয় দ্রুত। মেমোরি কার্ড থেকে ছবি কম্পিউটারে নামানোর সময় অ্যান্টি ভাইরাস সফটওয়্যার দিয়ে কার্ড স্ক্যান করা উচিত।

  • ক্যামেরার কোথাও পানি লাগানো যাবে না ইচ্ছেমতো ভিডিও নয়


বেশির ভাগ ডিজিটাল ক্যামেরায় ভিডিও করার সুবিধা এখন আছে। তবে অপ্রয়োজনে ভিডিও করা ঠিক নয়। ভিডিও করলে ক্যামেরার শরীরে বাড়তি চাপ পড়ে। একটি পেশাদার ডিএসএলআর ক্যামেরায় টানা ১২ থেকে ১৫ মিনিট পর্যন্ত ভিডিও করা যায়। তারপর এটা বন্ধ হয়ে যায়। প্রয়োজন হলে কিছু সময় বিশ্রাম দিয়ে আবার ভিডিও করা যেতে পারে। ক্যামেরা ব্যবহার করতে গিয়ে মাঝে মাঝে ‘এরর’ দেখায়। এরর হচ্ছে ক্যামেরা বা লেন্সের অপারগতা প্রকাশ। এরর দেখায় মূলত ক্যামেরার সঙ্গে লেন্সের সংযোগ ঠিকমতো না ঘটলে৷ এ ছাড়া জুম করার সময় কখনো কখনো অ্যাপারচার নড়তে পারে না। তখনো এরর দেখাতে পারে। শাটারের সমস্যার কারণেও এরর দেখায়।

  • লেন্সের ক্যাপ খুব দরকারি ক্যামেরার আয়ু


শাটার কাউন্টের মাধ্যমে ডিএসএলআর ক্যামেরার জীবনকাল নির্ধারণ করা হয়। ধরুন, ক্যানন ১১০০ডি ক্যামেরায় দেড় লাখ পর্যন্ত ছবি তোলা যায়। অনেক সময় এই হিসাবের চেয়ে দুই-তিন গুণ বেশি ছবিও তোলা যেতে পারে। এরপর শাটার নষ্ট হয়ে যায়। এটা পরিবর্তন করলে আবার ঠিক আগের মতো কাজ করে। ফলে অহেতুক কন্টিনিউ মোডে শাটার টেপা ঠিক না। শাটার হচ্ছে পর্দার মতো। এটি মোটরে চলে। তবে পেশাদার ক্যামেরার শাটার অনেক মজবুত।

  • পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা


প্রতিদিন ব্যবহারের পর ক্যামেরা পরিষ্কার করে রাখা উচিত। কাজ শেষে না পারলে অন্তত পরের দিন বা ছবি তুলতে যাওয়ার আগে পরিষ্কার করা দরকার। মোছামুছির ব্যাপারটা প্রতিদিনকার রুটিনে পরিণত করতে পারলে ভালো। ক্যামেরার ব্যাগে সব সময় নরম কাপড়, ব্রাশ, ব্লোয়ার, টিস্যু পেপার রাখা যেতে পারে। ব্যাগের কোথাও একটু সিলিকা জেল রাখুন। লেন্স পরিষ্কারের জন্য লেন্স ক্লিনার ব্যবহার করা যেতে পারে। ক্যামেরার ব্যাগে এমনভাবে ক্যামেরা, লেন্স ও ফ্ল্যাশগান রাখা উচিত, যেন একটির সঙ্গে আরেকটির অতিরিক্ত চাপ না লাগে। যেমন-তেমন ব্যাগে ক্যামেরা বহন করা উচিত নয়। বিশেষভাবে তৈরি ব্যাগেই রাখতে হবে ক্যামেরা, লেন্স ইত্যাদি৷

  • আঘাত নয়


কোনো অবস্থাতেই ক্যামেরার গায়ে আঘাত লাগানো যাবে না। বাইরে থেকে আঘাত পেলে ভেতরের সূক্ষ্ম জোড়াগুলো নড়ে গিয়ে সমস্যা দেখা দেয়। বাতাস ঢুকতে পারে না এমন বাক্স কিংবা ডেসিকেটরে ক্যামেরা রাখুন। বাক্সে সিলিকা জেল ব্যবহার করুন। এই জেল ছত্রাক থেকে ক্যামেরা ও লেন্সকে রক্ষা করে। সিলিকা জেল যখন জলীয়বাষ্প শোষণের ক্ষমতা হারায়, তখন এর রং বদলায়। একটি ক্যামেরা ও দুটি লেন্স রাখার জন্য কমপক্ষে ১০ থেকে ১৫ সেন্টিমিটার ডেসিকেটর প্রয়োজন। ডেসিকেটরে ক্যামেরা রাখা নিরাপদ। তবু মাঝে মাঝে বের করে ছবি তোলা দরকার। এতে ক্যামেরা সচল কি না, নিশ্চিত থাকা যায়।

  • ধুলাবালু সরাতে ব্লোয়ার ব্যবহার করা যায় আরও কিছু কথা


ছবি তোলার সময় হাতে ক্যামেরার বেল্ট পেঁচিয়ে নিন বা গলায় ঝুলিয়ে রাখুন। এতে ক্যামেরা মাটিতে পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে না। কোথাও ক্যামেরা রাখলে ধীরে-সুস্থে রাখুন, যেন চোট না লাগে।
লেন্স লাগানোর সময় জোরাজোরি করবেন না।

কাঁধে থাকার কারণে অনেক সময় বেল্টে ময়লা জমে। তাই লেন্সের সঙ্গে বেল্ট পেঁচিয়ে রাখবেন না।
শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

  • কাজ শেষে ক্যামেরা ব্যাগে ভরে রাখুন।


যেহেতু এটি একটি দামি যন্ত্র, তাই সাবধানে বহন করা উচিত। ক্যামেরা ও লেন্সের সিরিয়াল নম্বর এবং মূল কাগজপত্র যত্নসহ সংরক্ষণ করতে হবে। এতে খোয়া গেলে আইনি সহায়তা পেতে সুবিধা হয়।

পেশাদার আলোকচিত্রীদের উচিত ক্যামেরার বিমা করা।

ফেসবুকে ‘ডিজলাইক’ বাটন দেওয়া হবে না: জাকারবার্গ



ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ সম্প্রতি এক প্রশ্ন-উত্তরপর্বে বলেছিলেন, ফেসবুকে যুক্ত হচ্ছে ডিজলাইক বাটন। সে খবরে সাড়া পেড়েছিল প্রযুক্তি বিশ্বে। কিন্তু সে আশায় গুড়ে বালি। ডিজলাইক বাটন নিয়ে অনেক গুজব ছড়ালেও ফেসবুক ডিজলাইক বাটন আনবে না। এর পরিবর্তে এমন একটি ফিচার আনছে যার মাধ্যমে মানুষ তাদের বিভিন্ন আবেগ প্রকাশ করতে পারবেন।

গতকাল ৯ অক্টোবর আয়ারল্যান্ড ও স্পেনের ফেসবুক ব্যবহারকারীদের জন্য একটি ফিচার উন্মুক্ত করেছে, যা দিয়ে বিভিন্ন অভিব্যক্তি প্রকাশ করা যায়। ফেসবুক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আবেগ প্রকাশের নানা উপায় যুক্ত করা হলেও কোনো ‘ডিজলাইক’ অপশন দেওয়া হবে না।


মার্ক জাকারবার্গ বলেন, সব সময় মানুষের ভালো সময় যায় না। অনেক সময় সহমর্মিতা প্রকাশ করা লাগে। কিছু মুহুর্ত থাকে যা শেয়ার করার জন্য আরও বেশি অভিব্যক্তি লাগে। শুধু লাইক দিয়ে সব প্রকাশ করা যায় না।
আয়ারল্যান্ড ও স্পেনের ফেসবুক ব্যবহারকারীরা লাইকের পাশাপাশি ছয়টি আবেগ প্রকাশের অপশন


পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহারের সুযোগ পাচ্ছেন। কোন পোস্ট সম্পর্কে তাঁদের মনোভাব এগুলো দিয়ে বোঝানো যাবে। এই অপশনগুলো হচ্ছে ‘লাভ’, ‘ইয়েই’, ‘ওয়াও’ ‘হাহা’, ‘স্যাড’ ও ‘অ্যাংরি’। এ ধরনের অপশনগুলো বার্তা আদান-প্রদানে ইমোজি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।