Showing posts with label security. Show all posts
Showing posts with label security. Show all posts


antivirus-protection

সাইবার হামলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এর প্রতিরোধেও নিয়মিত পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। আর এ প্রতিরোধ ভাঙতেই উন্নত ও অত্যাধুনিক ম্যালওয়্যার ব্যবহার শুরু করেছে সাইবার অপরাধীরা। বর্তমানে যেসব ম্যালওয়্যার শনাক্ত হচ্ছে, তা আগের তুলনায় অনেক সৃজনশীল উপায়ে তৈরি হচ্ছে। চলতি সপ্তাহে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত বি ইনসাইড টেকনোলজি সামিটে (বিআইটিএস) ম্যালওয়্যার সম্পর্কে এমন তথ্যই জানান সাইবার বিশেষজ্ঞরা। খবর পিসি ম্যাগ।

সাইবার হামলার কারণে বিশ্বব্যাপী প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যয় বাড়ছে। হামলা থেকে গ্রাহক ও নিজেদের তথ্য রক্ষা করতে সাইবার নিরাপত্তা খাতে ব্যয় বৃদ্ধির কোনো বিকল্পও নেই প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে। কিন্তু নিরাপত্তা বাড়াতে যেখানে ব্যয় বাড়ানো হচ্ছে, সেখানে হামলার অনুষঙ্গও উন্নয়ন করছে সাইবার অপরাধীরা। এতে হামলা প্রতিরোধ আরো কষ্টসাধ্য বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আতঙ্কের বিষয় হচ্ছে, সাইবার অপরাধীরা এমন সব অ্যাপের মধ্যে ম্যালওয়্যার যুক্ত করছে, যেগুলো অ্যান্ড্রয়েডের ব্যবহারযোগ্য খুবই পরিচিত অ্যাপ। এ কারণে বিশেষজ্ঞরা সাইবার হামলা থেকে সুরক্ষিত থাকতে অপরিচিত অ্যাপ ডাউনলোড না করার যে পরামর্শ দিয়ে থাকেন, তাও টিকছে না। পরিচিত অ্যাপগুলোয় ম্যালওয়্যার ছড়ানোর কারণে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে।

সাইবার অপরাধীরা র্যানসামওয়্যার নামের বিশেষ ম্যালওয়্যারের উন্নয়ন করছে। র্যানসামওয়্যার বলতে সেসব ক্ষতিকর সফটওয়্যারকেই বোঝায়, যার মাধ্যমে অপরাধীরা গ্রাহকের তথ্য হাতিয়ে নিয়ে অর্থের বিনিময়ে তা আবার গ্রাহককে সরবরাহ করে। এ সফটওয়্যারের মাধ্যমে সাইবার অপরাধীরা বিপুল অর্থ উপার্জন করছে।

বিআইটিএসে সাইবার ও ম্যালওয়্যার বিশেষজ্ঞরা সংশ্লিষ্ট খাতের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ইস্যু, প্রচলন ও হামলা প্রতিরোধে করণীয় নিয়ে আলোচনা করতে একত্র হন। এ সম্মেলনের আয়োজন করে থাকে আইটি সিকিউরিটি কোম্পানি ইসেট। সম্মেলনে সাইবার ও ম্যালওয়্যার বিশেষজ্ঞরা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় উপস্থাপন করেন। ইসেটের পাশাপাশি মাইক্রোসফটসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের বিশেষজ্ঞরাও উপস্থিত থাকেন। এ কারণে একে সাইবার নিরাপত্তা ইস্যুতে গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলন হিসেবেই বিবেচনা করা হয়।

ইসেটের জ্যেষ্ঠ ম্যালওয়্যার গবেষক রবার্ট লিপোস্কি জানান, ম্যালওয়্যার শুধু পিসির জন্যই ক্ষতিকর নয়। সেলফোনের জন্যই এটি বড় ধরনের হুমকি। বিশেষ করে অ্যান্ড্রয়েডের জন্য। তিনি আরো বলেন, ‘ম্যালওয়্যার তৈরিকারকরা এখন আগের তুলনায় অনেক বেশি সৃজনশীল। তারা বিভিন্ন ব্যবস্থায় হামলা চালিয়ে সফল হওয়ায় আরো বেশি উত্সাহী হয়ে উঠছে।’

বিআইটিএসে তিনি আরো জানান, ডাবসম্যাশ ও মাইনক্রাফটের মতো অ্যান্ড্রয়েডভিত্তিক গেমগুলোয় অপরাধীরা বিভিন্ন ধরনের ম্যালওয়্যার ছড়াচ্ছে। গেমের মাধ্যমে গ্রাহকরা অজান্তেই এ ধরনের ম্যালওয়্যার ইনস্টল করেছেন প্রায় পাঁচ লাখ বার।

অ্যান্ড্রয়েড ম্যালওয়্যারগুলোর কারণে গ্রাহক নিয়মিতই আক্রান্ত হচ্ছেন। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, র্যানসামওয়্যার ইনস্টলের কারণে গ্রাহকের ফোনের নিয়ন্ত্রণ চলে যাচ্ছে অন্যের হাতে। এছাড়া স্ক্রিন লক হওয়া, তথ্যে প্রবেশ করতে না পারার মতো ঘটনা ঘটছে নিয়মিত। এ সমস্যা থেকে রেহাই পেতে গ্রাহককে ৫০০ ডলার পর্যন্ত অপরাধীকে পরিশোধ করতে হচ্ছে। ম্যালওয়্যারের ধরন সৃজনশীল হওয়ার কারণে একে আটকে রাখা যাচ্ছে না। ফলে আক্রান্তের হার সময়ের সঙ্গে বাড়ছে।

মাইক্রোসফটের ম্যালওয়্যার প্রটেকশন সেন্টারের পরিচালক ডেনিস ব্যাচেলডার ম্যালওয়্যারের ইকোসিস্টেমে চারটি প্রধান অংশ রয়েছে বলে উল্লেখ করেন। এগুলো হচ্ছে, ক্রাইম সিন্ডিকেট, ম্যালওয়্যার সাপ্লাই চেন, অ্যান্টিম্যালওয়্যার ভেন্ডর ও অ্যান্টিম্যালওয়্যার ইকোসিস্টেম। এর মধ্যে ম্যালওয়্যার সাপ্লাই চেন ধ্বংসে মাইক্রোসফট কাজ করে যাচ্ছে বলে জানান তিনি।

ম্যালওয়্যারের অস্তিত্ব যখন থেকে টের পাওয়া গেছে, তার পর থেকেই এ ব্যবস্থার প্রতিরোধে কাজ করে যাচ্ছে মাইক্রোসফট। সাপ্লাই চেন ধ্বংসের পাশাপাশি জড়িতদের আটক ম্যালওয়্যার ছড়ানো প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন তিনি।


ফেইসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক হলেও যেন আপনার ছবি, ভিডিও, নোট ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ন তথ্য যেন হারিয়ে না যায় সে জন্য ফেইসবুকে রয়েছে ব্যাকআপ রাখার ব্যবস্থা।ফেসবুকের ব্যাকআপ রাখার জন্য প্রথমে ওপরে ডান পাশের Account থেকে Account Settings-এ ক্লিক করুন। এখন সবার নিচে Download a copy-এ ক্লিক করুন। নতুন পেজ এলে Start My Archive-এ ক্লিক করুন।

এখন আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টের একটি ব্যাকআপ প্রোফাইল তৈরি হতে থাকবে। ব্যাকআপ প্রোফাইল তৈরি হয়ে গেলে আপনার ই-মেইল ঠিকানায় একটি মেইল যাবে। তারপর আবার Account থেকে Account Settings-এ ক্লিক করে Download a copy-এ ক্লিক করে আপনার ফেসবুকের ব্যাকআপ প্রোফাইলটি ডাউনলোড করতে পারবেন।


  • ফেইসবুক অ্যাকাউন্ট নিরাপত্তায় করণীয়


ডাউনলোড হওয়ার পর জিপ ফাইলটি আনজিপ করুন। এখন index ফাইলটি ওপেন করলে আপনি আপনার ফেসবুকের পুরো প্রোফাইল (ছবি, ওয়াল, মেসেজ, ফ্রেন্ড) দেখতে পারবেন। ফলে অ্যাকাউন্ট হ্যাক হলেও আপনার তথ্যগুলো হারিয়ে যাবে না।
  • ব্যক্তিগত গোপনীয়তা:

কেউ যদি ফেসবুকে আপনাকে বিরক্ত করে, যেমন—বারবার বার্তা পাঠায়, বারবার Add Request পাঠায়, তাহলে আপনি তাকে ব্লক করে দিতে পারেন। ব্লক করে দিলে সে আর আপনাকে খুঁজে পাবে না। কাউকে ব্লক করতে হলে প্রথমে ওপরে ডান পাশে Account থেকে Privacy Settings-এ ক্লিক করুন। এখন একেবারে নিচে Block Lists-এর নিচে Edit your list-এ ক্লিক করুন। নতুন পেজ এলে Name অথবা Email বক্সে কারও নাম বা ই-মেইল আইডি লিখে Block-এ ক্লিক করে তাকে ব্লক করে দিতে পারেন। অথবা কারও প্রোফাইলের নিচের দিকে বাঁ পাশে Block-এ ক্লিক করেও কাউকে ব্লক করে দিতে পারেন।
  • কতটা দৃশ্যমান হবেন:

আপনাকে আপনার বন্ধুরা ছাড়া অন্য কেউ খুঁজে (সার্চ) পাবে না। এমনকি আপনার ই-মেইল ঠিকানা দিয়ে খুঁজলেও না। এমন ব্যবস্থা করতে চাইলে Account থেকে Privacy Settings-এ ক্লিক করুন। এখন ওপরে View settings-এ ক্লিক করুন। নতুন পেজ এলে Search for you on Facebook-এর ডান পাশের Everyone বাটনে ক্লিক করে Only Friends নির্বাচন করে দিন। তাহলে আপনাকে আপনার বন্ধুরা ব্যতীত অন্য কেউ খুঁজে পাবে না। এখন Send you friend requests-এর ডান পাশের Everyone বাটনে ক্লিক করে নির্বাচন করে দিন, তখন যে কেউ আপনাকে friend requests পাঠাতে পারবে।

Send you messages-এর ডান পাশের Everyone বাটনে ক্লিক করে নির্বাচন করে দিন, যে কেউ আপনাকে মেসেজ পাঠাতে পারবে।
See your friendlist-এর ডান পাশের Everyone বাটনে ক্লিক করে নির্বাচন করে দিন, তাহলে সবাই আপনার ফ্রেন্ডলিস্ট দেখতে পারবে। এভাবে বাকি সেটিংসগুলোও নিজের মতো করে তৈরি করে নিতে পারেন।
  • হেল্প সেন্টার :

ফেসবুক কিছুদিন পর পর তার সেটিংস পরিবর্তন করে। তা ছাড়া ফেসবুক কিছুদিন পর পরই নতুন নতুন অপশনও যোগ করে। কোনো একটা অপশন কোথায় আছে, তা ভুলে গেলে বা জানা না থাকলে ফেসবুক হেল্প সেন্টারের সাহায্য নেওয়া যায়। যেমন—আপনি যদি ভুল করে কোনো বন্ধুকে হাইড করে ফেলেন, তাহলে তাঁকে আবার আন-হাইড করবেন কীভাবে বা কোনো বন্ধুকে হাইড করবেন কীভাবে? এর উত্তর যদি জানা না থাকে, তাহলে এ জন্য প্রথমে ওপরে ডান পাশে Account থেকে Help Center-এ ক্লিক করুন। নতুন পেজ এলে How i unhide a friend? লিখে সার্চ করুন। রেজাল্ট এলে Expand All-এ ক্লিক করুন। আপনার সমাধান পেয়ে যাবেন।
  • সিকিউরিটিঃ

  • সিকিউরিটি কোয়েশ্চেনঃ

ডান পাশের Account থেকে Account Settings-এ ক্লিক করুন। এখন বাঁ পাশ থেকে security-তে ক্লিক করুন। দেখবেন শুরুতেই আছে সিকিউরিটি কোয়েশ্চেন। এখানে একটি প্রশ্ন সিলেক্ট করে তার উত্তর সেভ করে রাখুন, পরবর্তীতে পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে বা কেউ পরিবর্তন করে দিলে এর মাধ্যমে লগইন করতে পারবেন।
  • মোবাইল নম্বর যোগ করা:

ফেসবুকে মোবাইল ফোন নম্বর যোগ করলে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট যদি কখনো চুরি হয়ে যায়, তাহলে মোবাইল নম্বর দিয়ে তা উদ্ধার করতে পারবেন। আবার আপনি ইচ্ছা করলে ফেসবুকের খবর বা নোটিফিকেশনসগুলোও মোবাইল ফোনে পেতে পারেন বিনা মূল্যে। এ জন্য প্রথমে ওপরে ডান পাশের Account থেকে Account Settings-এ গিয়ে বাঁ পাশ থেকে Mobile-এ ক্লিক করুন। এখন Add a Phone লিংকে ক্লিক করুন। নতুন উইন্ডো এলে Mobile Carrier : এ বাংলালিংক, সিটিসেল, গ্রামীণফোন, এয়ারটেল বা রবি নির্বাচন করে Next-এ ক্লিক করুন। আপনার মোবাইল নম্বরটি আপনার ফেসবুক প্রোফাইলে যোগ করতে না চাইলে Add this phone number to my profile বক্স থেকে টিক চিহ্নটি তুলে দিন। আপনার মোবাইল থেকে F লিখে 32665-এ মেসেজ দিন। ফিরতি মেসেজে আপনার কাছে একটি কোড নম্বর আসবে, সেটি কোড বক্সে লিখে Next-এ ক্লিক করুন।
  • অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা:

আপনার ফেসবুকের ই-মেইল ঠিকানা, পাসওয়ার্ড যদি সবাই জেনে যায়, তাহলেও কেউ আপনার অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে পারবে না। এ জন্য প্রথমে ফেসবুকে লগইন করে ওপরে ডান পাশের Account থেকে Account Settings-এ ক্লিক করুন। এখন বাঁ পাশ থেকে security-তে ক্লিক করুন। নতুন পেজ এলে Login Notifications-এর ডান পাশে Edit-এ ক্লিক করুন। Email-এর পাশের বক্সে টিক চিহ্ন দিয়ে Save Changes-এ ক্লিক করুন। এখন Login Approvals-এর ডান পাশে Edit-এ ক্লিক করে Require me to enter a security code sent to my phone বক্সে টিক চিহ্ন দেওয়ার সময় নতুন বার্তা

এলে Set Up Now-এ ক্লিক করুন। এখন Phone number : বক্সে আপনার মোবাইল নম্বর লিখে Continue-তে ক্লিক করুন। আপনার মোবাইলে একটি কোড নম্বর আসবে। কোড নম্বরটি কোড বক্সে লিখে Continue-তে ক্লিক করুন। তারপর Save Changes-এ ক্লিক করুন। এখন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট লগআউট করে পুনরায় ফেসবুকে লগইন করুন। দেখবেন, Name New Computer নামের একটি পেজ এসেছে। সেখানে Computer name বক্সে কোনো নাম লিখে Add to your list of recognized devices বক্সে টিক চিহ্ন দিয়ে Continue-তে ক্লিক করুন।
এখন থেকে প্রতিবার আপনার কম্পিউটার ব্যতীত অন্য কারও কম্পিউটার থেকে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে লগইন করতে চাইলে আপনার মোবাইলে একটি কোড নম্বর আসবে এবং সেই কোড নম্বরটি কোড বক্সে লিখে Continue-তে ক্লিক করলেই কেবল আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করা যাবে। কাজেই আপনার ফেসবুকের পাসওয়ার্ড সবাই জানলেও কেউ আপনার ফেসবুকে লগইন করতে পারবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত না আপনার মোবাইলে আসা কোড নম্বরটি কোড বক্সে প্রবেশ করানো হবে। আপনার ই-মেইলে একটি মেইল যাবে, যেটাতে লেখা থাকবে কে, কখন, কী নাম দিয়ে, কোন আইপি ঠিকানা থেকে আপনার ফেসবুকে প্রবেশ করেছিল।

  • ই-মেইল ঠিকানা বদলানো:

ফেসবুকে ই-মেইল ঠিকানা বদলের জন্য Account Settings-এ যেতে হবে। এখন Email-এর ডান পাশের Edit-এ ক্লিক করুন। এখন Add another email-এ ক্লিক করুন। New Email : বক্সে নতুন ই-মেইল ঠিকানা লিখে Save Changes-এ ক্লিক করুন। তখন ফেসবুক পাসওয়ার্ড চাইলে পাসওয়ার্ড লিখে Save Changes-এ ক্লিক করুন। এখন আপনার নতুন ই-মেইল ঠিকানায় একটি মেইল যাবে। ওই মেইলে ক্লিক করলেই ফেসবুকে নতুন ই-মেইল ঠিকানাটা যোগ হবে। এখন আপনি দুটি ই-মেইল ঠিকানার যেকোনো একটি দিয়েই ফেসবুকে ঢুকতে পারবেন।
  • স্প্যাম এবং স্ক্যাম থেকে দূরে থাকুনঃ

প্রায়ই দেখবেন “see who have visited your profile”, “see who have deleted you”, “see how many poeple visited your profile” এছাড়াও আছে কিছু ভিডিও বা ছবি যাতে লেখা থাকে “the girl died after seeing this pic” ইত্যাদি, এগুলো তে ক্লিক করলে দেখবে আপনার প্রোফাইলে এসব স্প্যাম মেসেজ যুক্ত হয়ে যাচ্ছে, আপনার স্ট্যাটাস হিসেবে এসব চলে আসছে। সুতরাং এগুলো ক্লিক করা থেকে বিরত থাকুন এবং আপনার অ্যাকাউন্ট কে নিরাপদ রাখুন।