2015-08-20-fitz-b

সম্প্রতি প্রযুক্তি ওয়েবসাইট টেকক্রাঞ্চের দেওয়া এক তথ্য মতে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের মাঝে নতুন একটি সুবিধা পরীক্ষা নিরীক্ষা করে দেখছে। ফেসবুকের নতুন এ সুবিধার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা এখন ইচ্ছে করলে নির্দিষ্ট কিছু সময়ের জন্য তাদের প্রোফাইল পিকচার পরিবর্তন করে নিতে পারবেন। আর সময় ফুরিয়ে গেল স্বয়ংক্রিয় ভাবে আবার আসল প্রোফাইল পিকচারে ফিরে আসবে।

এ বিষয়ে ফেসবুক টেকক্রাঞ্চকে বলে, ‘অনেক সময় ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন কারণ অথবা ইস্যুকে সমর্থন/অসমর্থন করা জন্য, খেলাধুলা চলার সময় বিভিন্ন টিমকে সাপোর্ট করার জন্য অথবা কারো জন্মদিন/বিবাহ বার্ষিকী উপলক্ষে তাদের প্রোফাইল পিকচার পরিবর্তন করে। তাই আমরা এই আইডিয়াটাকে কাজে লাগিয়ে একটা নতুন ফিচার তৈরি করেছি।’

এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা চাইলে তাদের প্রোফাইল পিকচারটিকে নির্দিষ্ট করে ঘণ্টা, দিন অথবা সপ্তাহের জন্য ঠিক করে দিতে পারবেন। ফেসবুকের রিপোর্ট অনুযায়ী আগামী মাস থেকেই প্রত্যেকের অ্যাকাউন্টের সাথে নতুন এই ফিচারটি যুক্ত করা শুরু হবে।


echo4-750x400

কিছুটা চুপিসারেই আরও একটি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠানকে কিনে নিয়েছে মাইক্রোসফট। ডাবল ল্যাবস নামের এই অ্যাপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি ‘ইকো নোটিফিকেশন লকস্ক্রিন’ নামের একটি জনপ্রিয় অ্যাপ তৈরি করেছে।

মাইক্রোসফট এর আগেও একটি লকস্ক্রিন নোটিফিকেশন অ্যাপ তৈরি করেছিল। গত বছর মাইক্রোসফট গ্যারেজ নামের রিসার্চ ডিভিশন ‘মাইক্রোসফট নেক্সট’ নামের একটি লকস্ক্রিন অ্যাপ তৈরি করেছিল। একজন অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারী যেন ফোন আনলক না করেই লকস্ক্রিন থেকে সব নোটিফিকেশন এবং অন্যান্য তথ্য পেতে পারেন, সে ব্যবস্থা ছিল অ্যাপটিতে।

বর্তমানে ইকো লকস্ক্রিন প্লে স্টোরে দারুণ জনপ্রিয় একটি অ্যাপ। এর রিভিউ রয়েছে ৫০ হাজারের বেশি।


Tour-APP

ভ্রমণের যে কোনো বিষয়, তথ্য কিংবা ভ্রমণ বিষয়ক সহযোগিতা মিলবে এক অ্যাপে। ভ্রমণকেন্দ্রিক এটুজেড বিষয় নিয়ে ভ্রমণপ্রেমীদের বন্ধু ট্যুর অ্যাপ। অ্যাপ্লিকেশনটি বানিয়েছে দেশের অন্যতম সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ই-সফট।
ভ্রমণ গাইড হিসেবে বিস্তারিত জানার জন্য খুবই কার্যকরী একটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন এটি, যা গুগল প্লে স্টোর থেকে এখনই ডাউনলোড করে নিতে পারেন। আপনার স্মার্টফোনে এই অ্যাপ্লিকেশনটি থাকা মানে শুধু ঢাকা নয়, বাংলাদেশ এবং পুরো বিশ্বের ভ্রমণ তথ্য হাতের মুঠোয় থাকা।

ছুটির দিনগুলোতে অ্যাপটি আপনাকে জানিয়ে দেবে ভ্রমণের বিস্তারিত আরো তথ্য। মিলবে নানা ধরনের স্থান ঘুরতে যাওয়ার নিত্যনতুন তথ্য এই মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনে। অ্যাপ্লিকেশনটির ডাউনলোড করা যাবে  এই ঠিকানা থেকে।


375360-google-motorola-mobility

গুগলে চাকরি পেতে পরীক্ষায় বেশি জিপিএ থাকতে হবে, এ ধারণা করা ঠিক নয়। গুগলে চাকরি পেতে জিপিএ কিংবা পরীক্ষায় খুব ভালো নম্বর পাওয়ার বিষয়টির তেমন কোনো গুরুত্বই নেই। কারণ পরীক্ষার ফল দেখে কারও সম্পর্কে ধারণা করা যায় না—এ কথাগুলো নিউইয়র্ক টাইমসকে এক সাক্ষাত্কারে জানিয়েছেন গুগলের মানবসম্পদ বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট লাজলো বক।

লাজলোর মতে, ধীরে ধীরে প্রচলিত শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় বা কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রি ছাড়া গুগলকর্মীর সংখ্যা বাড়ছে। গুগলের কিছু কিছু টিমে ১৪ শতাংশ কর্মীর প্রাতিষ্ঠানিক কোনো ডিগ্রি নেই। এ অবস্থায় অনেকেই জিজ্ঞাসা করেন গুগলের মতো প্রতিষ্ঠানে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার গুরুত্ব না থাকলে চাকরি মিলবে কীভাবে? এ বিষয়ে লাজলো বকের মুখ থেকেই আমরা শুনব গুগলে চাকরি পাওয়ার শর্তগুলো।

‘আমাকে ভুল বুঝবেন না’ লাজলো শুরু করেন এভাবেই। পরীক্ষায় কেউ ভালো ফল করলে বা ভালো গ্রেড পেলে চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা নেই। তবে গুগলে চাকরি পেতে গণিত ও কম্পিউটিং, বিশেষ করে কোড লেখার দক্ষতা জরুরি। যদি কেউ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষায় ভালো গ্রেড অর্জন করে এবং সত্যিকারের দক্ষতা দেখাতে পারে, তারা গুগলে চাকরির জন্য অবশ্যই আবেদন করতে পারে। গণিত আর কোড এ দুটি দক্ষতা চাকরিপ্রার্থীর জন্য একটা বাড়তি সুবিধা করে দিতে পারে। তবে এ দুটির বাইরে গুগলে চাকরি পেতে আরও অনেক দক্ষতাই অর্জন করতে হবে।
google-new-logo

লাজলো বক ব্যাখ্যা করে বলেন, গুগলে চাকরির জন্য পাঁচটি বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হয়। যদি চাকরির পদটি কোনো কারিগরি বিষয় হয়, তবে জোর দেওয়া হয় কোডিং দক্ষতার ওপর। গুগলে চাকরির প্রায় অর্ধেকই অবশ্য কারিগরি শ্রেণীতেই পড়ে। প্রতিটি চাকরির ক্ষেত্রেই যে মূল বিষয়টি বিবেচনায় রাখা হয় তা হচ্ছে সাধারণ জ্ঞানের দক্ষতা। এ বিষয়টিতে আইকিউয়ের সঙ্গে মিলিয়ে ফেলা ঠিক হবে না। এখানে সাধারণ জ্ঞান বলতে বোঝানো হচ্ছে, কোনো বিষয় শেখার দক্ষতা, দ্রুত শেখার ক্ষমতা এবং তা কাজে লাগানোর ক্ষমতা।

এই দক্ষতা হচ্ছে অতিসূক্ষ্ম জিনিসের মধ্যে পার্থক্য করার ক্ষমতা। গুগলে চাকরির জন্য সাক্ষাত্কার নেওয়ার সময় আচরণগত এ বিষয়গুলো খুব ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়।

27042113

লাজলো বক মনে করেন, গুগলে চাকরি পেতে হলে দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হচ্ছে নেতৃত্বগুণ। প্রচলিত নেতৃত্বের পরিবর্তে প্রয়োজনীয় মুহূর্তে সমস্যা সমাধান করার নেতৃত্ব গুণকে গুরুত্ব দেয় গুগল। বক উদাহরণ দিয়ে বলেন, দাবা ক্লাবের আপনি একজন প্রেসিডেন্ট ছিলেন কিংবা বিপণন বিভাগের প্রধান ছিলেন? আপনি কত দ্রুততার সঙ্গে সেই পদে উন্নীত হয়েছেন, গুগল সে বিষয়টি দেখে না; বরং প্রয়োজনের মুহূর্তে আপনার টিমকে আপনি কতটা সমর্থন দিয়েছেন এবং আপনার কাজ কতটা টেনে নিয়েছেন, সেটি দেখে। সমস্যায় পড়লে নেতৃত্ব গুণে সমাধান করার বিষয়টি বিবেচনা করে গুগল। সমস্যা জটিল হলে আপনার ভূমিকা কী হয়, সে বিষয়টিও পর্যবেক্ষণ করে গুগল।

গুগলে চাকরি পেতে গেলে আরও দুটি ভালো গুণ অর্জন করা জরুরি। এর একটি হচ্ছে নম্রতা আর অন্যটি কোনো জিনিসকে দ্রুত নিজের করে নেওয়ার ক্ষমতা। গুগলের মানবসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা লাজলোর মতে, গুগলে উগ্র স্বভাবের মানুষের চাকরি পাওয়া কঠিন। লাজলো বলেন, দায়িত্বজ্ঞানসম্পন্ন হতে হবে এবং প্রতিষ্ঠানের কাজকে নিজের কাজ ভাবতে হবে, নিজের প্রতিষ্ঠান ভাবতে হবে। কোনো কিছুতেই রেগে যাওয়া চলবে না। কোনো কাজ নিজে সমাধান করতে না পারলে ভদ্রভাবে অন্যকে তা ছেড়ে দিতে হবে। অন্যদের ভালো পরামর্শগুলো গ্রহণ করতে হবে। গুগল সব সময় কাজের শেষে কী অর্জন করা হলো, সে বিষয়টি দেখে। কীভাবে একত্রে বা দলগতভাবে সমস্যা সমাধান করা যাবে—এ বিষয়টিকেই গুগল গুরুত্ব দেয়।

বক বলেন, গুগলের কর্মীর দায়িত্ব হলো নিজের কাজটুকু ঠিকভাবে করা এবং অন্যের জন্য তার কাজের সুযোগ করে দেওয়া।

story_mind-meld-g2g_image_726x726

গুগলে ভদ্রতা বলতে অন্যকে কাজের সুযোগ করে দেওয়া নয়; বরং এটিকে বলা চলে বুদ্ধিবৃত্তিক নম্রতা। এই নম্রতা বা অন্যকে সম্মান দেখানোর মানসিকতা তৈরি না হলে কর্মীদের পক্ষে নতুন কিছু শেখা সম্ভব নয়। গবেষকদের প্রসঙ্গ টেনে লাজলো বলেন, অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চতর ডিগ্রিধারীদের আধিক্য দেখা যায়। অধিকাংশ সফল ও মেধাবীর ক্ষেত্রে ব্যর্থতার হার খুব কম থাকে, তাই তারা ব্যর্থতার থেকে কীভাবে শিক্ষা নিতে হয়, সেই বিষয়টিই শিখতে পারে না।

শিক্ষাক্ষেত্রে যাঁরা অধিকতর ভালো ফল নিয়ে গুগলে চাকরির জন্য আসেন, তাঁরা অনেকেই নিজের গুণের পরিচয় দিতে ভুল করে বসেন। যখন তাঁদের কাছ থেকে ভালো কিছু ফল পাওয়া যায়, তাঁরা গর্ব করে বলে বসেন, আমি অসাধারণ বলেই এটি সম্ভব হয়েছে। কিন্তু আবার যখন তাঁরা খারাপ করেন, কিছুতেই এর দায় নিতে চান না—এ কথা বলেন লাজলো বক।

গুগলে চাকরি পাওয়ার জন্য যেসব পরীক্ষায় অধিকতর ভালো ফলাফল করা প্রার্থীরা আবেদন করেন, তাঁরা নিজেদের যোগ্যতা নিয়ে অহেতুক তর্ক করেন। তাঁরা নিজেদের যুক্তি থেকে একচুল নড়তে চান না। তাঁরা একধরনের গোঁড়ামি করেন। তাঁদের সামনে নতুন তথ্য উপস্থাপন করা হলে তখন তাঁরা হয়তো মেনে নেন। তাই গুগলে চাকরি পেতে হলে একজন মানুষের মধ্যে প্রয়োজনে ছোট হওয়া বা প্রয়োজনে বড় হওয়া দুটি গুণই থাকতে হবে।

story_best-place-to-work-japan_image_726x726

লাজলো বক বলেন, গুগলে চাকরি পাওয়ার জন্য আরেকটি দক্ষতা  থাকতে হবে আর তা হচ্ছে—কোনো কাজের ওপর ন্যূনতম অভিজ্ঞতা। ন্যূনতম অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কাউকে কাজে নেওয়া হলে তাঁর শেখার আগ্রহ, যোগাযোগ দক্ষতা, নেতৃত্ব দেওয়ার আগ্রহ থাকে।

বকের কথার সংক্ষেপ করলে দেখা যাবে, মানুষের মেধা বিভিন্ন ধরনের হতে পারে এবং এই মেধাকে প্রচলিত ধারার বাইরেও নানাভাবে কাজে লাগানো যেতে পারে। তাই চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠান ও নিয়োগকারী হিসেবে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাকে শুধু নামকরা কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে চেয়ে থাকলেই হবে না। কারণ, স্কুল থেকে ঝরে পড়া অনেক মানুষই তাঁদের পথ খুঁজে নিয়ে বিশ্বে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। যদিও তাঁরা ব্যতিক্রম হিসেবে বিবেচিত হন। এই ব্যতিক্রমী মানুষদেরই আমাদের খুঁজে বের করা উচিত।

বক বলেন, অনেক নামকরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আছে কিন্তু সেখান থেকে তাদের প্রতিশ্রুতি মতো স্নাতকদের বের করতে পারে না। তারা জীবনের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো শিক্ষা দিতে ব্যর্থ হয়। এটা মানুষের কৈশরকেই কেবল বিলম্বিত করে।

গুগল যে কাজটি করে তা হচ্ছে প্রচলিত জিপিএ বা প্রচলিত শিক্ষার বাইরের মেধাগুলোকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করে। যদিও অধিকাংশ তরুণ এখন স্কুল-কলেজের শিক্ষা নিতে যাচ্ছেন, তার পরও তাঁদের প্রচলিত শিক্ষার পাশাপাশি ভবিষ্যতে ক্যারিয়ার গড়তে যে বিষয়গুলো কাজে লাগবে তা শেখাটাই মূল বিষয়।

বক বলেন, আপনি কতটুকু জানেন এবং আপনার জানার পরিধি কাজে লাগিয়ে কী করতে পারেন, বর্তমান বিশ্ব সে বিষয়টিকেই গুরুত্ব দেবে এবং আপনার সেই মেধার মূল্য শোধ করবে।

বর্তমান উদ্ভাবনী বিশ্বে নেতৃত্ব, নম্রতা, সহযোগিতা ও সহজে গ্রহণ করা, শিখতে ভালো এবং বারবার শিখতে চাওয়ার মতো দক্ষতাগুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। আর এ বিষয়গুলো শুধু গুগলে চাকরি পেতেই নয়, যেখানেই কাজ করতে যান না কেন সেখানেই কাজে লাগবে।

ফোনের মূল্য যত কমতে থাকে তাদের ডিজাইনও তত খারাপ হতে থাকে। বাজারে থাকা অধিকাংশ স্মার্টফোনের বেলায় কথাটা সত্য হলেও ওবিআই ওয়ার্ল্ডফোন এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা জন স্কালি এবং অ্যামুনেশন ডিজাইনের প্রতিষ্ঠাতা রবার্ট ব্রানার বলছেন ভিন্ন কথা।

 সম্প্রতি ওবিআই ওয়ার্ল্ডফোন উন্মুক্ত করতে যাচ্ছে তাদের নতুন ডিজাইনের দুটি মিড-লেভেল স্মার্টফোন, এসএফ১ এবং এসজে১.৫। দুটি ফোনের মুল্যই ২০০ ডলারের মধ্যে।

আর চমৎকার এই নতুন ডিজাইনের ফোন দুটির প্রধান ক্রেতা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে এশিয়া, আফ্রিকা এবং মধ্যপ্রাচ্যের দশ থেকে পঁচিশ বছর বয়সী তরুণদেরকে।

চমৎকার ডিজাইনের সাথে এ ফোন দুটিতে থাকছে শক্তিশালী হার্ডওয়্যার এবং চমকপ্রদ অনেক ফিচার (কোয়ালকম এবং মিডিয়াটেক প্রসেসর, সনি ক্যামেরা, কর্নিং গোরিলা গ্লাস এবং ডলবি সাউন্ড)।

কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি ফোনের যে ফিচারের উপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে তা হল ফোনের ডিজাইন এবং অ্যান্ড্রয়েডের মডিফাইড ভার্শন।

 অনেক সময় বিভিন্ন কাজ করার করার জন্য কম্পিউটারে খুব দ্রুত নেভিগেট করার প্রয়োজন পড়ে। আর আপনি যদি কোন কর্পোরেট ফার্মে কাজ করেন তাহলে কম্পিউটারে দ্রুত নেভিগেট করা আপনার জন্যে কিছুটা বাধ্যতামূলক। আর ঠিক এসব কথা মাথায় রেখেই ব্যবহারকারীদের জন্য উইন্ডোজে যোগ করা হয়েছে বেশ কিছু কি-বোর্ড শর্টকাট। আজ সেখান থেকেই গুরুত্ত্বপূর্ণ কিছু শর্ট নিয়ে আলোচনা করব।
আর শর্টকাটের দুনিয়ায় আপনি যদি নতুন হয়ে থাকেন তাহলে এ লেখাটি আপনার জন্যই।

উইন্ডোজ ১০ এর নতুন কিছু শর্টকাট

  • Windows key + A: অ্যাকশন সেন্টার চালু করার জন্য
  • Windows key + C: লিসেনিং মোডে কর্টানা চালু করার জন্য
  • Windows key + I: সেটিংস অ্যাপ চালু করার জন্য
  • Windows key + S: নরমাল মোডে কর্টানা লঞ্চ করার জন্য
  • Windows key + Tab: টাস্ক ভিউ দেখার জন্য
  • Windows key + Ctrl + D: নতুন ভার্চুয়াল ডেস্কটপ তৈরি করার জন্য
  • Windows key + Ctrl + F4: বর্তমান ডেস্কটপ বন্ধ করার জন্য
  • Windows key + Ctrl + left or right arrow: ভার্চুয়াল ডেস্কটপগুলোর মধ্যে নেভিগেট করার জন্য

স্ট্যান্ডার্ড উইন্ডোজ শর্টকাট

  • Windows key (Windows 7 and up): স্টার্ট মেনু খোলা অথবা বন্ধ করার জন্য
  • Windows key + X (Windows 8.1 and 10): স্টার্ট মেনুর রাইট ক্লিকের কন্টেক্সট মেনু খুলতে/ বন্ধ করতে
  • Windows key + left or right arrow (Windows 7 and up): বর্তমান উইন্ডোটিকে বাম অথবা ডান দিকে স্ন্যাপ করতে
  • Windows key + E (Windows 7 and up): ফাইল এক্সপ্লোরার চালু করতে
  • Windows key + L (Windows 7 and up): ডেস্কটপ লক করে রাখতে
  • Alt + PrtScn (Windows 7 and up): বর্তমান উইন্ডোটির স্ক্রিনশট নিতে এবং তা ক্লিপবোর্ডে সেইভ করে রাখতে
  • Windows key + PrtScn (Windows 8.1 and 10): পুরো উইন্ডোর স্ক্রিনশট নিয়ে তা Computer > Pictures > Screenshots ফোল্ডারে সেইভ করে রাখতে

ব্রাউজারের জন্য শর্টকাট (অধিকাংশ ব্রাউজারের জন্য প্রযোজ্য)

  • Ctrl + T: নিউ ট্যাব খোলার জন্য
  • Ctrl + D: ওয়েবপেজ বুকমার্ক করার জন্য
  • Ctrl + L: বর্তমান URL হাইলাইট করতে (এতে করে URL কপি করতে অথবা নতুন করে অ্যাড্রেস লিখতে বেশ সুবিধা হয়)
  • Ctrl + Tab: খোলা ট্যাব গুলোতে নেভিগেট করার জন্যে
  • Ctrl + Enter: ওয়েব আড্রেসের শেষে “.com” যুক্ত করতে (যেমন, ‘google’ টাইপ করে Ctrl + Enter প্রেস করলেই google.com এ চলে যাবেন)
বারবার ব্যবহারের মাধ্যমে আয়ত্তে নিয়ে আসুন উইন্ডজের এ শর্টকাট কমান্ড গুলোকে আর শুরুহোক স্পীড ন্যাভিগেশন।

২০১১ সালের দিকে ইসরায়েলি মোবাইল কোম্পানি Modu থেকে মডিউলার স্মার্টফোনের কনসেপ্ট কেনার পর ২০১৩ সালের ১লা এপ্রিল থেকে ঐ প্রোজেক্টের উপর কাজ শুরু করে গুগল।

পরবর্তীতে গুগল তাদের এই প্রোজেক্টের নাম দেয় প্রোজেক্ট এআরএ। এই প্রোজেক্ট বাস্তবায়ন হলে ব্যবহারকারীরা তাদের স্মার্টফোনটিকে ইচ্ছেমত কাস্টমাইজ করতে পারবে। ক্যামেরা, প্রসেসর, ব্যাটারি, স্টোরেজ এবং স্মার্টফোনের অন্যান্য সব কম্পোনেন্ট মডিউলের মাধ্যমে পরিবর্তন করে নেয়া যাবে। যেমনটা আমরা আমাদের কম্পিউটারের সাথে করে থাকি।

পরিকল্পনা অনুযায়ী এবছরের শেষের দিকে ল্যাটিন অ্যামেরিকার পুয়ের্তো রিকায় প্রোজেক্টটি উন্মুক্ত করার কথা থাকলেও গেল সপ্তাহে এক টুইটে বলা হয়, ‘কোম্পানি প্রোজেক্টটি নিয়ে এখনও কিছুটা ব্যস্ত সময় পার করছে এবং পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রোজেক্টটি আর ল্যাটিন আমেরিকায় উন্মুক্ত করা হচ্ছে না।’

তবে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী গুগল বেশ কিছু টুইটের মাধ্যমে জানিয়ে দেয় তারা যুক্তরাষ্ট্রে নতুন করে লঞ্চ লোকেশন খুঁজছে। কিন্তু এর পরেই আবার #yeswearelate হ্যাসট্যাগের সাথে একটা প্রশ্নও জুড়ে দেয় “When? 2016″।

যাইহোক, মোবাইলটি কবে আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত করা হবে এ নিয়ে এখনও পর্যন্ত নির্দিষ্ট কোন সময় জানা যায়নি। তবে ২০১৬ সালেই যে উন্মুক্ত হতে যাচ্ছে গুগলের প্রোজেক্ট এআরএ এতে কোন সন্দেহ নেই


‘চরকি ডটকম’ (www.chorki.com) নামে বাংলাদেশের নতুন সার্চ ইঞ্জিন চালু হয়েছে। মূলত নিজের ভাষায় ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের সার্চ ইঞ্জিন সেবা দিতে চালু হয়েছে এই চরকি। স্থানীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান চরকি লিমিটেডের উদ্যোগে চালু হয়েছে এ সার্চ ইঞ্জিন। এর পৃষ্ঠপোষকতায় রয়েছে মালয়েশিয়াভিত্তিক ভিসি মাইন্ড ইনিশিয়েটিভ কোম্পানি। বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে চালু হওয়া এ সার্চ ইঞ্জিনের নানা বিষয় সম্প্রতি এক আয়োজনের মাধ্যমে তুলে ধরেন এর নির্মাতারা।
‘সার্চ বাংলাদেশ’ স্লোগানে চালু হওয়া এ সার্চ ইঞ্জিনে প্রত্যেক পণ্যভিত্তিক আলাদা ফলাফল পাওয়া যাচ্ছে। চরকির সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান কারিগরি কর্মকর্তা রাশেদ মোসলেম প্রথম আলোকে জানান, চরকি প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে এই সার্চ ইঞ্জিনকে আরো উন্নত করতে। বর্তমানে দুই লাখের বেশি পণ্য চরকির প্রোডাক্ট সার্চ ইঞ্জিনে পাওয়া যাচ্ছে।
পাশাপাশি প্রায় ১৫০টি ই-কমার্স ওয়েবসাইট থেকে পণ্য পাওয়া যাচ্ছে চরকি সার্চ ইঞ্জিনে। বাংলা ও ইংরেজি শব্দের মধ্যে পার্থক্য দূর করতে দুই ভাষার জন্য একই ফলাফল দেখানোর পাশাপাশি সংবাদ খোঁজার ক্ষেত্রে ৩০টির বেশি সংবাদভিত্তিক ওয়েবসাইট থেকে প্রায় চার লাখ সংবাদ ও নিবন্ধ এখন চরকি সার্চ ইঞ্জিনে পাওয়া যাচ্ছে এবং এই সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে বলে জানিয়েছেন চরকির সদস্যরা। এখন ইন্টারনেটে চরকি ডটকমের পরীক্ষামূলক সংস্করণ ব্যবহার করা যাচ্ছে।
এর আগে দেশে প্রথমবারের মতো পিপীলিকা ডটকম (www.pipilika.com) নামের একটি সার্চ ইঞ্জিন চালু হয়।

বর্ষাকাল তো বটেই, অন্য সময়েও কিন্তু বিভিন্নভাবে সাধের মোবাইল ফোনটি পানিতে ভিজে যেতে পারে। দামি স্মার্টফোন পানিরোধি হলেও অধিকাংশ স্মার্টফোন কিংবা ফিচার ফোনেই এই সুবিধা নেই। আর তাই একবার পানিতে ভিজলে ফোনটির ভেতর পানি প্রবেশের সম্ভাবনাও প্রবল।

তবে পানিতে ভিজে গেলে দ্রুতই যদি কিছু ব্যবস্থা নেওয়া যায়, তাহলে সাধের মোবাইল ফোনটিকে অকেজো হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব। কী সেগুলো? চলুন দেখে নেওয়া যাক-

১. ফোন বন্ধ করুন: 

স্মার্টফোনই হোক আর ফিচার ফোনই হোক, পানিতে ভিজে গেলে প্রথমেই ফোনটি বন্ধ করে ফেলুন। এর কারণ হলো ফোন চালু থাকলে এর ভেতরের সার্কিটগুলো সক্রিয় থাকে যার মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ চলাচল করে। তবে সেখানে পানি প্রবেশ করলে শর্ট সার্কিট হয়ে পুরো মাদারবোর্ড নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশংকা থাকে। আর এরকমটি হলে ফোনটি একেবারেই অচল হয়ে যাবে। তবে ফোনের ডিসপ্লে বন্ধ থাকা অবস্থায় যদি পানিতে ভিজে যায়, তাহলে পানি থেকে সরিয়ে প্রথমেই পাওয়ার বাটন চেপে ডিসপ্লে অন করুন এবং এরপর ফোন বন্ধ করুন।

২. বাতাসে শুকাতে দিন: 

ফোনের ব্যাটারি অপসারণযোগ্য হলে ব্যাটারিটি খুলে ফেলুন। এরপর ফোনটি বাতাসে শুকাতে দিন। সিম কার্ড কিংবা মাইক্রোএসডি কার্ড থাকলে তাও খুলে ফেলুন। অন্যান্য কাভার কিংবা ব্যাকপার্টটিও সরিয়ে নিন যাতে করে ফোনে বাতাস প্রবেশ করতে পারে।

৩. ড্রায়ার ব্যবহার করে শুকাবেন না: 

ফোনের ভেতরটা দ্রুত শুকাতে ড্রায়ার ব্যবহার করবেন না। এতে করে ড্রায়ারের গরম বাতাসে ভেতরর কমপোনেন্ট ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

৪. চাল এবং সিলিকা ব্যবহার করুন: 

জলীয় পদার্থ শুষে নিতে চাল এবং সিলিকা জেল দারুণ কার্যকরী। তাই আপনার আর্দ্র ফোনটি এক বাটি চালের ভেতর গুঁজে রাখতে পারেন। এতে করে ফোনের ভেতরে থাকা পানি চাল শুষে নেবে। আর ভেতরে একেবারেই পানি থাকবে না। চালের পাশাপাশি চাইলে সিলিকা জেলও ব্যবহার করতে পারেন। চালের তুলনায় এটি এটি একটু বেশি কার্যকরী। উভয়ক্ষেত্রেই ভাল ফল পেতে চাইলে ২-৩ দিন ধরে চাল কিংবা সিলিকা জেলের মধ্যে ফোনটিকে রাখতে হবে।

৫. ফোন চালু করুন: 

ফোনের ভেতরের কোন কমপোনেন্ট যদি ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, তাহলে এবার আপনার ফোনটি চালু হবে। আর যদি চালু না হয়, সেক্ষেত্রে ফোনটি সার্ভিসিংয়ের মাধ্যমে ঠিক করা যেতে পারে।